১
জান্নাতী রমণী
লেখকঃ মুহাঃ আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫
প্রহার করাঃ
এটি হচ্ছে সর্বশেষ পদক্ষেপ। আল্লাহ্ বলেন, وَاضْرِبُوهُنَّ ওএবং তাদেরকে প্রহার করবে । এর তাফসীরে হাফেয ইবনু কাছীর (রহঃ) বলেন, ওযদি উপদেশ প্রদান ও আলাদা রাখার পরও কোন কাজ না হয়, স্ত্রীগণ সংশোধনের পথে ফিরে না আসে, তবে হালকা করে তাদেরকে প্রহার করবে।
জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের ঐতিহাসিক ভাষনে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
... فَاتَّقُوا اللَّهَ فِي النِّسَاءِ فَإِنَّكُمْ أَخَذْتُمُوهُنَّ بِأَمَانِ اللَّهِ وَاسْتَحْلَلْتُمْ فُرُوجَهُنَّ بِكَلِمَةِ اللَّهِ وَلَكُمْ عَلَيْهِنَّ أَنْ لا يُوطِئْنَ فُرُشَكُمْ أَحَدًا تَكْرَهُونَهُ فَإِنْ فَعَلْنَ ذَلِكَ فَاضْرِبُوهُنَّ ضَرْبًا غَيْرَ مُبَرِّحٍ وَلَهُنَّ عَلَيْكُمْ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ “
তোমরা স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর। কেননা আল্লাহর আমানতে তোমরা তাদেরকে গ্রহণ করেছে। আল্লাহর বাণী সাক্ষী রেখে তোমরা তাদের সাথে সহবাস করা বৈধ করেছো। তাদের উপর তোমাদের অধিকার হচ্ছে, তারা তোমাদের গৃহে এমন লোককে প্রবেশ করতে দিবে না যাকে তোমরা পছন্দ কর না। কিন্তু তারা যদি নির্দেশ লঙ্ঘন করে এরূপ করে ফেলে তবে, তাদেরকে প্রহার কর। কিন্তু প্রহার যেন কঠিন ও কষ্টদায়ক না হয়। তোমাদের উপর তাদের অধিকার হচ্ছে, তোমরা সঠিকভাবে নিয়ম মাফিক তাদের খানা-পিনা ও কাপড়ের ব্যবস্থা করবে । (ছহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ হজ্জ, হা/২১৩৭)
হাসান বাছরী এই প্রহারের ব্যাখ্যায় বলেন, প্রহার যেন এমন না হয় যার কারণে শরীরে কোন চিহ্ন দেখা যায় বা শরীর ফুলে-ফুটে যায়।
আত্বা বলেন, ইবনু আব্বাসকে প্রশ্ন করা হল, উক্ত প্রহার কিরূপ হবে? তিনি বললেন, ওমেসওয়াক বা অনুরূপ বস্তু দ্বারা প্রহার হতে হবে । (তাফসীরে কুরতুবী)
অন্য হাদীছে প্রহারের ক্ষেত্রে হালকাভাবে হলেও মুখমন্ডলে প্রহার করতে নিষেধ করা হয়েছে।
হাকীম বিন মুআবিয়া আল কুশাইরী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
وَلا تَضْرِبِ الْوَجْهَ وَلا تُقَبِّحْ “
এবং মুখমন্ডলে প্রহার করবে না ও গাল-মন্দ করবে না । [. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ বিবাহ হা/১৮৩০।]
জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের ঐতিহাসিক ভাষনে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
... فَاتَّقُوا اللَّهَ فِي النِّسَاءِ فَإِنَّكُمْ أَخَذْتُمُوهُنَّ بِأَمَانِ اللَّهِ وَاسْتَحْلَلْتُمْ فُرُوجَهُنَّ بِكَلِمَةِ اللَّهِ وَلَكُمْ عَلَيْهِنَّ أَنْ لا يُوطِئْنَ فُرُشَكُمْ أَحَدًا تَكْرَهُونَهُ فَإِنْ فَعَلْنَ ذَلِكَ فَاضْرِبُوهُنَّ ضَرْبًا غَيْرَ مُبَرِّحٍ وَلَهُنَّ عَلَيْكُمْ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ “
তোমরা স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর। কেননা আল্লাহর আমানতে তোমরা তাদেরকে গ্রহণ করেছে। আল্লাহর বাণী সাক্ষী রেখে তোমরা তাদের সাথে সহবাস করা বৈধ করেছো। তাদের উপর তোমাদের অধিকার হচ্ছে, তারা তোমাদের গৃহে এমন লোককে প্রবেশ করতে দিবে না যাকে তোমরা পছন্দ কর না। কিন্তু তারা যদি নির্দেশ লঙ্ঘন করে এরূপ করে ফেলে তবে, তাদেরকে প্রহার কর। কিন্তু প্রহার যেন কঠিন ও কষ্টদায়ক না হয়। তোমাদের উপর তাদের অধিকার হচ্ছে, তোমরা সঠিকভাবে নিয়ম মাফিক তাদের খানা-পিনা ও কাপড়ের ব্যবস্থা করবে । (ছহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ হজ্জ, হা/২১৩৭)
হাসান বাছরী এই প্রহারের ব্যাখ্যায় বলেন, প্রহার যেন এমন না হয় যার কারণে শরীরে কোন চিহ্ন দেখা যায় বা শরীর ফুলে-ফুটে যায়।
আত্বা বলেন, ইবনু আব্বাসকে প্রশ্ন করা হল, উক্ত প্রহার কিরূপ হবে? তিনি বললেন, ওমেসওয়াক বা অনুরূপ বস্তু দ্বারা প্রহার হতে হবে । (তাফসীরে কুরতুবী)
অন্য হাদীছে প্রহারের ক্ষেত্রে হালকাভাবে হলেও মুখমন্ডলে প্রহার করতে নিষেধ করা হয়েছে।
হাকীম বিন মুআবিয়া আল কুশাইরী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
وَلا تَضْرِبِ الْوَجْهَ وَلا تُقَبِّحْ “
এবং মুখমন্ডলে প্রহার করবে না ও গাল-মন্দ করবে না । [. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ বিবাহ হা/১৮৩০।]