১
ইবাদত-বন্দেগীতে মধ্যপন্থা অবলম্বন
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল :
এক. মানুষের অন্তর পরিবর্তনশীল। রাতে যা সে চিন্তা দিনে সেটাকে অবাস্তব বলে ভাবে। একটি দীনী পরিবেশে থাকাকালে মনের অবস্থা এক রকম থাকে আবার বাইরে আসলে দুনিয়ার ঝামেলায় পূর্বের সেই অনুভূতি আর থাকে না। সাহাবী হানযালা রাদিয়াল্লাহু আনহু মানুষ হিসাবে তার এ অবস্থা স্বাভাবিক। কিন্তু এ অবস্থাটা তাকে নাড়া দিয়েছে। তিনি মনের এ পরিবর্তনকে মুনাফেকী ভাব বলে মনে করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে অনুভুতি প্রকাশ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চিকিৎসা করেছেন। বলেছেন, চিন্তিত হওয়ার কোন কারণ নেই। এটাই ঈমানদার মানুষের স্বাভাবিক অবস্থা।
দুই. নিজেদের সংশোধনের জন্য মনের অনুভূতিগুলো উস্তাদ-শিক্ষাগুরু ও মুরববীদের কাছে বর্ণনা করা দোষের কিছু নয়।
তিন. সর্বদা ইবাদত-বন্দেগীতে লিপ্ত থাকা ইসলামের আদেশ নয়। ইসলামের আদেশ হল, কতক্ষণ পার্থিব প্রয়োজনে কাজ করবে আর কতক্ষণ ইবাদত বন্দেগী করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভাষায় : কখনো এ রকম আর কখনো ও রকম (সাআতান ওয়া সাআহ)। এটাকে ইবাদত বন্দেগীতে মধ্যপন্থা বলা হয়ে থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে বলেছেন।
চার. সাহাবাদের কাছে পার্থিব উন্নতি-অবনতি থেকে পারলৌকিক ও ধর্মীয় অগ্রগতি ও অবনতির গুরুত্ব ছিল বেশী। নিজেদের ঈমানী কোনো সমস্যাকে তারা সবকিছুর চেয়ে অধিক গুরুত্ব দিতেন।
দুই. নিজেদের সংশোধনের জন্য মনের অনুভূতিগুলো উস্তাদ-শিক্ষাগুরু ও মুরববীদের কাছে বর্ণনা করা দোষের কিছু নয়।
তিন. সর্বদা ইবাদত-বন্দেগীতে লিপ্ত থাকা ইসলামের আদেশ নয়। ইসলামের আদেশ হল, কতক্ষণ পার্থিব প্রয়োজনে কাজ করবে আর কতক্ষণ ইবাদত বন্দেগী করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভাষায় : কখনো এ রকম আর কখনো ও রকম (সাআতান ওয়া সাআহ)। এটাকে ইবাদত বন্দেগীতে মধ্যপন্থা বলা হয়ে থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে বলেছেন।
চার. সাহাবাদের কাছে পার্থিব উন্নতি-অবনতি থেকে পারলৌকিক ও ধর্মীয় অগ্রগতি ও অবনতির গুরুত্ব ছিল বেশী। নিজেদের ঈমানী কোনো সমস্যাকে তারা সবকিছুর চেয়ে অধিক গুরুত্ব দিতেন।