১
উপদেশতত্ত্ব
লেখকঃ আকীল ইবন মুহাম্মাদ আল-মাকতিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
মুমিনদের ওপর দোষারোপকারীর শাস্তি:
হাফেজ ইবন রজব রহ. বলেন, “যে ব্যক্তি তার মুমিন ভাইয়ের ওপর দোষারোপ করে, তার দোষ খুঁজে বেড়ায় এবং তার অভ্যন্তরীণ বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে, তার শাস্তি হচ্ছে আল্লাহ তার দোষ-ত্রুটি খুঁজবেন এবং তাকে অপমানিত করবেন, যদিও সে ঘরের ভিতর অবস্থান করুক না কেন। যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে একাধিকভাবে বর্ণিত আছে। ইমাম আহমদ, আবু দাউদ ও তিরমিযী বিভিন্নভাবে তা বর্ণনা করেছেন।
ইমাম তিরমিযী রহ. ওয়াসেলা ইবনুল আসকা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “তুমি তোমার ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করো না। এমন করলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন এবং তোমাকে পরীক্ষায় ফেলে দিবেন।” [শাইখ নাসির উদ্দিন আলবানী হাদীসটিকে জঈফ বলেছেন।দ্র. জঈফ আল-জামে‘, ৬২৫৮, হাদীসটি হাসান, গরীব।]
তিনি (ইবন রজব) আরও বলেন, যখন ইবন সীরীন নামক এক ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত হলো এবং এ কারণে সে বন্দী হলো, তখন সে বলল: “আমি জানি, যে অপরাধের কারণে আমার এই পরিণতি, তার কারণ হলো চল্লিশ বছর যাবৎ আমি এক ব্যক্তিকে তিরস্কার করেছি, আমি তাকে বলেছি, হে রিক্তহস্ত!”
ইমাম তিরমিযী রহ. ওয়াসেলা ইবনুল আসকা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “তুমি তোমার ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করো না। এমন করলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন এবং তোমাকে পরীক্ষায় ফেলে দিবেন।” [শাইখ নাসির উদ্দিন আলবানী হাদীসটিকে জঈফ বলেছেন।দ্র. জঈফ আল-জামে‘, ৬২৫৮, হাদীসটি হাসান, গরীব।]
তিনি (ইবন রজব) আরও বলেন, যখন ইবন সীরীন নামক এক ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত হলো এবং এ কারণে সে বন্দী হলো, তখন সে বলল: “আমি জানি, যে অপরাধের কারণে আমার এই পরিণতি, তার কারণ হলো চল্লিশ বছর যাবৎ আমি এক ব্যক্তিকে তিরস্কার করেছি, আমি তাকে বলেছি, হে রিক্তহস্ত!”