নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় (জুমু‘আর জন্য) একজন ব্যতীত মুয়ায্যিন ছিল না এবং জুমু‘আর দিন আযান দেয়া হত যখন ইমাম বসতেন অর্থাৎ মিম্বরের উপর খুত্বার পূর্বে।
সহিহ বুখারী: হাদিস ৯১৩
১১. জুমু'আ
صحيح البخاري
২/২২ পরিচ্ছেদঃ
পাপ কাজ জাহিলী যুগের অভ্যাস। আর শির্ক ব্যতীত অন্য কোন গুনাহ্তে লিপ্ত হওয়াতে ঐ পাপীকে কাফির বলা যাবে না।
যেহেতু নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) [আবূ যর (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে ] বলেছেনঃ তুমি এমন ব্যাক্তি, তোমার মধ্যে জাহেলী যুগের স্বভাব রয়েছে। আর আল্লাহর বাণীঃ
{إِنَّ اللَّهَ لاَ يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ}
“আল্লাহ তাঁর শরীক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এ ছাড়া অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।” (সূরা আন-নিসা ৪/৪৮)
৯১৩
সহিহ বুখারীحَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ الْمَاجِشُونُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّ الَّذِي، زَادَ التَّأْذِينَ الثَّالِثَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ ـ رضى الله عنه ـ حِينَ كَثُرَ أَهْلُ الْمَدِينَةِ، وَلَمْ يَكُنْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُؤَذِّنٌ غَيْرَ وَاحِدٍ، وَكَانَ التَّأْذِينُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ حِينَ يَجْلِسُ الإِمَامُ، يَعْنِي عَلَى الْمِنْبَرِ.
সায়িব ইব্নু ইয়াযীদ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
মদীনার অধিবাসীদের সংখ্যা যখন বৃদ্ধি পেল, তখন জুমু‘আর দিন তৃতীয় আযান যিনি বৃদ্ধি করলেন, তিনি হলেন, উসমান ইব্নু ‘আফ্ফান (রাঃ)।
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় (জুমু‘আর জন্য) একজন ব্যতীত মুয়ায্যিন ছিল না এবং জুমু‘আর দিন আযান দেয়া হত যখন ইমাম বসতেন অর্থাৎ মিম্বরের উপর খুত্বার পূর্বে।
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় (জুমু‘আর জন্য) একজন ব্যতীত মুয়ায্যিন ছিল না এবং জুমু‘আর দিন আযান দেয়া হত যখন ইমাম বসতেন অর্থাৎ মিম্বরের উপর খুত্বার পূর্বে।