১
ইসলামী দাওয়াহ প্রসারে গণমাধ্যমের অবদান
লেখকঃ ড. মো: আব্দুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
গ. মুশরিকদের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ধর্মীয় বিতর্ক
বিভিন্ন বর্ণনায় প্রায়শই দেখা যায় যে, কতিপয় মুশরিক দলবদ্ধভাবে ধর্ম সম্পর্কে বিতর্ক-জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর পাশে সমবেত হয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আলোচনায় তাঁরা সন্তুষ্ট হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। [.ড. আহমদ শালাবী, আল-মানাহিজুল ইসলামিয়্যা, ১ম খন্ড, (কায়রো : মাকতাবাতুন নাহদাতুল মিসরিয়্যা, ১৯৯৩), পৃ. ১৩৯।] তন্মধ্যে নিম্নে কয়েকটি উল্লেখ করা হলো:
তুফাইল ইবন আমর আদ্-দাওসী ছিলেন ঘোর পৌত্তলিক। কেবল ধর্ম সম্পর্কে জানার আগ্রহ নিয়ে তিনি মক্কায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সত্যতায় বিশ্বাস স্থাপন করে কৃতার্থ হন। [.ইবন হিশাম, প্রাগুক্ত, পৃ. ৩৪৭।] এভাবে অনেক পৌত্তলিক দলগত ও ব্যক্তিগতভাবে রাসূলের সাথে ধর্মালোচনায় মিলিত হন।
ইবনে আববাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
يَا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ إِنَّهُ لَيْسَ أَحَدٌ يُعْبَدُ مِنْ دُونِ اللَّهِ فِيهِ خَيْرٌ وَقَدْ عَلِمَتْ قُرَيْشٌ أَنَّ النَّصَارَي تَعْبُدُ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ وَمَا تَقُولُ فِي مُحَمَّدٍ فَقَالُوا يَا مُحَمَّدُ أَلَسْتَ تَزْعُمُ أَنَّ عِيسَى كَانَ نَبِيًّا وَعَبْدًا مِنْ عِبَادِ اللَّهِ صَالِحًا فَلَئِنْ كُنْتَ صَادِقًا فَإِنَّ آلِهَتَهُمْ لَكَمَا تَقُولُونَ قَالَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ﴿وَلَمَّا ضُرِبَ ابْنُ مَرْيَمَ مَثَلاً إِذَا قَوْمُكَ مِنْهُ يَصِدُّونَ * وَقَالُوا أَآلِهَتُنَا خَيْرٌ أَمْ هُوَ مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلاً بَلْ هُمْ قَوْمٌ خَصِمُونَ * إِنْ هُوَ إِلَّا عَبْدٌ أَنْعَمْنَا عَلَيْهِ وَجَعَلْنَاهُ مَثَلاً لِبَنِي إِسْرائيلَ﴾
‘‘হে কুরাইশ সম্প্রদায়! নিশ্চয় আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারও ইবাদতে কোনো কল্যাণ নেই। কিন্তু কুরাইশগণ জানত যে, নাসারাগণ ঈসা আলাইহিসসালামের ইবাদত করত। সুতরাং মুহাম্মাদ সম্পর্কে তুমি কি বলবে? তখন তারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বললঃ হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! তুমি কি বিশ্বাস করনা যে, ঈসা নবী ছিলেন এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের মধ্যে একজন ছিলেন? যদি তুমি তোমার কথায় সত্য হও তাহলে তাদের ইলাহও তো তোমাদের বক্তব্যমত হওয়া উচিত। তখন কুরআনে ইরশাদ হলো, যখন মারইয়াম-তনয়ের দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয়, তখন আপনার সম্প্রদায় তাতে শোরগোল আরম্ভ করে দেয়, এবং বলে, ‘আমাদের উপাস্যগুলো শ্রেষ্ঠ না ‘ঈসা?’ এরা শুধু বাক-বিতন্ডার উদ্দেশ্যেই আপনাকে এ কথা বলে। বস্তুত এরা তো এক বিতণ্ডাকারী সম্প্রদায়। তিনি তো ছিলেন আমারই এক বান্দা, যাকে আমি অনুগ্রহ করেছিলাম এবং করেছিলাম বনী ইস্রাঈলের জন্য দৃষ্টান্ত।’’ [.ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল, প্রাগুক্ত, ১/৩১৩, ৬/৩০২। আয়াতটি সূরা আয-যুখরুফঃ ৫৭-৫৯।]
তুফাইল ইবন আমর আদ্-দাওসী ছিলেন ঘোর পৌত্তলিক। কেবল ধর্ম সম্পর্কে জানার আগ্রহ নিয়ে তিনি মক্কায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সত্যতায় বিশ্বাস স্থাপন করে কৃতার্থ হন। [.ইবন হিশাম, প্রাগুক্ত, পৃ. ৩৪৭।] এভাবে অনেক পৌত্তলিক দলগত ও ব্যক্তিগতভাবে রাসূলের সাথে ধর্মালোচনায় মিলিত হন।
ইবনে আববাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
يَا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ إِنَّهُ لَيْسَ أَحَدٌ يُعْبَدُ مِنْ دُونِ اللَّهِ فِيهِ خَيْرٌ وَقَدْ عَلِمَتْ قُرَيْشٌ أَنَّ النَّصَارَي تَعْبُدُ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ وَمَا تَقُولُ فِي مُحَمَّدٍ فَقَالُوا يَا مُحَمَّدُ أَلَسْتَ تَزْعُمُ أَنَّ عِيسَى كَانَ نَبِيًّا وَعَبْدًا مِنْ عِبَادِ اللَّهِ صَالِحًا فَلَئِنْ كُنْتَ صَادِقًا فَإِنَّ آلِهَتَهُمْ لَكَمَا تَقُولُونَ قَالَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ﴿وَلَمَّا ضُرِبَ ابْنُ مَرْيَمَ مَثَلاً إِذَا قَوْمُكَ مِنْهُ يَصِدُّونَ * وَقَالُوا أَآلِهَتُنَا خَيْرٌ أَمْ هُوَ مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلاً بَلْ هُمْ قَوْمٌ خَصِمُونَ * إِنْ هُوَ إِلَّا عَبْدٌ أَنْعَمْنَا عَلَيْهِ وَجَعَلْنَاهُ مَثَلاً لِبَنِي إِسْرائيلَ﴾
‘‘হে কুরাইশ সম্প্রদায়! নিশ্চয় আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারও ইবাদতে কোনো কল্যাণ নেই। কিন্তু কুরাইশগণ জানত যে, নাসারাগণ ঈসা আলাইহিসসালামের ইবাদত করত। সুতরাং মুহাম্মাদ সম্পর্কে তুমি কি বলবে? তখন তারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বললঃ হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! তুমি কি বিশ্বাস করনা যে, ঈসা নবী ছিলেন এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের মধ্যে একজন ছিলেন? যদি তুমি তোমার কথায় সত্য হও তাহলে তাদের ইলাহও তো তোমাদের বক্তব্যমত হওয়া উচিত। তখন কুরআনে ইরশাদ হলো, যখন মারইয়াম-তনয়ের দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয়, তখন আপনার সম্প্রদায় তাতে শোরগোল আরম্ভ করে দেয়, এবং বলে, ‘আমাদের উপাস্যগুলো শ্রেষ্ঠ না ‘ঈসা?’ এরা শুধু বাক-বিতন্ডার উদ্দেশ্যেই আপনাকে এ কথা বলে। বস্তুত এরা তো এক বিতণ্ডাকারী সম্প্রদায়। তিনি তো ছিলেন আমারই এক বান্দা, যাকে আমি অনুগ্রহ করেছিলাম এবং করেছিলাম বনী ইস্রাঈলের জন্য দৃষ্টান্ত।’’ [.ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল, প্রাগুক্ত, ১/৩১৩, ৬/৩০২। আয়াতটি সূরা আয-যুখরুফঃ ৫৭-৫৯।]