১
বিরুদ্ধবাদীদের সাথে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ
লেখকঃ ড. মোঃ আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
(ঙ) বিরুদ্ধবাদীদের গণবিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা চালানো
বিরুদ্ধবাদীগণ নিজেরাই বিরোধিতায় মেতে উঠে না, বরং সাধারণ জনতাকে সে বিষয়ে প্ররোচিত করে থাকে এবং তাদের সমর্থনে বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করে। অথচ সাধারণ জনতার অনেকাংশই তাদের স্বরূপ সম্পর্কে অবগত নয়। যদি দা‘ঈগণ সাধারণ মানুষের সামনে তাদের চরিত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট বক্তব্য উপস্থাপন করে তাহলে সে সকল বিরুদ্ধবাদিরা গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। ফলে তাদের অত্যাচার নির্যাতন ও বিরোধিতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। আল্লাহ তা‘আলা আখিরাতের বাস্তব অবস্থা তুলে ধরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সে কৌশল শিক্ষা দিয়েছেন, যাতে তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেনঃ
﴿وَلَوۡ يَرَى ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓاْ إِذۡ يَرَوۡنَ ٱلۡعَذَابَ أَنَّ ٱلۡقُوَّةَ لِلَّهِ جَمِيعٗا وَأَنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلۡعَذَابِ ١٦٥ إِذۡ تَبَرَّأَ ٱلَّذِينَ ٱتُّبِعُواْ مِنَ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُواْ وَرَأَوُاْ ٱلۡعَذَابَ وَتَقَطَّعَتۡ بِهِمُ ٱلۡأَسۡبَابُ ١٦٦ وَقَالَ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُواْ لَوۡ أَنَّ لَنَا كَرَّةٗ فَنَتَبَرَّأَ مِنۡهُمۡ كَمَا تَبَرَّءُواْ مِنَّاۗ كَذَٰلِكَ يُرِيهِمُ ٱللَّهُ أَعۡمَٰلَهُمۡ حَسَرَٰتٍ عَلَيۡهِمۡۖ وَمَا هُم بِخَٰرِجِينَ مِنَ ٱلنَّارِ ١٦٧ ﴾ [ البقرة : ١٦٥، ١٦٧ ]
‘‘আর কতইনা উত্তম হত যদি যালেমরা পার্থিব কোনো আযাব প্রত্যক্ষ করেই উপলব্ধি করে নিত যে, আল্লাহর আযাবই সবচেয়ে কঠিন। যখন তারা তাদের অনুসারীদের সম্বন্ধে দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকার করবে, আর এভাবে যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে ও তাদের (দুনিয়ার সাথে) সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে, তখন সে অনুসারীরা বলবে, হায়! যদি একবার দুনিয়ায় ফিরে যেতাম তাহলে আমরাও তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতাম, যেভাবে আজ তারা করছে। এভাবে আল্লাহ তাদের কৃতকর্ম পরিতাপরূপে তাদের দেখাবেন। আর তারা জাহান্নাম হতে কখনো বের হতে পারবে না।’’ [আল-কুরআন, সূরা আল-বাকারা : ১৬৫-১৬৭।]
এ ধরনের বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে জনসাধারণকে যালিমদের বিরুদ্ধে সোচ্ছার করে তোলা যায়, অতএব, আজ যারা যালিমের সাহায্যকারী পরকাল দিবসে তাদের পরিতাপ করা ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। ফলে দা‘ঈকে তা এ সকল যালিম সম্প্রদায়কে গণবিচ্ছিন্ন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে হবে।
﴿وَلَوۡ يَرَى ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓاْ إِذۡ يَرَوۡنَ ٱلۡعَذَابَ أَنَّ ٱلۡقُوَّةَ لِلَّهِ جَمِيعٗا وَأَنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلۡعَذَابِ ١٦٥ إِذۡ تَبَرَّأَ ٱلَّذِينَ ٱتُّبِعُواْ مِنَ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُواْ وَرَأَوُاْ ٱلۡعَذَابَ وَتَقَطَّعَتۡ بِهِمُ ٱلۡأَسۡبَابُ ١٦٦ وَقَالَ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُواْ لَوۡ أَنَّ لَنَا كَرَّةٗ فَنَتَبَرَّأَ مِنۡهُمۡ كَمَا تَبَرَّءُواْ مِنَّاۗ كَذَٰلِكَ يُرِيهِمُ ٱللَّهُ أَعۡمَٰلَهُمۡ حَسَرَٰتٍ عَلَيۡهِمۡۖ وَمَا هُم بِخَٰرِجِينَ مِنَ ٱلنَّارِ ١٦٧ ﴾ [ البقرة : ١٦٥، ١٦٧ ]
‘‘আর কতইনা উত্তম হত যদি যালেমরা পার্থিব কোনো আযাব প্রত্যক্ষ করেই উপলব্ধি করে নিত যে, আল্লাহর আযাবই সবচেয়ে কঠিন। যখন তারা তাদের অনুসারীদের সম্বন্ধে দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকার করবে, আর এভাবে যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে ও তাদের (দুনিয়ার সাথে) সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে, তখন সে অনুসারীরা বলবে, হায়! যদি একবার দুনিয়ায় ফিরে যেতাম তাহলে আমরাও তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতাম, যেভাবে আজ তারা করছে। এভাবে আল্লাহ তাদের কৃতকর্ম পরিতাপরূপে তাদের দেখাবেন। আর তারা জাহান্নাম হতে কখনো বের হতে পারবে না।’’ [আল-কুরআন, সূরা আল-বাকারা : ১৬৫-১৬৭।]
এ ধরনের বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে জনসাধারণকে যালিমদের বিরুদ্ধে সোচ্ছার করে তোলা যায়, অতএব, আজ যারা যালিমের সাহায্যকারী পরকাল দিবসে তাদের পরিতাপ করা ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। ফলে দা‘ঈকে তা এ সকল যালিম সম্প্রদায়কে গণবিচ্ছিন্ন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে হবে।