১
খাদ্য ও পণ্য-দ্রব্যে ভেজাল ইসলামের দৃষ্টিতে এর প্রতিকার
লেখকঃ ড. মো: আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
গ. ভেজাল মানবতা বিধ্বংসী জঘন্য অপরাধ
মানবিক সত্তা মানুষের এক গুরুত্বপূর্ণ সত্তা। এ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পরস্পরের মাঝে রয়েছে এক সুদৃঢ় বন্ধন, যা অভিন্ন দেহ-সত্তার রূপ পরিগ্রহ করে। [১২. রাসূল (সা.) বলেন: ترى المؤمنين في تراحمهم وتوادهم وتعاطفهم كمثل الجسد إذا اشتكى عضوا تداعى له سائر جسده بالسهر والحمى (দ্র: ইমাম বুখারী, সুহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫০৫৬)] অতএব একজন ব্যক্তি যখন তার দেহের কোন অঙ্গে ব্যথা ও কষ্ট অনুভব হওয়াকে কামনা করে না, তেমনি ভেজাল খাদ্য ও পণ্যদ্রব্য পরিবেশনের মাধ্যমে অন্যের ক্ষতি সাধন মানবতা বিরোধী জঘন্য অন্যায়। এতে শুধু ব্যক্তি অপরের ক্ষতিতে সচেষ্ট হয় না, বরং নিজেও অন্যের ভেজালে আচ্ছাদিত হয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কেননা, সে তো এ সমাজেরই একজন সদস্য। অথচ আল্লাহ এ বিষয়ে নিরুৎসাহিত করেছেন। ইরশাদ হয়েছে : ﴿وَلاَ تَقْتُلُواْ أَنفُسَكُمْ﴾ অর্থাৎ, "তোমরা তোমাদের নিজেদের হত্যা করো না। [১৩. আল-কুরআন: ৪: ২৯।] তাছাড়াও মহান আল্লাহর রীতি হলো : وَجَزَاء سَيِّئَةٍ سَيِّئَةٌ مِّثْلُهَا﴾ অর্থাৎ, “মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ” । [১৪. আল-কুরআন: ৪০ : ৪২।]
এ মর্মে হাদিসে এসেছে: " لاضرر ولاضرار " অর্থাৎ,“নিজের কিংবা অন্যের কোন ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে না।” [১৫. ইমাম আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবন্ ইয়াযীদ আল-কাযউঈনী, সুনান ইবনু মাজাহ্, তাহকীক: মুহাম্মাদ ফুয়াদ আব্দুল বাকী, (বৈরুত: দারুল ফিক্র, তা.বি.) হাদীস নং- ২৩৪০।]
এ মর্মে হাদিসে এসেছে: " لاضرر ولاضرار " অর্থাৎ,“নিজের কিংবা অন্যের কোন ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে না।” [১৫. ইমাম আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবন্ ইয়াযীদ আল-কাযউঈনী, সুনান ইবনু মাজাহ্, তাহকীক: মুহাম্মাদ ফুয়াদ আব্দুল বাকী, (বৈরুত: দারুল ফিক্র, তা.বি.) হাদীস নং- ২৩৪০।]