১
জান্নাতী রমণী
লেখকঃ মুহাঃ আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
আল্লাহর অবাধ্য হয়ে স্বামীর আনুগত্য করাঃ
যদিও স্বামীর আনুগত্য করা নারীর উপর ওয়াজিব ও তার নাফরমানী করা হারাম। কিন্তু এই আনুগত্য হতে হবে সুমহান স্রষ্টা আল্লাহ ও তাঁর হাবীব সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আনুগত্যের পরে, তাঁদের আদেশ-নিষেধ বাস্তবায়ন করার পরে। স্বামী যদি এমন বিষয়ে আদেশ করে যাতে রয়েছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানী তবে তা শোনা যাবে না তা মানা যাবে না তার আনুগত্য করা যাবে না।
আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
لا طَاعَةَ لِمَخْلُوقٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ “
আল্লাহর নাফরমানী করে সৃষ্টির কারো আনুগত্য করা যাবে না । [. আহমাদ, হাকেম, শায়খ আলবানী হাদীছটিকে ছহীহ্ বলেন, দ্রঃ (ছহীহুল জামে হা/ ৭৫২০)]
আল্লাহকে নাখোশ রেখে পৃথিবীর কোন মানুষকে খুশি করা যাবে না। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীছে এরশাদ করেছেনঃ
مَنِ الْتَمَسَ رِضَا اللَّهِ بِسَخَطِ النَّاسِ كَفَاهُ اللَّهُ مُؤْنَةَ النَّاسِ وَمَنِ الْتَمَسَ رِضَا النَّاسِ بِسَخَطِ اللَّهِ وَكَلَهُ اللَّهُ إِلَى النَّاسِ “
যে ব্যক্তি আল্লাহকে নাখোশ করে মানুষকে খুশি করবে আল্লাহ তার প্রতি নাখোশ হবেন এবং মানুষকেও তার উপর অসন্তুষ্ট করে দিবেন। আর যে ব্যক্তি মানুষের অসন্তুষ্টি সত্বেও আল্লাহকে সন্তুষ্ট করবে আল্লাহ তার প্রতি খুশি হবেন এবং মানুষকেও তার উপর খুশি করে দিবেন । [. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ যুহ্দ, হা/২৩৩ (আয়েশা রাঃ) থেকে হাদীছটি বর্ণিত।]
সুতরাং স্বামী যদি স্ত্রীকে বেপর্দা, নামাযে অলসতা, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন প্রভৃতি আল্লাহকে নাখোশকারী কাজের আদেশ দেয়, তবে তার আদেশ শোনা যাবে না মানা যাবে না। অনুরূপভাবে স্ত্রীও যদি এধরণের অশ্লীলতা ও গর্হিত বিষয়ে স্বামীকে পরামর্শ প্রদান করে তবে তার পরামর্শ গ্রহণ করা চলবে না।
আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
لا طَاعَةَ لِمَخْلُوقٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ “
আল্লাহর নাফরমানী করে সৃষ্টির কারো আনুগত্য করা যাবে না । [. আহমাদ, হাকেম, শায়খ আলবানী হাদীছটিকে ছহীহ্ বলেন, দ্রঃ (ছহীহুল জামে হা/ ৭৫২০)]
আল্লাহকে নাখোশ রেখে পৃথিবীর কোন মানুষকে খুশি করা যাবে না। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীছে এরশাদ করেছেনঃ
مَنِ الْتَمَسَ رِضَا اللَّهِ بِسَخَطِ النَّاسِ كَفَاهُ اللَّهُ مُؤْنَةَ النَّاسِ وَمَنِ الْتَمَسَ رِضَا النَّاسِ بِسَخَطِ اللَّهِ وَكَلَهُ اللَّهُ إِلَى النَّاسِ “
যে ব্যক্তি আল্লাহকে নাখোশ করে মানুষকে খুশি করবে আল্লাহ তার প্রতি নাখোশ হবেন এবং মানুষকেও তার উপর অসন্তুষ্ট করে দিবেন। আর যে ব্যক্তি মানুষের অসন্তুষ্টি সত্বেও আল্লাহকে সন্তুষ্ট করবে আল্লাহ তার প্রতি খুশি হবেন এবং মানুষকেও তার উপর খুশি করে দিবেন । [. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ যুহ্দ, হা/২৩৩ (আয়েশা রাঃ) থেকে হাদীছটি বর্ণিত।]
সুতরাং স্বামী যদি স্ত্রীকে বেপর্দা, নামাযে অলসতা, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন প্রভৃতি আল্লাহকে নাখোশকারী কাজের আদেশ দেয়, তবে তার আদেশ শোনা যাবে না মানা যাবে না। অনুরূপভাবে স্ত্রীও যদি এধরণের অশ্লীলতা ও গর্হিত বিষয়ে স্বামীকে পরামর্শ প্রদান করে তবে তার পরামর্শ গ্রহণ করা চলবে না।