১
ইবাদত-বন্দেগীতে মধ্যপন্থা অবলম্বন
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল :
এক. ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে যার যার সামর্থের মধ্যে থেকে। আল্লাহ রাববুল আলামীন সামর্থের বাহিরে কোন কিছু করার জন্য আদেশ দেন না।
দুই. মানুষ ইবাদত-বন্দেগী অধিক পরিমাণে করতে করতে অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে। জীবনের অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ-কর্ম ব্যহত হয়। এ রকম করতে নিষেধ করা হয়েছে।
তিন. মানুষ ইবাদত-বন্দেগী করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা বান্দাদের ইবাদতের বিনিময় প্রদানে কখনো ক্লান্ত হবেন না।
চার. এক দিন বা একটি রাত সম্পূর্ণ জাগ্রত থেকে শত শত রাকাত নামাজ আদায় করার চেয়ে প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে অল্প আদায় করা উত্তম। সকল ইবাদত বন্দেগীর ক্ষেত্রে এ কথা প্রযোজ্য।
পাঁচ. যদি ঘরে কোন অপরিচিত নারী বা পুরুষ আসে তবে গৃহকর্তার উচিত হবে তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা: সে কে? কি বলে? কেন এসেছে? ইত্যাদি। এটা পরিবারের প্রতি যত্নবান হওয়ার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কারণ, ঘরে সাধারণত শিশু ও মেয়েরা বেশী থাকে। অপরিচিত কোন লোক এসে তাদের কোন বিষয়ে বিভ্রান্ত করতেই পারে। পরিবারের কর্তা যদি এটার খোঁজ খবর রাখেন তাহলে অনেক অনাকাঙ্খিত বিষয় এড়িয়ে যাওয়া যায়। আমাদের প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রিসালাতের বিশাল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবারের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য পূর্ণভাবে পালন করেছেন। তাই আমরা এ হাদীসে দেখলাম, একজন মেয়ে ঘরে আসল, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পরিচয় জিজ্ঞেস করলেন। আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তার সম্পর্কে বর্ণনা দিলেন।
দুই. মানুষ ইবাদত-বন্দেগী অধিক পরিমাণে করতে করতে অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে। জীবনের অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ-কর্ম ব্যহত হয়। এ রকম করতে নিষেধ করা হয়েছে।
তিন. মানুষ ইবাদত-বন্দেগী করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা বান্দাদের ইবাদতের বিনিময় প্রদানে কখনো ক্লান্ত হবেন না।
চার. এক দিন বা একটি রাত সম্পূর্ণ জাগ্রত থেকে শত শত রাকাত নামাজ আদায় করার চেয়ে প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে অল্প আদায় করা উত্তম। সকল ইবাদত বন্দেগীর ক্ষেত্রে এ কথা প্রযোজ্য।
পাঁচ. যদি ঘরে কোন অপরিচিত নারী বা পুরুষ আসে তবে গৃহকর্তার উচিত হবে তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা: সে কে? কি বলে? কেন এসেছে? ইত্যাদি। এটা পরিবারের প্রতি যত্নবান হওয়ার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কারণ, ঘরে সাধারণত শিশু ও মেয়েরা বেশী থাকে। অপরিচিত কোন লোক এসে তাদের কোন বিষয়ে বিভ্রান্ত করতেই পারে। পরিবারের কর্তা যদি এটার খোঁজ খবর রাখেন তাহলে অনেক অনাকাঙ্খিত বিষয় এড়িয়ে যাওয়া যায়। আমাদের প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রিসালাতের বিশাল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবারের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য পূর্ণভাবে পালন করেছেন। তাই আমরা এ হাদীসে দেখলাম, একজন মেয়ে ঘরে আসল, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পরিচয় জিজ্ঞেস করলেন। আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তার সম্পর্কে বর্ণনা দিলেন।