সহিহ বুখারী: হাদিস ৭১০৪
৯২. ফিত্না
صحيح البخاري
২/১৮ পরিচ্ছেদঃ
যে বলে ‘ঈমানই হচ্ছে ‘আমল’ ।
আল্লাহ তা’আলার এ বাণীর পরিপ্রেক্ষিতেঃ
{وَتِلْكَ الْجَنَّةُ الَّتِي أُورِثْتُمُوهَا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ}
এটাই জান্নাত, তোমাদেরকে যার অধিকারী করা হয়েছে তোমাদের কর্মের ফলস্বরূপ । (সূরা যুখরুফ ৪৩/৭২)
{فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ}
সুতরাং কসম আপনার রবের। আমি তাদের সবাইকে প্রশ্ন করবই সে বিষয়ে, যা তারা করে (সূরা হিজর ১৫/৯০) ; আল্লাহ তা’আলার বানী সম্পর্কে আলিমদের এক দল বলেন, لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ এর স্বীকারোক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ
لِمِثْلِ هَذَا فَلْيَعْمَلِ الْعَامِلُونَ
এরূপ সাফল্যের জন্য ‘আমলকারীদের উচিত ‘আমল করা। (সূরা সাফ্ফাত ৩৭/৬১)
৭১০৪
সহিহ বুখারীحَدَّثَنَا بَدَلُ بْنُ الْمُحَبَّرِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي عَمْرٌو سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ يَقُولُ دَخَلَ أَبُو مُوسَى وَأَبُو مَسْعُودٍ عَلَى عَمَّارٍ حَيْثُ بَعَثَهُ عَلِيٌّ إِلَى أَهْلِ الْكُوفَةِ يَسْتَنْفِرُهُمْ فَقَالاَ مَا رَأَيْنَاكَ أَتَيْتَ أَمْرًا أَكْرَهَ عِنْدَنَا مِنْ إِسْرَاعِكَ فِي هَذَا الأَمْرِ مُنْذُ أَسْلَمْتَ فَقَالَ عَمَّارٌ مَا رَأَيْتُ مِنْكُمَا مُنْذُ أَسْلَمْتُمَا أَمْرًا أَكْرَهَ عِنْدِي مِنْ إِبْطَائِكُمَا عَنْ هَذَا الأَمْرِ وَكَسَاهُمَا حُلَّةً حُلَّةً ثُمَّ رَاحُوا إِلَى الْمَسْجِدِ.
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)