১
প্রতিবেশীর হক
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
চার- প্রতিবেশীর খোঁজ খবর রাখা:
আমরা শুধু নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকলে চলবে না। আমি নিজে ভালো ভালো খেলাম অথচ আমার প্রতিবেশী না খেয়ে রইল এটি কোনো ঈমানদারের গুণ হতে পারে না। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«ما آمن بي من بات شبعانًا وجاره جائع إلى جنبه وهو يعلم»
“ঐ ব্যক্তি মুমিন নয় যে পেট পুরে খায় অথচ সে জানে যে তার পাশের প্রতিবেশী না খেয়ে আছে”। [মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস ২৬৯৯; আল আদাবুল মুফরাদ, হাদিস ১১২]
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়, অনেক প্রতিবেশীই এমন আছে, যাদের দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তারা অভাবে দিন কাটাচ্ছে। তারা কখনোই মানুষের কাছে হাত পাতে না তারা কখনো কেনা কিছু চাইবেও না। কুরআনে এদের সম্পর্কে বলা হয়েছে-
﴿ يَحۡسَبُهُمُ ٱلۡجَاهِلُ أَغۡنِيَآءَ مِنَ ٱلتَّعَفُّفِ تَعۡرِفُهُم بِسِيمَٰهُمۡ لَا يَسَۡٔلُونَ ٱلنَّاسَ إِلۡحَافٗاۗ ٢٧٣ ﴾ [ البقرة : ٢٧٣ ]
“না চাওয়ার কারণে অনবগত ব্যক্তি তাদেরকে অভাব মুক্ত মনে করে। তুমি তাদেরকে চিনতে পারবে তাদের চিহ্ন দ্বারা। তারা মানুষের কাছে নাছোড় হয়ে চায় না”। [সূরা বাকারা, আয়াত: ২৭৩]
কুরআনের অপর একটি আয়াতে এদেরকে ‘মাহরূম’ বলা হয়েছে, আল্লাহ তা’য়ালা বলেন,
﴿ وَفِيٓ أَمۡوَٰلِهِمۡ حَقّٞ لِّلسَّآئِلِ وَٱلۡمَحۡرُومِ ١٩ ﴾ [ الذاريات : ١٩ ]
(অর্থ) “এবং তাদের সম্পদে রয়েছে অভাবগ্রস্ত ও মাহরূমের (বঞ্চিতের) হক”। [সূরা যারিয়াত, আয়াত: ১৯] এ ক্ষেত্রে আমাদের কর্তব্য, নিজে থেকে তাদের খোঁজ খবর রাখা এবং দেওয়ার ক্ষেত্রে এমন পন্থা অবলম্বন করা যাতে সে লজ্জা না পায়। এ জন্যই তো যাকাত দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা বলে দেওয়া জরুরি নয় যে, আমি তোমাকে যাকাত দিচ্ছি; বরং ব্যক্তি যাকাতের যোগ্য কি না এটুকু জেনে নেওয়াই যথেষ্ট।
«ما آمن بي من بات شبعانًا وجاره جائع إلى جنبه وهو يعلم»
“ঐ ব্যক্তি মুমিন নয় যে পেট পুরে খায় অথচ সে জানে যে তার পাশের প্রতিবেশী না খেয়ে আছে”। [মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস ২৬৯৯; আল আদাবুল মুফরাদ, হাদিস ১১২]
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়, অনেক প্রতিবেশীই এমন আছে, যাদের দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তারা অভাবে দিন কাটাচ্ছে। তারা কখনোই মানুষের কাছে হাত পাতে না তারা কখনো কেনা কিছু চাইবেও না। কুরআনে এদের সম্পর্কে বলা হয়েছে-
﴿ يَحۡسَبُهُمُ ٱلۡجَاهِلُ أَغۡنِيَآءَ مِنَ ٱلتَّعَفُّفِ تَعۡرِفُهُم بِسِيمَٰهُمۡ لَا يَسَۡٔلُونَ ٱلنَّاسَ إِلۡحَافٗاۗ ٢٧٣ ﴾ [ البقرة : ٢٧٣ ]
“না চাওয়ার কারণে অনবগত ব্যক্তি তাদেরকে অভাব মুক্ত মনে করে। তুমি তাদেরকে চিনতে পারবে তাদের চিহ্ন দ্বারা। তারা মানুষের কাছে নাছোড় হয়ে চায় না”। [সূরা বাকারা, আয়াত: ২৭৩]
কুরআনের অপর একটি আয়াতে এদেরকে ‘মাহরূম’ বলা হয়েছে, আল্লাহ তা’য়ালা বলেন,
﴿ وَفِيٓ أَمۡوَٰلِهِمۡ حَقّٞ لِّلسَّآئِلِ وَٱلۡمَحۡرُومِ ١٩ ﴾ [ الذاريات : ١٩ ]
(অর্থ) “এবং তাদের সম্পদে রয়েছে অভাবগ্রস্ত ও মাহরূমের (বঞ্চিতের) হক”। [সূরা যারিয়াত, আয়াত: ১৯] এ ক্ষেত্রে আমাদের কর্তব্য, নিজে থেকে তাদের খোঁজ খবর রাখা এবং দেওয়ার ক্ষেত্রে এমন পন্থা অবলম্বন করা যাতে সে লজ্জা না পায়। এ জন্যই তো যাকাত দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা বলে দেওয়া জরুরি নয় যে, আমি তোমাকে যাকাত দিচ্ছি; বরং ব্যক্তি যাকাতের যোগ্য কি না এটুকু জেনে নেওয়াই যথেষ্ট।