১
খাদ্য ও পণ্য-দ্রব্যে ভেজাল ইসলামের দৃষ্টিতে এর প্রতিকার
লেখকঃ ড. মো: আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
৩. ব্যবসা সম্পর্কিত ইসলামী নীতিমালা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ
ইসলাম ব্যবসাকে হালাল করেছে এবং সুদকে হারাম করেছে। পেশা হিসেবে ব্যবসা করার ব্যাপারে ইসলাম মানব জাতিকে বরাবরই উৎসাহিত করে আসছে। শুধু তাই নয়, ইসলামের ধারক ও বাহক হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসা ক্ষেত্রে তাঁর যে দূরদর্শিতা ছিল সে বিষয়ে একজন মুসলিম ব্যবসায়ী জ্ঞাত হওয়া ও বাস্তব জীবনে তার প্রতিফলন ঘটানো আবশ্যক। ইসলামে ব্যবসার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র পার্থিব জীবনে ভোগ বিলাসে মত্ত হওয়াই নয়, বরং পরকালীন জীবনের সফলতাও এর অন্যতম টার্গেট। এজন্যেই পবিত্র কুরআনে বারবার হুশিয়ার উচ্চারণ করা হয়েছে, যেন পারস্পরিক লেন-দেনের এ উত্তম মাধ্যমটিকে কেউ প্রবৃত্তির অনুসরণে কলুষিত করতে না পারে, এ মর্মে মহান আল্লাহ বলেন:
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ إِلاَّ أَن تَكُونَ تِجَارَةً عَن تَرَاضٍ مِّنكُمْ وَلاَ تَقْتُلُواْ أَنفُسَكُمْ إِنَّ اللّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيماً﴾
“হে মুমিনগণ! তোমরা একে অপরের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে গ্রাস করিও না। কিন্তু তোমাদের পরস্পর সম্মত হয়ে ব্যবসা করা বৈধ; এবং একে অপরকে হত্যা করিও না; নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়ালু। আর যে কেউ সীমালঙ্ঘন করে অন্যায়ভাবে তা করবে, তবে তাকে অগ্নিতে দগ্ধ করব। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি খুবই দয়াশীল।” [২৫. আল-কুরআন: ৪:২৯-৩০।] আল্লাহ তা’আলা অন্যত্রে ঘোষণা করেছেন:
﴿وَالَّذِينَ كَفَرُوا يَتَمَتَّعُونَ وَيَأْكُلُونَ كَمَا تَأْكُلُ الْأَنْعَامُ وَالنَّارُ مَثْوًى لَّهُمْ﴾
“কিন্তু যারা কুফরি করে, তারা ভোগ বিলাসে মত্ত থাকে এবং জন্তু জানোয়ারের মত উদরপূর্তি করে; আর জাহান্নামই তাদের নিবাস।” [২৬. আল-কুরআন: ৪৭:১২।]
ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ইসলামের যে নির্দেশনা রয়েছে তাতে, ধোঁকাবাজি, প্রতারণা বিশ্বাসঘাতকতা, মিথ্যা শপথ, শঠতা, অবৈধ পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, ভাল ও খারাপ পণ্যের মিশ্রণ তথা অনৈতিকতা সম্পন্ন কার্যাবলীর কোন স্থান নেই। তাছাড়াও অবৈধ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে কেউ প্রতারণা, ধোঁকাবাজি কিংবা অমানবিক কোন উপায়-উপকরণের আশ্রয় নেয়ার বিষয়ে সবিশেষ ভীতি প্রদর্শন করেছে। মূলত সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিকতা এ তিনের সমন্বয়ে ইসলাম ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যাবতীয় বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। অতএব,ব্যবসায়ীদেরকে সেসব নীতিমালা ও বিধিবিধান সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে।
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ إِلاَّ أَن تَكُونَ تِجَارَةً عَن تَرَاضٍ مِّنكُمْ وَلاَ تَقْتُلُواْ أَنفُسَكُمْ إِنَّ اللّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيماً﴾
“হে মুমিনগণ! তোমরা একে অপরের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে গ্রাস করিও না। কিন্তু তোমাদের পরস্পর সম্মত হয়ে ব্যবসা করা বৈধ; এবং একে অপরকে হত্যা করিও না; নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়ালু। আর যে কেউ সীমালঙ্ঘন করে অন্যায়ভাবে তা করবে, তবে তাকে অগ্নিতে দগ্ধ করব। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি খুবই দয়াশীল।” [২৫. আল-কুরআন: ৪:২৯-৩০।] আল্লাহ তা’আলা অন্যত্রে ঘোষণা করেছেন:
﴿وَالَّذِينَ كَفَرُوا يَتَمَتَّعُونَ وَيَأْكُلُونَ كَمَا تَأْكُلُ الْأَنْعَامُ وَالنَّارُ مَثْوًى لَّهُمْ﴾
“কিন্তু যারা কুফরি করে, তারা ভোগ বিলাসে মত্ত থাকে এবং জন্তু জানোয়ারের মত উদরপূর্তি করে; আর জাহান্নামই তাদের নিবাস।” [২৬. আল-কুরআন: ৪৭:১২।]
ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ইসলামের যে নির্দেশনা রয়েছে তাতে, ধোঁকাবাজি, প্রতারণা বিশ্বাসঘাতকতা, মিথ্যা শপথ, শঠতা, অবৈধ পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, ভাল ও খারাপ পণ্যের মিশ্রণ তথা অনৈতিকতা সম্পন্ন কার্যাবলীর কোন স্থান নেই। তাছাড়াও অবৈধ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে কেউ প্রতারণা, ধোঁকাবাজি কিংবা অমানবিক কোন উপায়-উপকরণের আশ্রয় নেয়ার বিষয়ে সবিশেষ ভীতি প্রদর্শন করেছে। মূলত সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিকতা এ তিনের সমন্বয়ে ইসলাম ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যাবতীয় বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। অতএব,ব্যবসায়ীদেরকে সেসব নীতিমালা ও বিধিবিধান সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে।