১
ইসলামি অর্থনীতি শান্তি ও সমৃদ্ধির অব্যর্থ ব্যবস্থা
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
এক : ইসলামি অর্থনীতির মৌল চেতনা :
ইসলামি আকিদাসমূহই ইসলামি অর্থনীতির মৌল চেতনা বা চৈন্তিক ভিত্তি। এ আকিদা বা চেতনা স্রষ্টা এবং সৃষ্টির মাঝে সেতুবন্ধ রচনা করে। জানিয়ে দেয় কোন মহৎ উদ্দেশ্যে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। উপরন্তু সবিস্তারে বাতলে দেয় এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের সম্ভাব্য পথগুলোও।
এ আকিদার দর্পণে মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি বরং সর্বোত্তম সৃষ্টি। তাকে সৃজন করা হয়েছে কেবল তাঁরই ইবাদত বা দাসত্ব করার জন্য। আর এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে না তাঁর প্রতি সজ্ঞান সমর্পণ ছাড়া। যে আনুগত্য ও সমর্পনের প্রকাশ ঘটবে নিজ আত্মা, আচরণ এবং ক্রিয়া-কর্মকে- যার মধ্যে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডও আছে, সেভাবে পরিচালনের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। সে মর্মে ইসলামি অর্থব্যবস্থাও এভাবে কাজ করবে যে, মানুষকে যে লক্ষ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে তাতে পৌঁছার পথগুলো যেন সহজ হয়। এ উদ্দেশ্য যখন সফল হবে অর্থাৎ ইবাদত করা সহজ হয়ে যাবে তখনই মানুষের অন্তর যথার্থভাবে পরিশুদ্ধ হবে। দুনিয়ার সাফল্যতো বটেই উপযুক্ত হবে সে আখেরাতে চরম সাফল্য লাভের।
একজন ঈমানদারের জন্য অন্তরে এ চেতনা-দর্শন সদা জাগরুক রাখা অপরিহার্য। কারণ এ চেতনাই তাকে বলে দিবে পৃথিবীতে তার আসল চাওয়া কী, পৃথিবীর সঙ্গে তার সম্পর্ক কী এবং কী-ই বা তার লক্ষ্য এ বসুন্ধরায়। এ চেতনায় বলীয়ান হয়েই সে অর্থনৈতিক ক্রিয়া-কর্মের বেলায় হৃষ্ট চিত্তে গ্রহণ করবে ইসলাম আরোপিত সকল বিধি-নিষেধ। এভাবেই ইসলামি অর্থনীতির সুপ্রভাব প্রতিফলিত হয় মানুষের বাস্তব জীবনে আর তা ভূমিকা রাখে মানুষকে যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে।
আকিদা ও তার যেসব আনুষঙ্গিক বিষয় অর্থনীতির সঙ্গে সংশিষ্ট নিম্নে তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো-
এ আকিদার দর্পণে মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি বরং সর্বোত্তম সৃষ্টি। তাকে সৃজন করা হয়েছে কেবল তাঁরই ইবাদত বা দাসত্ব করার জন্য। আর এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে না তাঁর প্রতি সজ্ঞান সমর্পণ ছাড়া। যে আনুগত্য ও সমর্পনের প্রকাশ ঘটবে নিজ আত্মা, আচরণ এবং ক্রিয়া-কর্মকে- যার মধ্যে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডও আছে, সেভাবে পরিচালনের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। সে মর্মে ইসলামি অর্থব্যবস্থাও এভাবে কাজ করবে যে, মানুষকে যে লক্ষ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে তাতে পৌঁছার পথগুলো যেন সহজ হয়। এ উদ্দেশ্য যখন সফল হবে অর্থাৎ ইবাদত করা সহজ হয়ে যাবে তখনই মানুষের অন্তর যথার্থভাবে পরিশুদ্ধ হবে। দুনিয়ার সাফল্যতো বটেই উপযুক্ত হবে সে আখেরাতে চরম সাফল্য লাভের।
একজন ঈমানদারের জন্য অন্তরে এ চেতনা-দর্শন সদা জাগরুক রাখা অপরিহার্য। কারণ এ চেতনাই তাকে বলে দিবে পৃথিবীতে তার আসল চাওয়া কী, পৃথিবীর সঙ্গে তার সম্পর্ক কী এবং কী-ই বা তার লক্ষ্য এ বসুন্ধরায়। এ চেতনায় বলীয়ান হয়েই সে অর্থনৈতিক ক্রিয়া-কর্মের বেলায় হৃষ্ট চিত্তে গ্রহণ করবে ইসলাম আরোপিত সকল বিধি-নিষেধ। এভাবেই ইসলামি অর্থনীতির সুপ্রভাব প্রতিফলিত হয় মানুষের বাস্তব জীবনে আর তা ভূমিকা রাখে মানুষকে যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে।
আকিদা ও তার যেসব আনুষঙ্গিক বিষয় অর্থনীতির সঙ্গে সংশিষ্ট নিম্নে তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো-