hadith book logo

ফজরের সালাত ও কিয়ামুল লাইলের জন্য সহায়ক উপকরণ

লেখকঃ ড. রুকাইয়্যাহ বিনতে মুহাম্মদ আল-মাহারিব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৩

কিয়ামুল লাইল ত্যাগ করার ক্ষতি

বান্দা যখন কিয়ামুল লাইলের অভ্যাস ত্যাগ করে, বুঝতে হবে পাপ ও আল্লাহর থেকে দূরত্ব সৃষ্টির কারণে এমন হয়েছি। হে আল্লাহর বান্দা, আপনার এমন হলে পরখ করুন আপনি কি করেছেন?! জেনে রাখুন, কিয়ামুল লাইলের অভ্যাস ত্যাগ করার ফলে সম্মান ও মর্যাদা হ্রাস পায়। ইব্‌ন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জনৈক ব্যক্তির আলোচনা হল, যে ফজর পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল, তিনি বললেন: “ঐ ব্যক্তির উভয় কানে শয়তান পেশাব করেছে”। অথবা বলেছেন: “ঐ ব্যক্তির কানে”। [বুখারি ও মুসলিম।]

জেনে রাখুন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের কিয়াম ত্যাগকারীকে ভর্ৎসনা করেছেন। আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«يا عبدَ الله، لا تكن مثل فلان؛ كان يقومُ الليلَ فترك قيامَ الليل» . مُتَّفَقٌ عليه .

“হে আব্দুল্লাহ, অমুকের ন্যায় হয়ো না, যে কিয়াম করত, অতঃপর কিয়াম ত্যাগ করেছে”। [বুখারি ও মুসলিম।] এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, ভালো অভ্যাস ত্যাগ করা খারাপ।

রাতে যে কিয়াম করে, আল্লাহ যাকে রাতে কিয়াম করার তাওফিক দেন, আল্লাহ তাকে অবশ্যই মহব্বত করেন। যে আল্লাহর সাথে মোনাজাত করে ও তার কিতাব পাঠ করে, তার চেয়ে সম্মানিত কে? আল্লাহ যাকে বঞ্চিত করেন, সে ব্যতীত কেউ এ মহান ফযিলত থেকে বঞ্চিত হয় না। আল্লাহর নিকট পানাহ চাই।