তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুমারীর অনুমতি নিতে হবে। আমি বললাম, কুমারী তো লজ্জাবোধ করবে। তিনি বললেনঃ তার অনুমতি হলো তার নীরবতা। কেউ কেউ বলেন, যদি কোন ইয়াতীম বাঁদী অথবা কোন কুমারী কারো পছন্দ হয় কিন্ত সে অসম্মতি জানায়, তখন ঐ লোক কূটকৌশলের মাধ্যমে দু’জন মিথ্যা সাক্ষী এ মর্মে পেশ করে যে, সে তাকে বিয়ে করেছে এবং সে প্রাপ্তবয়স্কা হবার পর সম্মতি প্রদান করেছে আর বিচারকও মিথ্যা সাক্ষ্য গ্রহণ করে নেন অথচ স্বামী জানে যে তা মিথ্যা, এক্ষেত্রে তার জন্য যৌন সঙ্গম করা বৈধ হয়ে যায়। [১৪২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫০০)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১৪২] অত্র হাদীসসহ উপরে তিনটি হাদীস ইমাম বুখারীর বর্ণনা করার উদ্দেশ্য হল, বিবাহের ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে কোন মহিলাকে স্ত্রী বানানো ও তার সাথে সহবাস করার কৌশল বা ছলচাতুরী অবলম্বন অবৈধ। ইমাম ইবনু বাত্তাল বলেন, আলেমদের কারো নিকটে এ বিবাহ হালাল নয়। বাহ্যিকভাবে দু’জন সাক্ষীর ন্যায়পরায়ণতা প্রকাশিত হওয়ায় বিচারকের কোন ফায়সালা আল্লাহ যা স্বামীর উপর হারাম করেছেন তা হালাল করবে না। এরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দ্বারা অন্যের সম্পদ ভক্ষণকে হালাল করবে না। হারাম সম্পদ ভক্ষণ ও হারাম লজ্জাস্থানে সহবাসের মাঝে কোন পার্থক্য নেই। (ফাতহুল বারী)
হাদিস ফটো স্টুডিও
ইসলামিক ওয়ালপেপার সার্চ, হাদিস কার্ড ডিজাইন ও ডাউনলোড সুবিধা
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।