১
খাদ্য ও পণ্য-দ্রব্যে ভেজাল ইসলামের দৃষ্টিতে এর প্রতিকার
লেখকঃ ড. মো: আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
৭. বিক্রির ক্ষেত্রে পণ্যের দোষত্রুটি প্রকাশ করা
পণ্য দ্রব্যের দোষ-ক্রটি গোপন করা ইসলামী আদর্শের পরিপন্থী কাজ। বিক্রেতাকে অবশ্যই পণ্যের দোষ-ক্রটি ক্রেতার সামনে উপস্থাপন করতে হবে। এতে বরকত হাসিল হয়। পক্ষান্তরে তারা যদি তা গোপন করে ও মিথ্যা কথা বলে তাহলে তাদের ক্রয় বিক্রয়ের বরকত তুলে নেয়া হয়। কোন মুসলমানের জন্য এ ধরনের দোষ গোপন করা সমীচিন নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
المسلم أخو المسلم . ولا يحل لمسلم باع من أخيه بيعا فيه عيب إلا بينه له .
“মুসলমান মুসালমানের ভাই। এটা কোন মুসলমানের জন্য বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের কাছে এমন কোন বস্তু বিক্রয় করবে যাতে কোন ত্রুটি আছে, অথচ সে তা প্রকাশ করে দেবে না।” [৪১. ইমাম বুখারী, সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ১৩০৩।]
এ ধরনের জঘন্য কাজ কোন মুসলমান তো দূরের কথা, মানুষ নামের কেউই তা করতে পারে না। এ মর্মে উক্বা ইবন্ ‘আমের বলেন:
لا يحل لامرئ يبيع سلعة يعلم أن بها داء إلا أخبره
“জেনে-শুনে কোন ত্রুটিযুক্ত পণ্য বিক্রি করা কোন ব্যক্তির জন্যই বৈধ হতে পারে না। যতক্ষণ না এ ব্যাপারে ক্রেতাকে স্পষ্ট করে বলে দেয়া হয়।” [৪৩. ইমাম বুখারী, সহীহ বুখারী, কিতাবুল বুয়ূ’, বাবু ইযা বাইয়ানাল বা‘য়িয়ানি ওয়ালাম ইয়াক্তুমা ওয়া নাসাহা।]
المسلم أخو المسلم . ولا يحل لمسلم باع من أخيه بيعا فيه عيب إلا بينه له .
“মুসলমান মুসালমানের ভাই। এটা কোন মুসলমানের জন্য বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের কাছে এমন কোন বস্তু বিক্রয় করবে যাতে কোন ত্রুটি আছে, অথচ সে তা প্রকাশ করে দেবে না।” [৪১. ইমাম বুখারী, সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ১৩০৩।]
এ ধরনের জঘন্য কাজ কোন মুসলমান তো দূরের কথা, মানুষ নামের কেউই তা করতে পারে না। এ মর্মে উক্বা ইবন্ ‘আমের বলেন:
لا يحل لامرئ يبيع سلعة يعلم أن بها داء إلا أخبره
“জেনে-শুনে কোন ত্রুটিযুক্ত পণ্য বিক্রি করা কোন ব্যক্তির জন্যই বৈধ হতে পারে না। যতক্ষণ না এ ব্যাপারে ক্রেতাকে স্পষ্ট করে বলে দেয়া হয়।” [৪৩. ইমাম বুখারী, সহীহ বুখারী, কিতাবুল বুয়ূ’, বাবু ইযা বাইয়ানাল বা‘য়িয়ানি ওয়ালাম ইয়াক্তুমা ওয়া নাসাহা।]