১
জান্নাতী রমণী
লেখকঃ মুহাঃ আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৩
উপদেশঃ
উপদেশ সম্পর্কে পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে যে, তাকে ভদ্র ও নম্রভাবে বুঝাতে হবে, বিরোধীতা ও হঠকারিতার পরিণাম সম্পর্কে জ্ঞান দান করতে হবে। স্বামী যে সত্য সত্যই স্ত্রীর কল্যাণকামী এ বিষয়টি যেন তার কাছে প্রকাশ পায় এমন ভাষা ব্যবহার করতে হবে। রাগতঃ ভাষায় কর্কষ কন্ঠের কথা কখনো উপদেশ হতে পারে না। কারণ নম্র ব্যবহারের দ্বারা যে কাজ আদায় করা সম্ভব হয় রূঢ় ও কর্কষ ব্যবহারে তা সম্ভব হয় না। এজন্য আল্লাহ তাহআলা ফেরাউনকে হেদায়াত করার জন্য যখন মূসা ও হারূন (আঃ)কে প্রেরণ করলেন, তখন তাদেরকে উপদেশ দিলেন, তারা যেন তার সাথে রূঢ় আচরণ না করে। নির্দেশ দিলেন,
اذْهَبَا إِلَى فِرْعَوْنَ إِنَّهُ طَغَى، فَقُولا لَهُ قَوْلا لَيِّنًا لَعَلَّهُ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَى “
তোমরা উভয়ে ফেরাউনের কাছে যাও নিশ্চয় সে সীমালঙ্ঘন করেছে। অতঃপর তাকে নম্র ভাষায় নসীহত কর। হয়তো সে উপদেশ গ্রহণ করবে অথবা আল্লাহকে ভয় করবে । (সূরা ত্বা-হা- ৪৩-৪৪)
প্রত্যেক স্বামীর মনে রাখা উচিত যে, স্ত্রীর দুর্ব্যবহার ও অবাধ্যতার ক্ষেত্রে আপনি নিজেকে মূসা (আঃ)এর চাইতে শ্রেষ্ট মনে করবেন না এবং স্ত্রীকে ফেরাউনের চাইতে নিকৃষ্ট মনে করবেন না। অতএব স্ত্রীকে সংশোধন করার জন্য কখনই কঠিন ও শক্ত ভাষা ব্যবহার করে উপদেশ দেয়ার চেষ্টা করবেন না। কেননা অন্যায়কে অন্যায় দিয়ে প্রতিহত করা যায় না।
আয়েশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেন,
إِنَّ الرِّفْقَ لاَّ يَكُونُ فِي شَيْءٍ إِلاَّ زَانَهُ وَلاَ يُنْزَعُ مِنْ شَيْءٍ إِلاَّ شَانَهُ “
যে কোন বিষয়ে নম্রতা অবলম্বন করা হলে তা সুন্দর হয়। আর কোন ক্ষেত্রে নম্রতা না থাকলে তা অসুন্দর ও নিকৃষ্ট হয় । (মুসলিম)
অতএব স্ত্রী সংশোধন হোক, ফিরে আসুক সঠিক পথে এটা আন্তরিকভাবে চাইলে সেভাবেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রেম-ভালবাসা মিশ্রিত শব্দ এবং দয়া-মায়া ও দরদমাখা বাক্যাবলী চয়ন করে তাকে সদুপদেশ দিবে। এবং সেই সাথে তার সংশোধনের জন্য আল্লাহর কাছে দুহআ করবে। আশা করা যায় সেই স্ত্রী সঠিক পথে ফিরে আসবে, সেই সাথে সংসারে ফিরে আসবে স্বর্গীয় পরিবেশ। দাম্পত্য জীবন ভরে উঠবে আনন্দ সুখ ও কল্যাণের আশির্বাদে।
কিন্তু তাতে যদি কাজ না হয়, নরম কথায় যদি চিড়া না ভিজে তবে, মহান আল্লাহ্ নির্দেশিত দ্বিতীয় পন্থা অবলম্বন করবে। আর তা হচ্ছেঃ
اذْهَبَا إِلَى فِرْعَوْنَ إِنَّهُ طَغَى، فَقُولا لَهُ قَوْلا لَيِّنًا لَعَلَّهُ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَى “
তোমরা উভয়ে ফেরাউনের কাছে যাও নিশ্চয় সে সীমালঙ্ঘন করেছে। অতঃপর তাকে নম্র ভাষায় নসীহত কর। হয়তো সে উপদেশ গ্রহণ করবে অথবা আল্লাহকে ভয় করবে । (সূরা ত্বা-হা- ৪৩-৪৪)
প্রত্যেক স্বামীর মনে রাখা উচিত যে, স্ত্রীর দুর্ব্যবহার ও অবাধ্যতার ক্ষেত্রে আপনি নিজেকে মূসা (আঃ)এর চাইতে শ্রেষ্ট মনে করবেন না এবং স্ত্রীকে ফেরাউনের চাইতে নিকৃষ্ট মনে করবেন না। অতএব স্ত্রীকে সংশোধন করার জন্য কখনই কঠিন ও শক্ত ভাষা ব্যবহার করে উপদেশ দেয়ার চেষ্টা করবেন না। কেননা অন্যায়কে অন্যায় দিয়ে প্রতিহত করা যায় না।
আয়েশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেন,
إِنَّ الرِّفْقَ لاَّ يَكُونُ فِي شَيْءٍ إِلاَّ زَانَهُ وَلاَ يُنْزَعُ مِنْ شَيْءٍ إِلاَّ شَانَهُ “
যে কোন বিষয়ে নম্রতা অবলম্বন করা হলে তা সুন্দর হয়। আর কোন ক্ষেত্রে নম্রতা না থাকলে তা অসুন্দর ও নিকৃষ্ট হয় । (মুসলিম)
অতএব স্ত্রী সংশোধন হোক, ফিরে আসুক সঠিক পথে এটা আন্তরিকভাবে চাইলে সেভাবেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রেম-ভালবাসা মিশ্রিত শব্দ এবং দয়া-মায়া ও দরদমাখা বাক্যাবলী চয়ন করে তাকে সদুপদেশ দিবে। এবং সেই সাথে তার সংশোধনের জন্য আল্লাহর কাছে দুহআ করবে। আশা করা যায় সেই স্ত্রী সঠিক পথে ফিরে আসবে, সেই সাথে সংসারে ফিরে আসবে স্বর্গীয় পরিবেশ। দাম্পত্য জীবন ভরে উঠবে আনন্দ সুখ ও কল্যাণের আশির্বাদে।
কিন্তু তাতে যদি কাজ না হয়, নরম কথায় যদি চিড়া না ভিজে তবে, মহান আল্লাহ্ নির্দেশিত দ্বিতীয় পন্থা অবলম্বন করবে। আর তা হচ্ছেঃ