১
সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
সাহাবীদের যুগে সুন্নাহর গুরুত্ব প্রদান:
সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় সরাসরি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রদত্ত কুরআনের ব্যাখ্যার আলোকে ইসলামের হুকুম আহ্কাম শিক্ষা লাভ করতেন। কেননা আল্লাহ তা’আলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কুরআনের ব্যাখ্যা প্রদানের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلذِّكۡرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيۡهِمۡ وَلَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ ٤٤﴾ [ النحل : ٤٤ ] “আমি আপনার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি মানুষের প্রতি অবতীর্ণ হওয়া বিষয়গুলি সুন্দরভাবে ব্যাখ্যাদান করেন” [[সূরা আন্-নাহল, ৪৪]]।
আল্লাহ আরও বলেন, ﴿ وَمَآ أَنزَلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ إِلَّا لِتُبَيِّنَ لَهُمُ ٱلَّذِي ٱخۡتَلَفُواْ فِيهِ وَهُدٗى وَرَحۡمَةٗ لِّقَوۡمٖ يُؤۡمِنُونَ ٦٤ ﴾ [ النحل : ٦٤ ]
এ জন্যই সাহাবীগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতিটি কথা ও কাজ, ইবাদাত বন্দেগী এবং আচার-আচরণ অতি গুরুত্ব ও মনোযোগ সহকারে লক্ষ করতেন এবং ইসলামের হুকুম আহ্কাম তাঁর কাছ থেকে যব্ত-রপ্ত করে নিতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ইবাদতের নিয়মাবলী শিক্ষা নিতে হবে এ জন্য স্বয়ং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ প্রদান করেছেন, صَلُّو كَمَا رَأَيْتُمُوْنِيْ أُصَلِّيْ “তোমরা সেভাবে সালাত সম্পাদন কর, যে ভাবে আমাকে সম্পাদন করতে দেখেছ”। তিনি আরও বলেন, خُذُوْا عَنِّيْ مَنَاسِكَكُمْ “তোমরা আমার হজ্ব সম্পাদনের পদ্ধতি হতে তোমাদের হজ্ব সম্পাদনের পদ্ধতি জেনে নাও”।
সাহাবীগণ এভাবেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতকে সরাসরি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেই গ্রহণ করতেন। এমনকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ ছাড়াই তাঁরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কার্যসমূহের অনুসরণ করতেন। যেমন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের আংটি বানালেন সাহাবীগণ দেখাদেখি স্বর্ণের আংটি বানালেন, অতঃপর যখণ স্বর্ণ পুরুষদের জন্য হারাম হয়ে গেল তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের আংটি খুলে ফেললেন, দেখাদেখি সকল সাহাবীগণও আংটি খুলে ফেললেন”।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় এভাবেই সাহাবীগণ তাঁর সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরার প্রাণ-পণ চেষ্টা করতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের পর সাহাবীগণ তাঁর সুন্নাতকে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার জন্য বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। একে অপরের কাছ থেকে হাদিস সংগ্রহে প্রতিযোগিতায় অবতরণ করতেন। এমনকি সুদূর পথ অতিক্রম করেও হাদিস শিক্ষা হতে বিরত হননি। একটি হাদিসের জন্য এক মাসের পথ অতিক্রম করে হলেও তা সংগ্রহের চেষ্টা করেছেন। যেমন- সাহাবী জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু একটি হাদিস শিক্ষার জন্য মদিনা হতে শাম এক মাসের পথ অতিক্রম করে সেখানে গেছেন।
আবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহ, কথা ও কাজ বর্ণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতেন। পূর্ণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অপরের কাছে কখনও বর্ণনা করতেন না। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ প্রদান করেছেন, তেমনি হাদিস বর্ণনায় মিথ্যার আশ্রয় এর ভয়াবহ পরিণতি বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَؤّْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার উপর কোন মিথ্যারোপ করল, সে যেন জাহান্নামে তার স্থান নির্ধারণ করে নিলো”। [মুসলিম: ৩] তিনি আরও বলেন:
كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ
“একজন ব্যক্তির মিথ্যুক হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যাকিছু শুনে [সত্য-মিথ্যা যাচাই ছাড়া] তাহাই অন্যের কাছে বর্ণনা করে”। [মুসলিম: ১০]
অতএব সাহাবীগণ যেমনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহ সংগ্রহ ও প্রচার-প্রসারে আগ্রহী ও উৎসাহী ছিলেন তেমনি আবার ভুল-ত্রুটি ঘটতে পারে এ আশংকায় চরম সতর্ক ছিলেন। কোন কিছু শুনে বা দেখে নিশ্চিত না হয়ে কিছু বর্ণনা করতেন না। যেমন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একনিষ্ঠ খাদেম সাহাবী আনাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন:
لَوْلاَ أَنِّي أَخْشَى أَنْ أُخْطِئَ لَحَدَّثْتُكُمْ بِأَشْيَاءَ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللهِ أَوْ قَالَهَا رَسُولُ اللهِ وَذَاكَ أَنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ
“আমার যদি ভুল ত্রুটির আশংকা না হত তাহলে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনেক কিছু বর্ণনা করতাম যা তাকে বলতে শুনেছি, কিন্তু ভয় হয় যে, তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত আমার উপর মিথ্যা রোপ করল সে যেন তার স্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করে নিলো”। [আহমদ: ১২৭৪৬]
এমনিভাবে সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর, আব্দুল্লাহ ইবনু ওমার সহ অনেক সাহাবী ভুল-ত্রুটির আশংকায় অনেক হাদিস বর্ণনা করেন নি।
অতএব এতে প্রতীয়মান হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ হাদিস সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রচার-প্রসারে অপরিসীম গুরুত্ব প্রদান করেছেন।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلذِّكۡرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيۡهِمۡ وَلَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ ٤٤﴾ [ النحل : ٤٤ ] “আমি আপনার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি মানুষের প্রতি অবতীর্ণ হওয়া বিষয়গুলি সুন্দরভাবে ব্যাখ্যাদান করেন” [[সূরা আন্-নাহল, ৪৪]]।
আল্লাহ আরও বলেন, ﴿ وَمَآ أَنزَلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ إِلَّا لِتُبَيِّنَ لَهُمُ ٱلَّذِي ٱخۡتَلَفُواْ فِيهِ وَهُدٗى وَرَحۡمَةٗ لِّقَوۡمٖ يُؤۡمِنُونَ ٦٤ ﴾ [ النحل : ٦٤ ]
এ জন্যই সাহাবীগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতিটি কথা ও কাজ, ইবাদাত বন্দেগী এবং আচার-আচরণ অতি গুরুত্ব ও মনোযোগ সহকারে লক্ষ করতেন এবং ইসলামের হুকুম আহ্কাম তাঁর কাছ থেকে যব্ত-রপ্ত করে নিতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ইবাদতের নিয়মাবলী শিক্ষা নিতে হবে এ জন্য স্বয়ং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ প্রদান করেছেন, صَلُّو كَمَا رَأَيْتُمُوْنِيْ أُصَلِّيْ “তোমরা সেভাবে সালাত সম্পাদন কর, যে ভাবে আমাকে সম্পাদন করতে দেখেছ”। তিনি আরও বলেন, خُذُوْا عَنِّيْ مَنَاسِكَكُمْ “তোমরা আমার হজ্ব সম্পাদনের পদ্ধতি হতে তোমাদের হজ্ব সম্পাদনের পদ্ধতি জেনে নাও”।
সাহাবীগণ এভাবেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতকে সরাসরি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেই গ্রহণ করতেন। এমনকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ ছাড়াই তাঁরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কার্যসমূহের অনুসরণ করতেন। যেমন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের আংটি বানালেন সাহাবীগণ দেখাদেখি স্বর্ণের আংটি বানালেন, অতঃপর যখণ স্বর্ণ পুরুষদের জন্য হারাম হয়ে গেল তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের আংটি খুলে ফেললেন, দেখাদেখি সকল সাহাবীগণও আংটি খুলে ফেললেন”।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় এভাবেই সাহাবীগণ তাঁর সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরার প্রাণ-পণ চেষ্টা করতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের পর সাহাবীগণ তাঁর সুন্নাতকে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার জন্য বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। একে অপরের কাছ থেকে হাদিস সংগ্রহে প্রতিযোগিতায় অবতরণ করতেন। এমনকি সুদূর পথ অতিক্রম করেও হাদিস শিক্ষা হতে বিরত হননি। একটি হাদিসের জন্য এক মাসের পথ অতিক্রম করে হলেও তা সংগ্রহের চেষ্টা করেছেন। যেমন- সাহাবী জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু একটি হাদিস শিক্ষার জন্য মদিনা হতে শাম এক মাসের পথ অতিক্রম করে সেখানে গেছেন।
আবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহ, কথা ও কাজ বর্ণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতেন। পূর্ণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অপরের কাছে কখনও বর্ণনা করতেন না। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ প্রদান করেছেন, তেমনি হাদিস বর্ণনায় মিথ্যার আশ্রয় এর ভয়াবহ পরিণতি বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَؤّْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার উপর কোন মিথ্যারোপ করল, সে যেন জাহান্নামে তার স্থান নির্ধারণ করে নিলো”। [মুসলিম: ৩] তিনি আরও বলেন:
كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ
“একজন ব্যক্তির মিথ্যুক হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যাকিছু শুনে [সত্য-মিথ্যা যাচাই ছাড়া] তাহাই অন্যের কাছে বর্ণনা করে”। [মুসলিম: ১০]
অতএব সাহাবীগণ যেমনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহ সংগ্রহ ও প্রচার-প্রসারে আগ্রহী ও উৎসাহী ছিলেন তেমনি আবার ভুল-ত্রুটি ঘটতে পারে এ আশংকায় চরম সতর্ক ছিলেন। কোন কিছু শুনে বা দেখে নিশ্চিত না হয়ে কিছু বর্ণনা করতেন না। যেমন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একনিষ্ঠ খাদেম সাহাবী আনাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন:
لَوْلاَ أَنِّي أَخْشَى أَنْ أُخْطِئَ لَحَدَّثْتُكُمْ بِأَشْيَاءَ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللهِ أَوْ قَالَهَا رَسُولُ اللهِ وَذَاكَ أَنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ
“আমার যদি ভুল ত্রুটির আশংকা না হত তাহলে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনেক কিছু বর্ণনা করতাম যা তাকে বলতে শুনেছি, কিন্তু ভয় হয় যে, তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত আমার উপর মিথ্যা রোপ করল সে যেন তার স্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করে নিলো”। [আহমদ: ১২৭৪৬]
এমনিভাবে সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর, আব্দুল্লাহ ইবনু ওমার সহ অনেক সাহাবী ভুল-ত্রুটির আশংকায় অনেক হাদিস বর্ণনা করেন নি।
অতএব এতে প্রতীয়মান হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ হাদিস সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রচার-প্রসারে অপরিসীম গুরুত্ব প্রদান করেছেন।