hadith book logo

যিলহজ, ঈদ ও কোরবানি

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩১

(২) ঈদের দিনে খাবার গ্রহণ প্রসঙ্গে

সুন্নত হল ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে খাবার গ্রহণ করা। আর ঈদুল আজহা-তে ঈদের সালাতের পূর্বে কিছু না খেয়ে সালাত আদায়ের পর কোরবানির গোশত খাওয়া সুন্নত। হাদিসে এসেছে—

عن بريدة- رضى الله عنه- قال : كان النبي صلى الله عليه وسلم لا يخرج يوم الفطر حتى يأكل، ولا يأكل يوم الأضحى حتى يرجع، فيأكل من أضحيته ) . رواه أحمد، وصححه الألباني في صحيح ابن ماجه ১৪২২)

বুরাইদা রা. থেকে বর্ণিত নবী কারীম স. ঈদুল ফিতরের দিনে না খেয়ে বের হতেন না, আর ঈদুল আজহার দিনে ঈদের সালাতের পূর্বে খেতেন না। সালাত থেকে ফিরে এসে কোরবানির গোশত খেতেন। [আহমদ, সহিহ ইবনে মাজা -১৪২২, হাদিসটি সহিহ]

ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদের সালাতের পূর্বে তিনটি, পাঁচটি অথবা সাতটি—এভাবে বে-জোর সংখ্যায় খেজুর খাওয়া সুন্নত। যেমন হাদিসে এসেছে—

عن أنس- رضى الله عنه- قال : كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يغدو يوم الفطر حتى يأكل تمرات، ويأكلهن وتراً . ) رواه البخاري ৯৫৩ (

সাহাবি আনাস রা. বর্ণিত তিনি বলেন : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন কয়েকটি খেজুর না খেয়ে বের হতেন না, আর খেজুর খেতেন বে-জোর সংখ্যায়। [বোখারি - ৯৫৩]

সম্ভবত আল্লাহর রাববুল আলামিনের হুকুম অতি তাড়াতাড়ি আদায় করার ইচ্ছায় রাসূলে কারীম স. এরূপ করতেন। কেননা দীর্ঘ এক মাস সিয়াম আদায়ের পর আল্লাহর নির্দেশ হল পানাহার করা। এটা করতে যেন দেরি না হয়ে যায় এজন্য তিনি উপস্থিত ভাবে খেজুর হলেও খেয়ে নিতেন।

যিনি কোরবানি দেবেন তার জন্য সুন্নত হল ঈদুল আজহার দিনে প্রথমে কোরবানি দিয়ে তার গোশত খাওয়া। আর যিনি কোরবানি দেবেন না তিনি ঈদের সালাতের পূর্বে কিছু খেতে পারেন।