১
উপদেশতত্ত্ব
লেখকঃ আকীল ইবন মুহাম্মাদ আল-মাকতিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
দোষ-ত্রুটি প্রকাশের উদ্দেশ্যে সমালোচনা হারাম:
হাফেয ইবন রজব ‘আল-ফারকু বাইনান নসীহাতে ওয়াত তা‘য়ীর’ নামক গ্রন্থের ৩৫ পৃষ্ঠায় বলেন, যদি সমালোচনার উদ্দেশ্য হয় সমালোচিত ব্যক্তির দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করা, তার অজ্ঞতা ও জ্ঞানের কমতি ইত্যাদি বিষয় বর্ণনা করা, তবে তা হারম কাজ বলে গণ্য হবে। চাই সমালোচনার জবাবে সমালোচনা হউক, অথবা গিবতের কায়দায় সমালোচনা হউক, তার জীবদ্দশায় হউক অথবা তার মৃত্যুর পরে । সে ঐ ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত হবে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর কিতাবে যার নিন্দা করেছেন এবং যার ব্যাপারে সামনে ও পিছনে নিন্দকারীর পরিণামের প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছেন। আবার সে ঐ ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত হবে, যার ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “হে যারা মুখে মুখে ঈমান এনেছ, অন্তরে ঈমান গ্রহণ কর নি, তেমারা মুসলিম সম্প্রদায়কে কষ্ট দিবে না এবং তাদের গোপনীয় বিষয়ের অনুসন্ধান করবে না। কারণ, যে ব্যক্তি তাদের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করবে, আল্লাহও তার গোপন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন। আর আল্লাহ যার অভ্যন্তরীণ বিষয়ের পেছনে লাগবেন, ঘরের ভিতরে অবস্থান করলেও তিনি তাকে লাঞ্ছিত করবেন।”
এ বিধানটি দীনের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় প্রত্যেক আলিমের ব্যাপারে প্রজোয্য। তবে বিদ‘আতপন্থী, পথভ্রষ্ট ও লেবাসধারী ওলামারা এ বিধানের আওতাধীন নয়। সুতরাং তাদের অনুসরণ করা থেকে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে তাদের অজ্ঞতা ও দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করা বৈধ। আর আমাদের এখনকার আলোচনা এ সম্প্রদায়কে নিয়ে নয়। আল্লাহই মহাজ্ঞানী।
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ. ‘আর-রূহ’ নামক গ্রন্থের ৫১১ পৃষ্ঠায় বলেন, “...যখন নসীহতের উদ্দেশ্য হবে তোমার ভাইয়ের নিন্দা করা, তার মান-সম্মান বিনষ্ট করা, তার মাংস ভক্ষণ করা ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা যাতে জনগণের মন থেকে তার অবস্থান নষ্ট হয়ে যায়, তখন তা হবে দূরারোগ্য ব্যধি ও পুণ্য বিধ্বংসী আগুন যা ভালো আমলগুলোকে এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেমনিভাবে আগুন কাঠকে খেয়ে ফেলে।”
এ বিধানটি দীনের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় প্রত্যেক আলিমের ব্যাপারে প্রজোয্য। তবে বিদ‘আতপন্থী, পথভ্রষ্ট ও লেবাসধারী ওলামারা এ বিধানের আওতাধীন নয়। সুতরাং তাদের অনুসরণ করা থেকে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে তাদের অজ্ঞতা ও দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করা বৈধ। আর আমাদের এখনকার আলোচনা এ সম্প্রদায়কে নিয়ে নয়। আল্লাহই মহাজ্ঞানী।
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ. ‘আর-রূহ’ নামক গ্রন্থের ৫১১ পৃষ্ঠায় বলেন, “...যখন নসীহতের উদ্দেশ্য হবে তোমার ভাইয়ের নিন্দা করা, তার মান-সম্মান বিনষ্ট করা, তার মাংস ভক্ষণ করা ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা যাতে জনগণের মন থেকে তার অবস্থান নষ্ট হয়ে যায়, তখন তা হবে দূরারোগ্য ব্যধি ও পুণ্য বিধ্বংসী আগুন যা ভালো আমলগুলোকে এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেমনিভাবে আগুন কাঠকে খেয়ে ফেলে।”