১
কতিপয় দীনী বিষয় যা একজন মুসলিমের জানা প্রয়োজন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
দীনী জ্ঞান আহরণের বিশেষ কয়েকটি ফযীলত
১. আল্লাহ তা‘আলা ধর্মীয় জ্ঞানে জ্ঞানীদের মর্যাদা বহু গুণে বাড়িয়ে দেন:
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَرۡفَعِ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ مِنكُمۡ وَٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ دَرَجَٰتٖ﴾ [ المجادلة : ١١ ]
“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার ও জ্ঞানী আল্লাহ তা‘আলা তাদের মর্যাদা বহু গুণে বাড়িয়ে দেন”। [সূরা আল-মুজাদালাহ, আয়াত: ১১]
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,
﴿قُلۡ هَلۡ يَسۡتَوِي ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُونَ وَٱلَّذِينَ لَا يَعۡلَمُونَۗ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ٩﴾ [ الزمر : ٩ ]
“আপনি তাদেরকে বলে দিন, যারা জ্ঞানী এবং যারা মূর্খ তারা উভয় কি একই সমান”? [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৯]
২. দীনী জ্ঞানার্জন আল্লাহভীতি অর্জনের এক বিশেষ মাধ্যম:
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّمَا يَخۡشَى ٱللَّهَ مِنۡ عِبَادِهِ ٱلۡعُلَمَٰٓؤُاْۗ﴾ [ فاطر : ٢٨ ]
“আল্লাহ তা‘আলার বান্দাদের মাঝে যারা সত্যিকারার্থে জ্ঞানী তারাই মূলতঃ তাঁকে ভয় করে”। [সূরা ফাতির, আয়াত: ২৮]
৩. দীনী জ্ঞান শেখা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরয:
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَٱعۡلَمۡ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ وَٱسۡتَغۡفِرۡ لِذَنۢبِكَ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۗ وَٱللَّهُ يَعۡلَمُ مُتَقَلَّبَكُمۡ وَمَثۡوَىٰكُمۡ ١٩﴾ [ محمد : ١٩ ]
“অতএব, তুমি জেনে রাখো যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া সত্য কোনো মা‘বূদ নেই এবং তুমি ও তোমার মুমিন পুরুষ ও মহিলা উম্মতের সমূহ গুনাহ’র জন্য আল্লাহ তা‘আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো”। [সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ১৯]
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«طَلَبُ العِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ»
“দীনী জ্ঞান শেখা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরয”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২২৩।]
৪. দীনী জ্ঞান মূলতঃ কল্যাণকর এবং আল্লাহ তা‘আলা যখনই যার কল্যাণ করতে চান তখনই তিনি তাকে তা দিয়ে থাকেন:
মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ يُرِدْ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّين»
“আল্লাহ তা‘আলা কারোর কল্যাণ চাইলে তিনি তাকে দীনী প্রজ্ঞা শিক্ষা দেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৩৭; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২১৯।]
৫. দীনী জ্ঞান আহরণের জন্য কোনো পথ পাড়ি দিলে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন:
আবুদারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ، وَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا رِضًا لِطَالِبِ الْعِلْمِ، وَإِنَّ طَالِبَ الْعِلْمِ يَسْتَغْفِرُ لَهُ مَنْ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ حَتَّى الْحِيتَانُ فِي الْمَاءِ، وَإِنَّ فَضْلَ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ كَفَضْلِ الْقَمَرِ عَلَى سَائِرِ الْكَوَاكِبِ، إِنَّ الْعُلَمَاءَ هُمْ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ، إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِينَارًا وَلَا دِرْهَمًا إِنَّمَا وَرَّثُوا الْعِلْمَ، فَمَنْ أَخَذَهُ أَخَذَ بِحَظٍّ وَافِر»
“কেউ দীনী জ্ঞান শেখার জন্য কোনো পথ অতিক্রম করলে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। আর ফিরিশতাগণ জ্ঞান পিপাসুদের ওপর সন্তুষ্ট হয়ে তারা নিজেদের ডানাগুলো জমিনে বিছিয়ে দেন। উপরন্তু জ্ঞান পিপাসুদের জন্য আকাশ ও জমিনের সকল কিছু এমনকি পানির মাছও ক্ষমা প্রার্থনা করে। একজন আলিমের মর্যাদা একজন ইবাদতকারীর ওপর তেমন যেমন চন্দ্রের মর্যাদা অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্রের ওপর। আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিশ। নবীগণ কখনো কোনো দীনার-দিরহাম তথা টাকা-পয়সা মিরাস হিসেবে রেখে যান না, বরং তারা একমাত্র রেখে যান অহীর জ্ঞান। যে তা গ্রহণ করবে সেই পেয়ে যাবে বিশাল অংশ”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২২২।]
৬. দীনী জ্ঞান আহরণ অভিশপ্ত জীবন থেকে রক্ষা পাওয়ার একটি বিশেষ মাধ্যম:
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«الدُّنْيَا مَلْعُونَةٌ مَلْعُونٌ مَا فِيهَا إِلَّا ذِكْرَ اللَّهِ وَمَا وَالَاهُ أَوْ عَالِمًا أَوْ مُتَعَلِّمًا»
“দুনিয়া অভিশপ্ত এবং অভিশপ্ত তাতে যা রয়েছে। তবে আল্লাহর যিকির ও তাঁর আনুগত্য, আলিম এবং দীনী জ্ঞান আহরণকারী”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৪১৮৭।]
৭. দীনী জ্ঞান আহরণ আল্লাহ তা‘আলার পথে জিহাদ সমতুল্য:
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ جَاءَ مَسْجِدِي هَذَا لَمْ يَأْتِهِ الا لِخَيْرٍ يَتَعَلَّمُهُ أَوْ يُعَلِّمُهُ فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَمَنْ جَاءَ لِغَيْرِ ذَلِكَ فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الرَّجُلِ يَنْظُرُ إِلَى مَتَاعِ غَيْرِهِ»
“যে ব্যক্তি শুধুমাত্র দীনী জ্ঞান শেখা বা শেখানোর জন্য আমার মসজিদে আসলো সে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার পথের একান্ত মুজাহিদ সমতুল্য। আর যে ব্যক্তি এ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আসলো সে ব্যক্তি অন্যের সম্পদের দিকে তাকিয়ে থাকা লোকের মতো”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২২৬।]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَرۡفَعِ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ مِنكُمۡ وَٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ دَرَجَٰتٖ﴾ [ المجادلة : ١١ ]
“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার ও জ্ঞানী আল্লাহ তা‘আলা তাদের মর্যাদা বহু গুণে বাড়িয়ে দেন”। [সূরা আল-মুজাদালাহ, আয়াত: ১১]
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,
﴿قُلۡ هَلۡ يَسۡتَوِي ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُونَ وَٱلَّذِينَ لَا يَعۡلَمُونَۗ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ٩﴾ [ الزمر : ٩ ]
“আপনি তাদেরকে বলে দিন, যারা জ্ঞানী এবং যারা মূর্খ তারা উভয় কি একই সমান”? [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৯]
২. দীনী জ্ঞানার্জন আল্লাহভীতি অর্জনের এক বিশেষ মাধ্যম:
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّمَا يَخۡشَى ٱللَّهَ مِنۡ عِبَادِهِ ٱلۡعُلَمَٰٓؤُاْۗ﴾ [ فاطر : ٢٨ ]
“আল্লাহ তা‘আলার বান্দাদের মাঝে যারা সত্যিকারার্থে জ্ঞানী তারাই মূলতঃ তাঁকে ভয় করে”। [সূরা ফাতির, আয়াত: ২৮]
৩. দীনী জ্ঞান শেখা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরয:
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَٱعۡلَمۡ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ وَٱسۡتَغۡفِرۡ لِذَنۢبِكَ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۗ وَٱللَّهُ يَعۡلَمُ مُتَقَلَّبَكُمۡ وَمَثۡوَىٰكُمۡ ١٩﴾ [ محمد : ١٩ ]
“অতএব, তুমি জেনে রাখো যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া সত্য কোনো মা‘বূদ নেই এবং তুমি ও তোমার মুমিন পুরুষ ও মহিলা উম্মতের সমূহ গুনাহ’র জন্য আল্লাহ তা‘আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো”। [সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ১৯]
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«طَلَبُ العِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ»
“দীনী জ্ঞান শেখা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরয”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২২৩।]
৪. দীনী জ্ঞান মূলতঃ কল্যাণকর এবং আল্লাহ তা‘আলা যখনই যার কল্যাণ করতে চান তখনই তিনি তাকে তা দিয়ে থাকেন:
মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ يُرِدْ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّين»
“আল্লাহ তা‘আলা কারোর কল্যাণ চাইলে তিনি তাকে দীনী প্রজ্ঞা শিক্ষা দেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৩৭; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২১৯।]
৫. দীনী জ্ঞান আহরণের জন্য কোনো পথ পাড়ি দিলে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন:
আবুদারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ، وَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا رِضًا لِطَالِبِ الْعِلْمِ، وَإِنَّ طَالِبَ الْعِلْمِ يَسْتَغْفِرُ لَهُ مَنْ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ حَتَّى الْحِيتَانُ فِي الْمَاءِ، وَإِنَّ فَضْلَ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ كَفَضْلِ الْقَمَرِ عَلَى سَائِرِ الْكَوَاكِبِ، إِنَّ الْعُلَمَاءَ هُمْ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ، إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِينَارًا وَلَا دِرْهَمًا إِنَّمَا وَرَّثُوا الْعِلْمَ، فَمَنْ أَخَذَهُ أَخَذَ بِحَظٍّ وَافِر»
“কেউ দীনী জ্ঞান শেখার জন্য কোনো পথ অতিক্রম করলে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। আর ফিরিশতাগণ জ্ঞান পিপাসুদের ওপর সন্তুষ্ট হয়ে তারা নিজেদের ডানাগুলো জমিনে বিছিয়ে দেন। উপরন্তু জ্ঞান পিপাসুদের জন্য আকাশ ও জমিনের সকল কিছু এমনকি পানির মাছও ক্ষমা প্রার্থনা করে। একজন আলিমের মর্যাদা একজন ইবাদতকারীর ওপর তেমন যেমন চন্দ্রের মর্যাদা অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্রের ওপর। আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিশ। নবীগণ কখনো কোনো দীনার-দিরহাম তথা টাকা-পয়সা মিরাস হিসেবে রেখে যান না, বরং তারা একমাত্র রেখে যান অহীর জ্ঞান। যে তা গ্রহণ করবে সেই পেয়ে যাবে বিশাল অংশ”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২২২।]
৬. দীনী জ্ঞান আহরণ অভিশপ্ত জীবন থেকে রক্ষা পাওয়ার একটি বিশেষ মাধ্যম:
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«الدُّنْيَا مَلْعُونَةٌ مَلْعُونٌ مَا فِيهَا إِلَّا ذِكْرَ اللَّهِ وَمَا وَالَاهُ أَوْ عَالِمًا أَوْ مُتَعَلِّمًا»
“দুনিয়া অভিশপ্ত এবং অভিশপ্ত তাতে যা রয়েছে। তবে আল্লাহর যিকির ও তাঁর আনুগত্য, আলিম এবং দীনী জ্ঞান আহরণকারী”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৪১৮৭।]
৭. দীনী জ্ঞান আহরণ আল্লাহ তা‘আলার পথে জিহাদ সমতুল্য:
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ جَاءَ مَسْجِدِي هَذَا لَمْ يَأْتِهِ الا لِخَيْرٍ يَتَعَلَّمُهُ أَوْ يُعَلِّمُهُ فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَمَنْ جَاءَ لِغَيْرِ ذَلِكَ فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الرَّجُلِ يَنْظُرُ إِلَى مَتَاعِ غَيْرِهِ»
“যে ব্যক্তি শুধুমাত্র দীনী জ্ঞান শেখা বা শেখানোর জন্য আমার মসজিদে আসলো সে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার পথের একান্ত মুজাহিদ সমতুল্য। আর যে ব্যক্তি এ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আসলো সে ব্যক্তি অন্যের সম্পদের দিকে তাকিয়ে থাকা লোকের মতো”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২২৬।]