১
আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার গুরুত্ব
লেখকঃ জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
ইয়াতীমদের লালন-পালন: কারো আত্মীয়-স্বজন যদি এতিম হয়, তাদের লালন-পালন করাতে আরও অধিক সাওয়াবের কাজ।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«السَّاعِي عَلَى الْأَرْمَلَةِ وَالْمِسْكِينِ وَالْمِسْكِينَةِ كَالْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ الْقَائِمِ لَيْلَهُ الصَّائِمِ نَهَارَهُ، وَكَافِلُ الْيَتِيمِ لَهُ أَوْ لِغَيْرِهِ إِذَا اتَّقَى اللَّهَ فَأَنَا وَهُوَ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ» يَعْنِي أُصْبُعَيْهِ
“বিধবা নারী ও গরীব মিসকিনকে সাহায্যকারী আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে অংশগ্রহণকারী ঐ মুজাহিদের মত যিনি রাতে আল্লাহর ইবাদত করে এবং দিনে রোজা রাখে। নিজেদের কোনো ইয়াতীম অথবা অন্য কারও কোনো ইয়াতীমের দায়িত্ব গ্রহণকারী যখন সে আল্লাহকে ভয় করবে, তার জন্য [রয়েছে জান্নাত] আমি এবং সে ব্যক্তি জান্নাতে এ দুটি আঙ্গুলের মত কাছাকাছি থাকব”। [বুখারি: ৫৩৫৩; তিরমিযি: ১৯১৮]
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : «خَيْرُ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُحْسَنُ إِلَيْهِ، وَشَرُّ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُسَاءُ إِلَيْهِ» . ثُمَّ قَالَ بِأُصْبُعَيْهِ : «أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ - وَهُوَ يُشِيرُ بِأُصْبُعَيْهِ -»
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মুসলিমদের সর্ব উত্তম ঘর হল, যে ঘরে একজন ইয়াতিমকে লালন পালন করা হয় এবং তার সাথে ভালে ব্যবহার করা হয়। আর মুসলিমদের সব চেয়ে নিকৃষ্ট ঘর হল, যে ঘরে একজন ইয়াতিমের প্রতি দুর্ব্যবহার করা হয়। তারপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় দুটি আঙ্গুলের দিক ইশারা করে বলেন, আমি এবং ইয়াতিম লালন-পালনকারী ব্যক্তি জান্নাতে এ দুটি আঙ্গুলের মত কাছাকাছি থাকব”। [তিরমিযি: ১৯১৮; ইমাম তাবরানীর মাকারিমুল আখলাক: হাদিস নং ১০৩]
«السَّاعِي عَلَى الْأَرْمَلَةِ وَالْمِسْكِينِ وَالْمِسْكِينَةِ كَالْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ الْقَائِمِ لَيْلَهُ الصَّائِمِ نَهَارَهُ، وَكَافِلُ الْيَتِيمِ لَهُ أَوْ لِغَيْرِهِ إِذَا اتَّقَى اللَّهَ فَأَنَا وَهُوَ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ» يَعْنِي أُصْبُعَيْهِ
“বিধবা নারী ও গরীব মিসকিনকে সাহায্যকারী আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে অংশগ্রহণকারী ঐ মুজাহিদের মত যিনি রাতে আল্লাহর ইবাদত করে এবং দিনে রোজা রাখে। নিজেদের কোনো ইয়াতীম অথবা অন্য কারও কোনো ইয়াতীমের দায়িত্ব গ্রহণকারী যখন সে আল্লাহকে ভয় করবে, তার জন্য [রয়েছে জান্নাত] আমি এবং সে ব্যক্তি জান্নাতে এ দুটি আঙ্গুলের মত কাছাকাছি থাকব”। [বুখারি: ৫৩৫৩; তিরমিযি: ১৯১৮]
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : «خَيْرُ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُحْسَنُ إِلَيْهِ، وَشَرُّ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُسَاءُ إِلَيْهِ» . ثُمَّ قَالَ بِأُصْبُعَيْهِ : «أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ - وَهُوَ يُشِيرُ بِأُصْبُعَيْهِ -»
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মুসলিমদের সর্ব উত্তম ঘর হল, যে ঘরে একজন ইয়াতিমকে লালন পালন করা হয় এবং তার সাথে ভালে ব্যবহার করা হয়। আর মুসলিমদের সব চেয়ে নিকৃষ্ট ঘর হল, যে ঘরে একজন ইয়াতিমের প্রতি দুর্ব্যবহার করা হয়। তারপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় দুটি আঙ্গুলের দিক ইশারা করে বলেন, আমি এবং ইয়াতিম লালন-পালনকারী ব্যক্তি জান্নাতে এ দুটি আঙ্গুলের মত কাছাকাছি থাকব”। [তিরমিযি: ১৯১৮; ইমাম তাবরানীর মাকারিমুল আখলাক: হাদিস নং ১০৩]