১
ইবাদত-বন্দেগীতে মধ্যপন্থা অবলম্বন
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
হাদীস - ৮.
8 - وعن أَبِي جُحَيْفَةَ وَهبِ بْنِ عبد اللَّه رضي اللَّهُ عنه قال : آخَى النَّبِيُّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم بَيْن سَلْمَانَ وأَبِي الدَّرْدَاءِ ، فَزَارَ سلْمَانُ أَبَا الدَّرْدَاءِ ، فَرَأَى أُمَّ الدَّرْدَاء مُتَبَذِّلَةً فقالَ : ما شَأْنُكِ؟ قالَتْ : أَخْوكَ أَبُو الدَّرداءِ ليْسَ له حَاجةٌ فِي الدُّنْيَا . فَجَاءَ أَبُو الدرْدَاءِ فَصَنَعَ لَه طَعَاماً ، فقالَ لَهُ : كُلْ فَإِنِّي صَائِمٌ ، قالَ : ما أَنا بآكلٍ حَتَّى تأْكلَ ، فَأَكَلَ ، فَلَّمَا كانَ اللَّيْلُ ذَهَبَ أَبُو الدَّرْداءِ يقُوم فقال لَه : نَمْ فَنَام ، ثُمَّ ذَهَبَ يَقُوم فقالَ لَه : نَمْ ، فَلَمَّا كان من آخرِ اللَّيْلِ قالَ سلْمانُ : قُم الآنَ، فَصَلَّيَا جَمِيعاً ، فقالَ له سَلْمَانُ : إِنَّ لرَبِّكَ عَلَيْكَ حَقًّا ، وَإِنَّ لنَفْسِكَ عَلَيْكَ حقًّا ، ولأهلِك عَلَيْكَ حَقًّا ، فَأَعْطِ كُلَّ ذِي حَقٍّ حَقَّه ، فَأَتَى النَّبِيَّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم فَذَكر ذلكَ لَه ، فقالَ النَّبِيُّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : « صَدَقَ سلْمَانُ » رواه البخاري .
আবু জুহাইফা ওহাব ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালমান ও আবু দারদার মাঝে ভ্রাতৃত্ব সম্পর্ক স্থাপন করে দিলেন। একদিন সালমান আবু দারদার সাথে সাক্ষাতের জন্য গেলেন। তখন উম্মে দারদা (আবু দারদার স্ত্রী) কে অতি সাধারণ পোশাকে দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেন, তোমার এ অবস্থা কেন? সে বলল, তোমার ভাই আবু দারদার দুনিয়ার কোন প্রয়োজন নেই। এরপর আবু দারদা আসলেন। তিনি সালমানের জন্য খাবার প্রস্ত্তত করে তাকে বললেন, তুমি খাও, আমি রোজা রেখেছি। সালমান বললেন, তুমি না খেলে আমি খাব না। তখন আবু দারদাও খেলেন। অত:পর যখন রাত হল, আবু দারদা নামাজে দাড়াতে গেলে সালমান তাকে বললেন, তুমি এখন ঘুমাও। আবু দারদা ঘুমালেন। তারপর তিনি উঠে আবার নামাজ পড়তে চাইলেন। এবারও সালমান তাকে বললেন, তুমি ঘুমাও। এরপর যখন রাতের শেষ প্রহর আসল, তখন সালমান তাকে বললেন, এখন উঠ। তারপর দুজনেই নামাজ পড়লেন। সালমান তাকে বললেন: নিশ্চয় তোমার উপর তোমার রব (আল্লাহ তাআলা)-এর হক (পাওনা) আছে। তোমার উপর তোমার নিজের হক আছে। তোমার দায়িত্বে পরিবারের হক আছে। অতএব প্রত্যেক পাওনাদারের হক (অধিকার) আদায় কর। এরপর আবু দারদা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে সালমানের কথাগুলো বললেন। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: সালমান সঠিক কথা বলেছে। (বুখারী)
আবু জুহাইফা ওহাব ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালমান ও আবু দারদার মাঝে ভ্রাতৃত্ব সম্পর্ক স্থাপন করে দিলেন। একদিন সালমান আবু দারদার সাথে সাক্ষাতের জন্য গেলেন। তখন উম্মে দারদা (আবু দারদার স্ত্রী) কে অতি সাধারণ পোশাকে দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেন, তোমার এ অবস্থা কেন? সে বলল, তোমার ভাই আবু দারদার দুনিয়ার কোন প্রয়োজন নেই। এরপর আবু দারদা আসলেন। তিনি সালমানের জন্য খাবার প্রস্ত্তত করে তাকে বললেন, তুমি খাও, আমি রোজা রেখেছি। সালমান বললেন, তুমি না খেলে আমি খাব না। তখন আবু দারদাও খেলেন। অত:পর যখন রাত হল, আবু দারদা নামাজে দাড়াতে গেলে সালমান তাকে বললেন, তুমি এখন ঘুমাও। আবু দারদা ঘুমালেন। তারপর তিনি উঠে আবার নামাজ পড়তে চাইলেন। এবারও সালমান তাকে বললেন, তুমি ঘুমাও। এরপর যখন রাতের শেষ প্রহর আসল, তখন সালমান তাকে বললেন, এখন উঠ। তারপর দুজনেই নামাজ পড়লেন। সালমান তাকে বললেন: নিশ্চয় তোমার উপর তোমার রব (আল্লাহ তাআলা)-এর হক (পাওনা) আছে। তোমার উপর তোমার নিজের হক আছে। তোমার দায়িত্বে পরিবারের হক আছে। অতএব প্রত্যেক পাওনাদারের হক (অধিকার) আদায় কর। এরপর আবু দারদা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে সালমানের কথাগুলো বললেন। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: সালমান সঠিক কথা বলেছে। (বুখারী)