أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ أَوْ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ
হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ, ইবনু হিববান ও হাকেম। হাদীসটি সহীহ।
সুতরাং তিনি যা তার ইলমে গায়েবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন তা করো পক্ষে সীমাবদ্ধ করা সম্ভব নয়।
সুতরাং উল্লেখিত হাদীস এ সংখ্যায় সীমাবদ্ধ করার প্রমাণ বহন করে না। যদি সীমাবদ্ধতা উদ্দেশ্য হতো তবে বর্ণনাভঙ্গি হত এমন إن أسماء الله تسعة وتسعون اسما من أحصاها دخل الجنة
যেমন কেউ যদি বলে, আমার কাছে একশত টাকা আছে যা আমি সাদাকা করার জন্য প্রস্ত্তত করে রেখেছি্। এর অর্থ এটা নয় যে, তার কাছে আর অন্য কোন টাকা নেই। বরং তার কাছে টাকা আছে। কিন্তু ওগুলো সাদাকার জন্য প্রস্ত্তত করেনি। সাদাকার জন্য শুধুমাত্র এ একশত টাকাই প্রস্ত্তত করেছে।
সুতরাং হাদীসটির অর্থ হচ্ছে : আল্লাহ তা‘আলার অসংখ্য নামের মধ্য থেকে এ ৯৯টি (নামের) সংখ্যার ফযীলত হলো: যে ব্যক্তি এগুলো গণনা করবে, হিফাযাত করবে এবং নামের চাহিদা মোতাবেক আমাল করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বিস্তারিত দেখুন ’’ শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালেহ আল উসাইমীনের القواعد المثلى في صفات الله وأسمائه الحسنى গ্রন্থে, ফাতহুল বারী ও ফাতাওয়ায়ে ইমাম ইবনে তাইমিয়ার ৬ নং খন্ড ৩৮২ পৃঃ ও ৩৭৯ পৃঃ)