১
ফজরের সালাত ও কিয়ামুল লাইলের জন্য সহায়ক উপকরণ
লেখকঃ ড. রুকাইয়্যাহ বিনতে মুহাম্মদ আল-মাহারিব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
ঘুমের পূর্বে যিকির ও সূরাসমূহ:
ঘুমের পূর্বে সূরা যুমার ও ইসরা পাঠ করুন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
" كان رسولُ الله صلى الله عليه وسلم لا ينام حتى يقرأ الزُّمر وبني إسرائيل ". رواه التِّرْمذيُّ وصحَّحَه الألبانيُّ،
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা যুমার ও ইসরা তিলাওয়াত না করে ঘুমাতেন না”। [তিরমিযি, শায়খ আলবানি হাদসটি সহিহ বলেছেন।] আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত:
أنَّ النبيَّ - صلى الله عليه وسلم - كان إذا أوى إلى فراشه كلَّ ليلة جمع كفَّيْه ثم نَفَثَ فيهما يقرأ قُل هُوَ اللهُ أحَدُ و قُل أَعُوذُ برَب الفَلق و قُل أَعُوذُ برب النَّاس، ثم يمسحُ بهما ما استطاعَ من جسده؛ يبدأ بهما على رأسه ووجهه وما أقبلَ من جسده؛ يفعلُ ذلك ثلاثَ مرات . متَّفَقٌ عليه، وكذلك قراءةُ آية الكرسي .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রতি রাতে বিছানায় আসতেন, দু’হাত একত্র করে তাতে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করতেন, অতঃপর উভয় হাত দ্বারা শরীরের সম্ভাব্য স্থান মাসেহ করতেন। তিনি শরীরের সম্মুখ থেকে মাসেহ আরম্ভ করতেন, যেমন মাথা, চেহারা ও শরীরের সমানের অংশ। এভাবে তিনি তিনবার করতেন”। [বুখারি ও মুসলিম।] অনুরূপ আয়াতুল কুরসি পাঠ করুন।
আরও রয়েছে যেমন, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«إذا أوى أحدُكم إلى فراشه، فليأخذ داخلة إزاره فلينفض بها فراشه، وَلْيُسَمِّ اللهَ؛ فإنَّه لا يعلمُ ما خلفه بعده على فراشه، فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقِّه الأيمن وليقل : " سبحانك اللهمَّ ربِّي وَضَعْتُ جَنْبي وبك أرفعُه؛ إن أمسكتَ نفسي فاغفر لها، وإنْ أرسلتَها فاحفظْها بما تحفظُ به عبادَك الصالحين» . رواه مسلم .
“যখন তোমাদের কেউ বিছানায় আশ্রয় নেয়, সে যেন তার পরিধেয় বস্ত্রের নিম্নাংশ দ্বারা বিছানা ঝেড়ে নেয় ও বিসমিল্লাহ বলে। কারণ সে জানে না তার অনুপস্থিতিতে বিছানায় কি এসেছে। যখন সে শুয়ার ইচ্ছা করে তখন যেন ডান কাতে শুয় ও বলে:
" سبحانك اللهمَّ ربِّي وَضَعْتُ جَنْبي وبك أرفعُه؛ إن أمسكتَ نفسي فاغفر لها، وإنْ أرسلتَها فاحفظْها بما تحفظُ به عبادَك الصالحين» . رواه مسلم .
“হে আল্লাহ, তোমার পবিত্রতা ঘোষণা করছি; হে আমার রব, আমি আমার পার্শ্ব রেখেছি, তোমার তাওফিকেই তা উঠাবো। যদি তুমি আমার নফসকে আটকে রাখ তাকে ক্ষমা কর; যদি তাকে অবকাশ দাও তাহলে তাকে হিফাযত কর, যেভাবে তুমি তোমার নেক বান্দাদের হিফাযত কর”। [মুসলিম।]
ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা যাঁতাকল চালানোর ফলে হাতে ঠোসা পড়ার অভিযোগ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট খাদেম তলব করেন, তিনি তাকে ও আলি রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বলেন:
«ألا أَدُلُّكما على خير ممَّا سألتُما؟ إذا أخذتما مضاجعكما أو أَوَيْتُما إلى فراشكما، فسَبِّحا ثلاثًا وثلاثين واحمدا ثلاثًا وثلاثين، وكَبِّرا أربعًا وثلاثين؛ فهو خيرٌ لكما من خادم» . أخرجه البخاريُّ .
“তোমরা যা চেয়েছ তার চেয়ে উত্তম জিনিসের কথা কি তোমাদেরকে বলব না? যখন তোমরা তোমাদের পার্শ্ব গ্রহণ কর অথবা যখন তোমরা বিছানায় যাও, উভয়ে ৩৩বার সুবহানাল্লাহ বল, ৩৩বার আল-হামদুলিল্লাহ বল ও ৩৪বার আল্লাহু আকবার বল। এটা তোমাদের জন্য খাদেমের চেয়ে উত্তম”। [বুখারি। এরপর লেখিকা তার পুস্তকে ঘুমের পূর্বে সুরমা ব্যবহারকে সুন্নত বলেছেন, কিন্তু এ সংক্রান্ত হাদিসগুলো দুর্বল বিধায় অনুবাদে পরিহার করা হল।]
সূরা কাফেরুন পাঠ করুন। নওফাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন:
«اقرأ قل يا أيها الكافرون ثم نم عند خاتمتها؛ فإنَّها براءةٌ من الشِّرك» . أخرجه أبو داود والتِّرمذيُّ وصحَّحه الألبانيُّ .
“সূরা কাফেরুন পাঠ করে ঘুমায়, কারণ সূরা কাফেরুন শিরক থেকে মুক্তির সনদ”। [আবু দাউদ ও তিরমিযি, শায়খ আলবানি হাদিসটি সহিহ বলেছেন।]
" كان رسولُ الله صلى الله عليه وسلم لا ينام حتى يقرأ الزُّمر وبني إسرائيل ". رواه التِّرْمذيُّ وصحَّحَه الألبانيُّ،
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা যুমার ও ইসরা তিলাওয়াত না করে ঘুমাতেন না”। [তিরমিযি, শায়খ আলবানি হাদসটি সহিহ বলেছেন।] আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত:
أنَّ النبيَّ - صلى الله عليه وسلم - كان إذا أوى إلى فراشه كلَّ ليلة جمع كفَّيْه ثم نَفَثَ فيهما يقرأ قُل هُوَ اللهُ أحَدُ و قُل أَعُوذُ برَب الفَلق و قُل أَعُوذُ برب النَّاس، ثم يمسحُ بهما ما استطاعَ من جسده؛ يبدأ بهما على رأسه ووجهه وما أقبلَ من جسده؛ يفعلُ ذلك ثلاثَ مرات . متَّفَقٌ عليه، وكذلك قراءةُ آية الكرسي .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রতি রাতে বিছানায় আসতেন, দু’হাত একত্র করে তাতে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করতেন, অতঃপর উভয় হাত দ্বারা শরীরের সম্ভাব্য স্থান মাসেহ করতেন। তিনি শরীরের সম্মুখ থেকে মাসেহ আরম্ভ করতেন, যেমন মাথা, চেহারা ও শরীরের সমানের অংশ। এভাবে তিনি তিনবার করতেন”। [বুখারি ও মুসলিম।] অনুরূপ আয়াতুল কুরসি পাঠ করুন।
আরও রয়েছে যেমন, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«إذا أوى أحدُكم إلى فراشه، فليأخذ داخلة إزاره فلينفض بها فراشه، وَلْيُسَمِّ اللهَ؛ فإنَّه لا يعلمُ ما خلفه بعده على فراشه، فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقِّه الأيمن وليقل : " سبحانك اللهمَّ ربِّي وَضَعْتُ جَنْبي وبك أرفعُه؛ إن أمسكتَ نفسي فاغفر لها، وإنْ أرسلتَها فاحفظْها بما تحفظُ به عبادَك الصالحين» . رواه مسلم .
“যখন তোমাদের কেউ বিছানায় আশ্রয় নেয়, সে যেন তার পরিধেয় বস্ত্রের নিম্নাংশ দ্বারা বিছানা ঝেড়ে নেয় ও বিসমিল্লাহ বলে। কারণ সে জানে না তার অনুপস্থিতিতে বিছানায় কি এসেছে। যখন সে শুয়ার ইচ্ছা করে তখন যেন ডান কাতে শুয় ও বলে:
" سبحانك اللهمَّ ربِّي وَضَعْتُ جَنْبي وبك أرفعُه؛ إن أمسكتَ نفسي فاغفر لها، وإنْ أرسلتَها فاحفظْها بما تحفظُ به عبادَك الصالحين» . رواه مسلم .
“হে আল্লাহ, তোমার পবিত্রতা ঘোষণা করছি; হে আমার রব, আমি আমার পার্শ্ব রেখেছি, তোমার তাওফিকেই তা উঠাবো। যদি তুমি আমার নফসকে আটকে রাখ তাকে ক্ষমা কর; যদি তাকে অবকাশ দাও তাহলে তাকে হিফাযত কর, যেভাবে তুমি তোমার নেক বান্দাদের হিফাযত কর”। [মুসলিম।]
ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা যাঁতাকল চালানোর ফলে হাতে ঠোসা পড়ার অভিযোগ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট খাদেম তলব করেন, তিনি তাকে ও আলি রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বলেন:
«ألا أَدُلُّكما على خير ممَّا سألتُما؟ إذا أخذتما مضاجعكما أو أَوَيْتُما إلى فراشكما، فسَبِّحا ثلاثًا وثلاثين واحمدا ثلاثًا وثلاثين، وكَبِّرا أربعًا وثلاثين؛ فهو خيرٌ لكما من خادم» . أخرجه البخاريُّ .
“তোমরা যা চেয়েছ তার চেয়ে উত্তম জিনিসের কথা কি তোমাদেরকে বলব না? যখন তোমরা তোমাদের পার্শ্ব গ্রহণ কর অথবা যখন তোমরা বিছানায় যাও, উভয়ে ৩৩বার সুবহানাল্লাহ বল, ৩৩বার আল-হামদুলিল্লাহ বল ও ৩৪বার আল্লাহু আকবার বল। এটা তোমাদের জন্য খাদেমের চেয়ে উত্তম”। [বুখারি। এরপর লেখিকা তার পুস্তকে ঘুমের পূর্বে সুরমা ব্যবহারকে সুন্নত বলেছেন, কিন্তু এ সংক্রান্ত হাদিসগুলো দুর্বল বিধায় অনুবাদে পরিহার করা হল।]
সূরা কাফেরুন পাঠ করুন। নওফাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন:
«اقرأ قل يا أيها الكافرون ثم نم عند خاتمتها؛ فإنَّها براءةٌ من الشِّرك» . أخرجه أبو داود والتِّرمذيُّ وصحَّحه الألبانيُّ .
“সূরা কাফেরুন পাঠ করে ঘুমায়, কারণ সূরা কাফেরুন শিরক থেকে মুক্তির সনদ”। [আবু দাউদ ও তিরমিযি, শায়খ আলবানি হাদিসটি সহিহ বলেছেন।]