১
বিরুদ্ধবাদীদের সাথে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ
লেখকঃ ড. মোঃ আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
(খ) আল্লাহ তা‘আলার স্মরণ ও ইবাদতে মশগুল হওয়া
মক্কবাসীরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দা‘ওয়াতকে প্রতিহত করার জন্যে তাঁকে বিভিন্ন অপবাদে অভিহিত করেছিল। কেউ জাদুকর, কেউ কবি এবং মিথ্যাবাদী বলত। তাদের এ সকল পীড়াদায়ক ও মর্মন্তুদ আচরণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত ব্যথিত হতেন এবং ধৈর্যের মাধ্যমে সেগুলোর প্রতিকার করতেন। এক্ষেত্রে তিনি সর্বদা আল্লাহ রাববুল আলামীনের স্মরণে নিজেকে ব্যাস্ত রাখতেন এবং ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকতেন। কেননা, মহান আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করলে মনে এ ধ্যাণ-ধারণার সৃষ্টি হয় যে, এ জগতে আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কেউ কারও কোনো রকম ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন করতে পারে না। অপরদিকে শত্রুর মোকাবিলায় প্রতিশোধ স্পৃহা যতই থাকুক না কেন তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা শক্তিশলী-বিরাট ও প্রভাবশালীর দ্বারাও অসম্ভব। সেক্ষেত্রে আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হলে তা শান্তি ও সন্তুষ্ট চিত্তে জীবন নির্বাহে সহায়ক হয়। এ দিকে ইঙ্গিত করে মহান আল্লাহ বলেনঃ
﴿ فَٱصۡبِرۡ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ قَبۡلَ طُلُوعِ ٱلشَّمۡسِ وَقَبۡلَ غُرُوبِهَاۖ وَمِنۡ ءَانَآيِٕ ٱلَّيۡلِ فَسَبِّحۡ وَأَطۡرَافَ ٱلنَّهَارِ لَعَلَّكَ تَرۡضَىٰ ١٣٠ ﴾ [ طه : ١٣٠ ]
‘‘সুতরাং এরা যা বলে সে বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করুন এবং আপনার পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে, সুর্যাস্তের পূর্বে, রাত্রির কিছু অংশ এবং দিবাভাগে সম্ভবতঃ তাতে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।’’ [আল-কুরআন, সূরা ত্বা-হা : ১৩০।]
আলোচ্য আয়াতে ( وَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ ) এর অর্থ যিকির ও হামদও হতে পারে। তবে এখানে বিশেষভাবে নামাযকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। ‘‘সূর্যোদয়ের পূর্বে’’ বলে ফজরের নামায, ‘‘সূর্যোস্তের পূর্বে’’ বলে যোহর ও আসরের নামায এবং ‘‘রাত্রিকালীণ নামায’’ বলে মাগরিব, এশা ও তাহাজ্জুদকে বুঝানো হয়েছে। [মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী, প্রাগুক্ত, পৃ. ৮৭০।]
﴿ فَٱصۡبِرۡ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ قَبۡلَ طُلُوعِ ٱلشَّمۡسِ وَقَبۡلَ غُرُوبِهَاۖ وَمِنۡ ءَانَآيِٕ ٱلَّيۡلِ فَسَبِّحۡ وَأَطۡرَافَ ٱلنَّهَارِ لَعَلَّكَ تَرۡضَىٰ ١٣٠ ﴾ [ طه : ١٣٠ ]
‘‘সুতরাং এরা যা বলে সে বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করুন এবং আপনার পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে, সুর্যাস্তের পূর্বে, রাত্রির কিছু অংশ এবং দিবাভাগে সম্ভবতঃ তাতে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।’’ [আল-কুরআন, সূরা ত্বা-হা : ১৩০।]
আলোচ্য আয়াতে ( وَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ ) এর অর্থ যিকির ও হামদও হতে পারে। তবে এখানে বিশেষভাবে নামাযকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। ‘‘সূর্যোদয়ের পূর্বে’’ বলে ফজরের নামায, ‘‘সূর্যোস্তের পূর্বে’’ বলে যোহর ও আসরের নামায এবং ‘‘রাত্রিকালীণ নামায’’ বলে মাগরিব, এশা ও তাহাজ্জুদকে বুঝানো হয়েছে। [মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী, প্রাগুক্ত, পৃ. ৮৭০।]