১
যিলহজ, ঈদ ও কোরবানি
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
(৪) ঈদের তাকবীর আদায়
হাদিস দ্বারা প্রমাণিত আছে যে রাসূলুল্লাহ স. ঈদুল ফিতরের দিন ঘর থেকে বের হয়ে ঈদগাহে পৌঁছা পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করতেন। ঈদের সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করতেন। যখন সালাত শেষ হয়ে যেত আর তাকবীর পাঠ করতেন না।
আর কোন কোন বর্ণনায় ঈদুল আজহার ব্যাপারে একই কথা পাওয়া যায়। [দারে কুতনী, হাদিসটি সহি]
আরো প্রমাণিত আছে যে ইবনে উমর রা. ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনে ঈদগাহে আসা পর্যন্ত উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করতেন। ঈদগাহে এসে ইমামের আগমন পর্যন্ত এভাবে তাকবীর পাঠ করতেন। [দারে কুতনী , ইরওয়াউল গলীল হাদিস নং ৬৫০]
আগেই আলোচিত হয়েছে যে সুন্নত হল মসজিদ, বাজার, রাস্তা-ঘাট সহ সর্বত্র উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করা। কিন্তু দু:খের বিষয় হল মানুষ এ সুন্নাতের প্রতি খুবই উদাসীন। আমাদের সকলের কর্তব্য হবে এ সুন্নতটি সমাজে চালু করার জন্য প্রচেষ্টা চালানো।
শেষ রমজানের সূর্যাস্তের পর থেকে ঈদুল ফিতরের সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করবে। বিশেষভাবে ঈদগাহের উদ্দেশ্যে যখন বের হবে ও ঈদগাহে সালাতের অপেক্ষায় যখন থাকবে তখন গুরুত্ব সহকারে তাকবীর পাঠ করবে।
আর ঈদুল আজহার সাধারণ তাকবীর শুরু হবে প্রথম যিলহজ থেকে ঈদুল আজহার সালাতের শেষ পর্যন্ত।
আর ঈদুল আজহার বিশেষ তাকবীর শুরু হবে নবম যিলহজের ফজর থেকে। আর শেষ হবে তেরো যিলহজের আসর নামাজের পর। যারা হজ পালনে রত নয় তারা এ নিয়মে তাকবীর পাঠ করবেন। আর যারা হজ পালনে আছেন তারা ঈদের দিনে জোহরের সালাত থেকে তাকবীর শুরু করবেন। কেননা এর পূর্বে তারা তালবীয়া পাঠে ব্যস্ত থাকবেন। [ফতহুল বারী, ২য় খন্ড পৃ-৫৩৫]
আর কোন কোন বর্ণনায় ঈদুল আজহার ব্যাপারে একই কথা পাওয়া যায়। [দারে কুতনী, হাদিসটি সহি]
আরো প্রমাণিত আছে যে ইবনে উমর রা. ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনে ঈদগাহে আসা পর্যন্ত উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করতেন। ঈদগাহে এসে ইমামের আগমন পর্যন্ত এভাবে তাকবীর পাঠ করতেন। [দারে কুতনী , ইরওয়াউল গলীল হাদিস নং ৬৫০]
আগেই আলোচিত হয়েছে যে সুন্নত হল মসজিদ, বাজার, রাস্তা-ঘাট সহ সর্বত্র উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করা। কিন্তু দু:খের বিষয় হল মানুষ এ সুন্নাতের প্রতি খুবই উদাসীন। আমাদের সকলের কর্তব্য হবে এ সুন্নতটি সমাজে চালু করার জন্য প্রচেষ্টা চালানো।
শেষ রমজানের সূর্যাস্তের পর থেকে ঈদুল ফিতরের সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করবে। বিশেষভাবে ঈদগাহের উদ্দেশ্যে যখন বের হবে ও ঈদগাহে সালাতের অপেক্ষায় যখন থাকবে তখন গুরুত্ব সহকারে তাকবীর পাঠ করবে।
আর ঈদুল আজহার সাধারণ তাকবীর শুরু হবে প্রথম যিলহজ থেকে ঈদুল আজহার সালাতের শেষ পর্যন্ত।
আর ঈদুল আজহার বিশেষ তাকবীর শুরু হবে নবম যিলহজের ফজর থেকে। আর শেষ হবে তেরো যিলহজের আসর নামাজের পর। যারা হজ পালনে রত নয় তারা এ নিয়মে তাকবীর পাঠ করবেন। আর যারা হজ পালনে আছেন তারা ঈদের দিনে জোহরের সালাত থেকে তাকবীর শুরু করবেন। কেননা এর পূর্বে তারা তালবীয়া পাঠে ব্যস্ত থাকবেন। [ফতহুল বারী, ২য় খন্ড পৃ-৫৩৫]