১
জান্নাতী রমণী
লেখকঃ মুহাঃ আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
স্বামীর খেদমতঃ
সম্মানিত মুসলিম বোন! নিম্নে আল্লাহর নবীর মহিলা ছাহাবীদের অসংখ্য কাহিনী থেকে জনৈক নারীর ঘটনা বর্ণনা করছি। বুদ্ধিমানের জন্য ইঙ্গিতই যথেষ্ট। কিভাবে তাঁরা স্বামীর খেদমত করতেন তার এক দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করা হচ্ছে।
আবু বকর (রাঃ) সম্পর্কে কেই বা না জানে। তাঁর কলিজার টুকরা কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যুবাইর (রাঃ) আমাকে যখন বিবাহ করেন, তখন তাঁর কোন জায়গা-যমিন ছিল না, কোন দাস-দাসী ছিল না কিছুই ছিল না। শুধুমাত্র একটি ঘোড়া ছিল।
আসমা বলেন, আমিই ঘোড়টিকে দানা-পানি খাওয়াতাম, ঘাস ও খড়ের যোগান দিতাম। ঘোড়ার জন্য খেজুরের আঁটি কুটে তার খাদ্যে মিশাতাম তথা সার্বক্ষণিক তাকে খাওয়াতাম ও পানি পান করাতাম। তাঁর জন্য আটা খামির করতাম। কিন্তু আমি তখন ভালভাবে রুটি বানাতে জানতাম না। আমার কিছু পড়শী আনছারী মহিলা ছিলেন তাঁরাই আমাকে রুটি বানিয়ে দিতেন। ওরা খুবই ভাল মহিলা ছিলেন।
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে যে যমীন দিয়েছিলেন সেখান থেকে আমি খেজুরের বিচির বোঝা নিজের মাথায় নিয়ে হেঁটে হেঁটে বাড়ী আসতাম। ঐ স্থানটি আমাদের বাড়ী থেকে দুহমাইল দূরে ছিল। [. ছহীহ মুসলিম হা/ ২১৮২]
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, নারী যদি জানতো স্বামীর কি হক, তবে স্বামীর দুপুরের খানা বা রাতের খানা উপস্থিত হলে খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে বসতো না। দাঁড়িয়েই থাকতো । [. ত্ববরানী ফিল কাবীর, ছহীহুল জামে হা/ ৫২৫৯]
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর আদরের দুলালী জান্নাতের সর্দারীনী ফাতেমা (রাঃ) তাঁর স্বামী আলী (আঃ)এর খেদমত করতেন। খাদেম বা দাসী ছাড়াই স্বামীর গৃহের যাবতীয় কাজ নিজ হাতে সম্পাদন করতেন। আটা পিষতে গিয়ে যাঁতা ঘুরাতে ঘুরাতে হাতে ফোসকা পড়ে গিয়েছিল। কলসি কাঁখে পানি আনতে আনতে কোমরে দাগ পড়ে গিয়েছিল। বাড়ি-ঘর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে করতে পরনের কাপড় ধুলামলিন হয়ে গিয়েছিল। রান্না-বান্না করতে করতে কাপড় কালো হয়ে গিয়েছিল। একবার যুদ্ধে বন্দী কিছু দাসী মদীনায় এলে তা থেকে একটি দাসী চাইতে ফাতেমা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কাছে গেলেন। কিন্তু তাঁকে পেলেন না। আয়েশা (রাঃ) এর কাছে আগমণের উদ্দেশ্য বলে ফিরে গেলেন। আয়েশা (আঃ) এর মুখে নবীজী তাঁর আদরের দুলালীর আগমনের কথা শুনে নিজেই তার সাথে দেখা করতে বের হলেন। গিয়ে দেখেন তাঁরা শুয়ে পড়েছেন। নবীজীর আগমনে তারা উঠে বসতে চাইলেন। কিন্তু তিনি বাধা দিয়ে তাদের মধ্যখানে বসে পড়লেন এবং বললেন, তোমরা যা চেয়েছো আমি কি তার চাইতে উত্তম জিনিস তোমাদেরকে দান করব না? তোমরা যখন শয্যা গ্রহণ করবে, তখন ৩৩ বার ওসুবহানাল্লাহ্হ পাঠ করবে, ৩৩ বার ওআল হামদুলিল্লাহহ বলবে এবং ৩৪ বার ওআল্লাহু আকবারহ পাঠ করবে। ইহা তোমাদের জন্য একজন খাদেমের চাইতে উত্তম হবে । [. বুখারী, অধ্যায়ঃ জিকির">দু’আ, হা/৫৮৪৩।]
আবু বকর (রাঃ) সম্পর্কে কেই বা না জানে। তাঁর কলিজার টুকরা কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যুবাইর (রাঃ) আমাকে যখন বিবাহ করেন, তখন তাঁর কোন জায়গা-যমিন ছিল না, কোন দাস-দাসী ছিল না কিছুই ছিল না। শুধুমাত্র একটি ঘোড়া ছিল।
আসমা বলেন, আমিই ঘোড়টিকে দানা-পানি খাওয়াতাম, ঘাস ও খড়ের যোগান দিতাম। ঘোড়ার জন্য খেজুরের আঁটি কুটে তার খাদ্যে মিশাতাম তথা সার্বক্ষণিক তাকে খাওয়াতাম ও পানি পান করাতাম। তাঁর জন্য আটা খামির করতাম। কিন্তু আমি তখন ভালভাবে রুটি বানাতে জানতাম না। আমার কিছু পড়শী আনছারী মহিলা ছিলেন তাঁরাই আমাকে রুটি বানিয়ে দিতেন। ওরা খুবই ভাল মহিলা ছিলেন।
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে যে যমীন দিয়েছিলেন সেখান থেকে আমি খেজুরের বিচির বোঝা নিজের মাথায় নিয়ে হেঁটে হেঁটে বাড়ী আসতাম। ঐ স্থানটি আমাদের বাড়ী থেকে দুহমাইল দূরে ছিল। [. ছহীহ মুসলিম হা/ ২১৮২]
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, নারী যদি জানতো স্বামীর কি হক, তবে স্বামীর দুপুরের খানা বা রাতের খানা উপস্থিত হলে খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে বসতো না। দাঁড়িয়েই থাকতো । [. ত্ববরানী ফিল কাবীর, ছহীহুল জামে হা/ ৫২৫৯]
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর আদরের দুলালী জান্নাতের সর্দারীনী ফাতেমা (রাঃ) তাঁর স্বামী আলী (আঃ)এর খেদমত করতেন। খাদেম বা দাসী ছাড়াই স্বামীর গৃহের যাবতীয় কাজ নিজ হাতে সম্পাদন করতেন। আটা পিষতে গিয়ে যাঁতা ঘুরাতে ঘুরাতে হাতে ফোসকা পড়ে গিয়েছিল। কলসি কাঁখে পানি আনতে আনতে কোমরে দাগ পড়ে গিয়েছিল। বাড়ি-ঘর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে করতে পরনের কাপড় ধুলামলিন হয়ে গিয়েছিল। রান্না-বান্না করতে করতে কাপড় কালো হয়ে গিয়েছিল। একবার যুদ্ধে বন্দী কিছু দাসী মদীনায় এলে তা থেকে একটি দাসী চাইতে ফাতেমা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কাছে গেলেন। কিন্তু তাঁকে পেলেন না। আয়েশা (রাঃ) এর কাছে আগমণের উদ্দেশ্য বলে ফিরে গেলেন। আয়েশা (আঃ) এর মুখে নবীজী তাঁর আদরের দুলালীর আগমনের কথা শুনে নিজেই তার সাথে দেখা করতে বের হলেন। গিয়ে দেখেন তাঁরা শুয়ে পড়েছেন। নবীজীর আগমনে তারা উঠে বসতে চাইলেন। কিন্তু তিনি বাধা দিয়ে তাদের মধ্যখানে বসে পড়লেন এবং বললেন, তোমরা যা চেয়েছো আমি কি তার চাইতে উত্তম জিনিস তোমাদেরকে দান করব না? তোমরা যখন শয্যা গ্রহণ করবে, তখন ৩৩ বার ওসুবহানাল্লাহ্হ পাঠ করবে, ৩৩ বার ওআল হামদুলিল্লাহহ বলবে এবং ৩৪ বার ওআল্লাহু আকবারহ পাঠ করবে। ইহা তোমাদের জন্য একজন খাদেমের চাইতে উত্তম হবে । [. বুখারী, অধ্যায়ঃ জিকির">দু’আ, হা/৫৮৪৩।]