১
জান্নাতী রমণী
লেখকঃ মুহাঃ আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
স্বামীদের জন্য উপদেশঃ
এতক্ষণ আমরা মুমেন রমণীদেরকে সেই সত্য ও সঠিক পথের সন্ধান দিতে চেয়েছি যা আল্লাহ সুবহানাহু স্বীয় গ্রন্থ আল কুরআনে প্রণয়ন করেছেন এবং তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের জীবনীতে বাস্তবায়ন করেছেন। কিন্তু একথার অর্থ এটা নয় যে, পুরুষগণ শুধুমাত্র নারীদের উপর কর্তৃত্ব করেই চলবে। আর কর্তৃত্বের পাওয়ার দেখিয়ে সামান্য অযুহাতে (পান থেকে চুন খসলেই) স্ত্রীর উপর যুলম-নির্যাতন করবে। উল্লেখিত নির্দেশাবলী নারী পালন করতে অক্ষম হলে তার উপর অত্যাচার-নিপড়নের ষ্টিম রোলার উঠে আসবে। কেননা স্ত্রীদের সাথে সাদাচরণ করাও পুরুষের উপর আবশ্যক। মহান আল্লাহ্ সে দিকে ইঙ্গিত করে এরশাদ করেনঃ
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ “
আর তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সদ্ভাবে বসবাস কর । (সূরা নিসা- ১৯)
আল্লাহ আরো বলেন,
وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ وَلِلرِّجَالِ عَلَيْهِنَّ دَرَجَةٌ “
আর নারীদের উপর তাদের যেরূপ অধিকার আছে নারীদেরও তদানুরূপ ন্যায় সঙ্গত অধিকার আছে এবং তাদের উপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে । (সূরা বাকারা- ২২৮)
সুতরাং প্রত্যেক পুরুষের উপর অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে স্ত্রীর অধিকার সমূহ যথাযথভাবে আদায় করা। অবশ্য এই অধিকার প্রদানের পরও নারীদের থেকে কোন কোন সময় বক্রতা লক্ষ্য করা যায়। কোন অবস্থাতেই তাদেরকে পুরাপুরিভাবে বশে আনা সম্ভব নয়। এজন্য পুরুষকে ধৈর্যশীল হতে হবে। তাদেরকে সর্বদা সদুপদেশ প্রদান করতে হবে। তাই রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ وَإِنَّ أَعْوَجَ شَيْءٍ فِي الضِّلَعِ أَعْلَاهُ فَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ فَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ “
তোমরা নারীদেরকে সদুপদেশ দাও। কেননা নারীকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বাঁকা হচ্ছে উপরের অংশ। উহা যদি সোজা করতে যাও তবে ভেঙ্গে দিবে, আর যদি ছেড়ে দাও তো বাঁকাই থাকবে। অতএব তোমরা নারীদেরকে সর্বদা সদুপদেশ প্রদান কর । (বুখারী ও মুসলিম)
অন্য বর্ণনায় রয়েছে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
إِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ لَنْ تَسْتَقِيمَ لَكَ عَلَى طَرِيقَةٍ فَإِنِ اسْتَمْتَعْتَ بِهَا اسْتَمْتَعْتَ بِهَا وَبِهَا عِوَجٌ وَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهَا كَسَرْتَهَا وَكَسْرُهَا طَلَاقُهَا “
নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পাঁজরের হাড় থেকে। তোমার পছন্দমত পথে সে কখনই সোজা হয়ে চলবে না। তুমি যদি তার থেকে উপকৃত হতে চাও তো এই বক্র অবস্থাতেই উপকৃত হও। কিন্তু এই বক্রতা সোজা করতে গেলে তাকে ভেঙ্গে দিবে। আর ভেঙ্গে দেয়া মানেই তাকে তালাক প্রদান করা । (মুসলিম)
নারীদের মধ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে বক্রতা থাকলেই যে তাকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে এমন নয়; বরং তার মধ্যে অনেক ভাল গুণও আছে। কোন বিষয় হয়তো আপনি অপছন্দ করছেন কিন্তু তাতেই রয়েছে আপনার জন্য প্রভূত কল্যাণ যা আপনি জানেনই না। এজন্যই আল্লাহ্ তাহআলা বলেন,
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ فَإِنْ كَرِهْتُمُوهُنَّ فَعَسَى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَيَجْعَلَ اللَّهُ فِيهِ خَيْرًا كَثِيرًا “
আর তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সদ্ভাবে বসবাস কর। যদি তাদেরকে অপসন্দ কর, তবে মনে রেখো তোমরা হয়তো কোন বিষয়কে অপসন্দ করবে; অথচ আল্লাহ্ তাতেই প্রভূত কল্যাণ রেখেছেন । (সূরা নিসা- ১৯)
আল্লাহ্ আরো বলেন,
وَعَسى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَكُمْ “
তোমরা হয়তো কোন বিষয়কে অপছন্দ কর, অথচ উহা তোমাদের জন্য কল্যাণজনক। আর কোন বিষয়কে তোমরা পছন্দ কর; অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণজনক । (সূরা বাকারা- ২১৬)
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
لا يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةً إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا آخَرَ “
কোন মুমিন পুরুষ যেন কোন মুমিন স্ত্রীকে ঘৃণা না করে। কেননা সে হয়তো তার কোন চরিত্রকে অপছন্দ করে কিন্তু অন্য চরিত্রকে অবশ্যই পছন্দ করবে । (মুসলিম)
অতএব স্ত্রীর নিকট থেকে কোন বিরোধিতা বা অপছন্দনীয় বিষয় প্রকাশ পেলে দ্রুত তাকে উপদেশ দিবে নসীহত করবে। আল্লাহর কথা স্মরণ করাবে, তাঁর শাস্তির ভয় দেখাবে। তার আবধ্যতা ও গোঁড়ামীর পরিণতি যে ভয়াবহ সে সম্পর্কে সতর্ক করবে।
কিন্তু এরপরও যদি স্ত্রীর মধ্যে অবাধ্যতা, হঠকারিতা ও অসৎ চরিত্র লক্ষ্য করা যায়, তবে তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রেও সীমারেখা রয়েছে যা লঙ্ঘন করা থেকে সাবধান থাকতে হবে। পবিত্র কুরআনে এবং সুন্নাতে নববীতে এর একটি সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছেঃ
মহান আল্লাহ্ এরশাদ করেন,
وَاللاَّتِي تَخَافُونَ نُشُوزَهُنَّ فَعِظُوهُنَّ وَاهْجُرُوهُنَّ فِي الْمَضَاجِعِ وَاضْرِبُوهُنَّ فَإِنْ أَطَعْنَكُمْ فَلا تَبْغُوا عَلَيْهِنَّ سَبِيلا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيًّا كَبِيرًا “
আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশংকা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ । (সূরা নিসা- ৩৪)
এই আয়াতে অবাধ্য স্ত্রীকে সংশোধন করার জন্য যে নীতিমালা প্রদান করা হয়েছে তা নিম্নরূপঃ
প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছেঃ তাকে উপদেশ প্রদান করা।
দ্বিতীয় পদক্ষেপঃ তাকে বিছানায় পরিত্যাগ করা।
তৃতীয় পদক্ষেপঃ প্রহার করা।
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ “
আর তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সদ্ভাবে বসবাস কর । (সূরা নিসা- ১৯)
আল্লাহ আরো বলেন,
وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ وَلِلرِّجَالِ عَلَيْهِنَّ دَرَجَةٌ “
আর নারীদের উপর তাদের যেরূপ অধিকার আছে নারীদেরও তদানুরূপ ন্যায় সঙ্গত অধিকার আছে এবং তাদের উপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে । (সূরা বাকারা- ২২৮)
সুতরাং প্রত্যেক পুরুষের উপর অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে স্ত্রীর অধিকার সমূহ যথাযথভাবে আদায় করা। অবশ্য এই অধিকার প্রদানের পরও নারীদের থেকে কোন কোন সময় বক্রতা লক্ষ্য করা যায়। কোন অবস্থাতেই তাদেরকে পুরাপুরিভাবে বশে আনা সম্ভব নয়। এজন্য পুরুষকে ধৈর্যশীল হতে হবে। তাদেরকে সর্বদা সদুপদেশ প্রদান করতে হবে। তাই রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ وَإِنَّ أَعْوَجَ شَيْءٍ فِي الضِّلَعِ أَعْلَاهُ فَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ فَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ “
তোমরা নারীদেরকে সদুপদেশ দাও। কেননা নারীকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বাঁকা হচ্ছে উপরের অংশ। উহা যদি সোজা করতে যাও তবে ভেঙ্গে দিবে, আর যদি ছেড়ে দাও তো বাঁকাই থাকবে। অতএব তোমরা নারীদেরকে সর্বদা সদুপদেশ প্রদান কর । (বুখারী ও মুসলিম)
অন্য বর্ণনায় রয়েছে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
إِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ لَنْ تَسْتَقِيمَ لَكَ عَلَى طَرِيقَةٍ فَإِنِ اسْتَمْتَعْتَ بِهَا اسْتَمْتَعْتَ بِهَا وَبِهَا عِوَجٌ وَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهَا كَسَرْتَهَا وَكَسْرُهَا طَلَاقُهَا “
নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পাঁজরের হাড় থেকে। তোমার পছন্দমত পথে সে কখনই সোজা হয়ে চলবে না। তুমি যদি তার থেকে উপকৃত হতে চাও তো এই বক্র অবস্থাতেই উপকৃত হও। কিন্তু এই বক্রতা সোজা করতে গেলে তাকে ভেঙ্গে দিবে। আর ভেঙ্গে দেয়া মানেই তাকে তালাক প্রদান করা । (মুসলিম)
নারীদের মধ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে বক্রতা থাকলেই যে তাকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে এমন নয়; বরং তার মধ্যে অনেক ভাল গুণও আছে। কোন বিষয় হয়তো আপনি অপছন্দ করছেন কিন্তু তাতেই রয়েছে আপনার জন্য প্রভূত কল্যাণ যা আপনি জানেনই না। এজন্যই আল্লাহ্ তাহআলা বলেন,
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ فَإِنْ كَرِهْتُمُوهُنَّ فَعَسَى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَيَجْعَلَ اللَّهُ فِيهِ خَيْرًا كَثِيرًا “
আর তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সদ্ভাবে বসবাস কর। যদি তাদেরকে অপসন্দ কর, তবে মনে রেখো তোমরা হয়তো কোন বিষয়কে অপসন্দ করবে; অথচ আল্লাহ্ তাতেই প্রভূত কল্যাণ রেখেছেন । (সূরা নিসা- ১৯)
আল্লাহ্ আরো বলেন,
وَعَسى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَكُمْ “
তোমরা হয়তো কোন বিষয়কে অপছন্দ কর, অথচ উহা তোমাদের জন্য কল্যাণজনক। আর কোন বিষয়কে তোমরা পছন্দ কর; অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণজনক । (সূরা বাকারা- ২১৬)
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
لا يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةً إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا آخَرَ “
কোন মুমিন পুরুষ যেন কোন মুমিন স্ত্রীকে ঘৃণা না করে। কেননা সে হয়তো তার কোন চরিত্রকে অপছন্দ করে কিন্তু অন্য চরিত্রকে অবশ্যই পছন্দ করবে । (মুসলিম)
অতএব স্ত্রীর নিকট থেকে কোন বিরোধিতা বা অপছন্দনীয় বিষয় প্রকাশ পেলে দ্রুত তাকে উপদেশ দিবে নসীহত করবে। আল্লাহর কথা স্মরণ করাবে, তাঁর শাস্তির ভয় দেখাবে। তার আবধ্যতা ও গোঁড়ামীর পরিণতি যে ভয়াবহ সে সম্পর্কে সতর্ক করবে।
কিন্তু এরপরও যদি স্ত্রীর মধ্যে অবাধ্যতা, হঠকারিতা ও অসৎ চরিত্র লক্ষ্য করা যায়, তবে তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রেও সীমারেখা রয়েছে যা লঙ্ঘন করা থেকে সাবধান থাকতে হবে। পবিত্র কুরআনে এবং সুন্নাতে নববীতে এর একটি সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছেঃ
মহান আল্লাহ্ এরশাদ করেন,
وَاللاَّتِي تَخَافُونَ نُشُوزَهُنَّ فَعِظُوهُنَّ وَاهْجُرُوهُنَّ فِي الْمَضَاجِعِ وَاضْرِبُوهُنَّ فَإِنْ أَطَعْنَكُمْ فَلا تَبْغُوا عَلَيْهِنَّ سَبِيلا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيًّا كَبِيرًا “
আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশংকা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ । (সূরা নিসা- ৩৪)
এই আয়াতে অবাধ্য স্ত্রীকে সংশোধন করার জন্য যে নীতিমালা প্রদান করা হয়েছে তা নিম্নরূপঃ
প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছেঃ তাকে উপদেশ প্রদান করা।
দ্বিতীয় পদক্ষেপঃ তাকে বিছানায় পরিত্যাগ করা।
তৃতীয় পদক্ষেপঃ প্রহার করা।