১
সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
সুন্নাহর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থের মধ্যে সম্পর্ক:
সূন্নাহের পারিভাষিক ও আভিধানিক উভয় অর্থের মধ্যে গভীরভাবে চিন্তা করে দেখলে দেখা যায় সুন্নাহের আভিধানিক অর্থটি ব্যাপক। সুন্নাহর আভিধানিক অর্থ হল, পথ ও পদ্ধতি, রীতি ও নীতি। যে কোন মানুষের পথ পদ্ধতি, ও রীতি নীতেকেই সুন্নাত বলা যেতে পারে। কিন্তু পারিভাষিক অর্থ খাস। অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নবুওতী জীবনের পদ্ধতি ও রীতি-নীতিকেই পরিভাষায় সুন্নাত বলা হয়। কুরআনের বিপরীতে সুন্নাতের ব্যবহার করা করা হয়ে থাকে। সুতরাং, একমাত্র খুলাফায়ে রাশেদিনের পথ, পদ্ধতি ও রীতি-নীতি ছাড়া আর কারো পথ পদ্ধতি ও রীতি-নীতিকে সুন্নাত বলা যাবে না। শুধুমাত্র খুলাফায়ে রাশেদিনের পথ, পদ্ধতি ও রীতি-নীতিকে সুন্নাত বলা যাবে। যেমন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন - عليكم بسنتي وسنة الخلفاء الراشدين المهديين من بعدي عضوا عليها بالنواجذ “তোমরা আমার সূন্নাতকে আঁকড়ে ধর এবং খুলাফায়ে রাশেদীনের সূন্নাতকে আঁকড়ে ধর। তার উপর তোমরা অটুট থাক। আবু দাউদ, তিরমিযি ইমাম তিরমিযি হাদিসটিকে হাসান বলে আখ্যায়িত করেন”। [আবু দাউদ, তিরমিযি, হাদিস: ২৬৭৬]
মূলত: মুহাদ্দিসদের নিকট সুন্নাহর সংজ্ঞার ফলাফল এটাই আসে, তাই সুন্নাহ [ سنة ] এর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে কোন ভিন্নতা নেই।
উপরে উল্লেখিত বিষয়ে একটি কথা স্পষ্ট হয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা, কাজ ও সম্মতিকে সুন্নাত বলে। নিম্নে এ বিষয়ের উপর প্রমাণ তুলে ধরা হল।
মূলত: মুহাদ্দিসদের নিকট সুন্নাহর সংজ্ঞার ফলাফল এটাই আসে, তাই সুন্নাহ [ سنة ] এর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে কোন ভিন্নতা নেই।
উপরে উল্লেখিত বিষয়ে একটি কথা স্পষ্ট হয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা, কাজ ও সম্মতিকে সুন্নাত বলে। নিম্নে এ বিষয়ের উপর প্রমাণ তুলে ধরা হল।