১
জান্নাতী রমণী
লেখকঃ মুহাঃ আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
নারীর উপর পুরুষের কর্তৃত্বঃ
আল্লাহ্ বলেন,
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَبِمَا أَنفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ “
পুরুষগণ নারীদের উপর কর্তৃত্বকারী। কেননা আল্লাহ তাদের একজনকে অপর জনের উপর মর্যাদাবান করেছেন। এবং পুরুষগণ তাদের সম্পদ খরচ করে থাকে । [. সূরা নিসা- ৩৪]
হাফেয ইবনু কাছীর এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, পুরুষ নারীর কতৃত্বকারী। অর্থাৎ সে তার প্রধান, তার চাইতে শ্রেষ্ঠ, তার শাসক এবং বাঁকা পথে চললে তাকে শিক্ষাদানকারী।
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নিম্ন লিখিত বাণীটি উক্ত অর্থকে সমর্থন করে। আবদুল্লাহ্ বিন আবু আউফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِغَيْرِ اللَّهِ لأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لا تُؤَدِّي الْمَرْأَةُ حَقَّ رَبِّهَا حَتَّى تُؤَدِّيَ حَقَّ زَوْجِهَا وَلَوْ سَأَلَهَا نَفْسَهَا وَهِيَ عَلَى قَتَبٍ لَمْ تَمْنَعْهُ “
গাইরুল্লাকে সিজদা করার জন্য আমি যদি কাউকে আদেশ করতাম তবে নারীকে আদেশ করতাম তার স্বামীকে সিজদা করতে। শপথ সেই সত্বার যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, কোন নারী তার পালনকর্তার হক আদায় করতে পারবে না যে পর্যন্ত সে তার স্বামীর যাবতীয় হক আদায় না করবে। এমনকি যদি উটের হাওদাজে বসে তাকে সহবাস করতে আহবান করে, তবুও বাধা দিবে না । [. ইবনু মাজাহ্ অধ্যায়ঃ বিবাহ হা/ ১৮৪৩। শায়খ আলবানী হাদীছটিকে ছহীহ বলেন, দ্রঃ ছহীহুল জামে- হা/ ৫২৯৫]
আল্লাহ্ বলেন,
فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللَّهُ “
পূণ্যবতী রমণীগণ আনুগত্য করে এবং আল্লাহর সংরক্ষিত প্রচ্ছন্ন বিষয়ের সংরক্ষণ করে । [. সূরা নিসা- ৩৪]
ইমাম ইবনু তায়মিয়া ফতোয়া গ্রন্থে এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, ওনারী সর্বদা স্বামীর আনুগত্য করবে। তিনি বলেন, আল্লাহ ও রাসূলের পর নারীর আনুগত্য পাওয়ার জন্য স্বামীর চাইতে অন্য কেউ অধিক হকদার নয় । [. মাজমু’ ফাতাওয়া- ৩২/২৭৫।]
অতএব বর্তমান যুগের মডার্ন ও প্রগতিবাদী নারীরা সাবধান। যারা স্বামীর অবাধ্য হয়ে চলতে চায়, পুরুষের সাদৃশবলম্বন করে পুরুষের উপর কর্তৃত্ব করতে চায়। লজ্জা ও আবরু পদদলিত করে বেপরওয়াভাবে যা ইচ্ছা তা করতে চায়, যেখানে খুশি যেতে চায়। স্বাধীনতা ও নারী অধিকারের নামে আখেরাতের বিনিময়ে দুনিয়া ও তার চাকচিক্য ক্রয় কতে চায়। সাবধান হে মুসলিম বোন! তাদের চক্রান্তের জাল থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করুন। তাদের পথ ও চরিত্র থেকে সতর্ক হোন। কারণ সেদিন বেশী দূরে নয় যখন আপনার যৌবনের চমক ও অহংকার শেষ হবে, মৃত্যুর বিভিষীকা আপনাকে ঘিরে ফেলবে। আপনি উপস্থিত হবেন সেই দিনে যেদিন শিশু বার্ধক্যে উপনিত হবে। অর্থাৎ- ক্বিয়ামত দিবস।
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَبِمَا أَنفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ “
পুরুষগণ নারীদের উপর কর্তৃত্বকারী। কেননা আল্লাহ তাদের একজনকে অপর জনের উপর মর্যাদাবান করেছেন। এবং পুরুষগণ তাদের সম্পদ খরচ করে থাকে । [. সূরা নিসা- ৩৪]
হাফেয ইবনু কাছীর এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, পুরুষ নারীর কতৃত্বকারী। অর্থাৎ সে তার প্রধান, তার চাইতে শ্রেষ্ঠ, তার শাসক এবং বাঁকা পথে চললে তাকে শিক্ষাদানকারী।
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নিম্ন লিখিত বাণীটি উক্ত অর্থকে সমর্থন করে। আবদুল্লাহ্ বিন আবু আউফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِغَيْرِ اللَّهِ لأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لا تُؤَدِّي الْمَرْأَةُ حَقَّ رَبِّهَا حَتَّى تُؤَدِّيَ حَقَّ زَوْجِهَا وَلَوْ سَأَلَهَا نَفْسَهَا وَهِيَ عَلَى قَتَبٍ لَمْ تَمْنَعْهُ “
গাইরুল্লাকে সিজদা করার জন্য আমি যদি কাউকে আদেশ করতাম তবে নারীকে আদেশ করতাম তার স্বামীকে সিজদা করতে। শপথ সেই সত্বার যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, কোন নারী তার পালনকর্তার হক আদায় করতে পারবে না যে পর্যন্ত সে তার স্বামীর যাবতীয় হক আদায় না করবে। এমনকি যদি উটের হাওদাজে বসে তাকে সহবাস করতে আহবান করে, তবুও বাধা দিবে না । [. ইবনু মাজাহ্ অধ্যায়ঃ বিবাহ হা/ ১৮৪৩। শায়খ আলবানী হাদীছটিকে ছহীহ বলেন, দ্রঃ ছহীহুল জামে- হা/ ৫২৯৫]
আল্লাহ্ বলেন,
فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللَّهُ “
পূণ্যবতী রমণীগণ আনুগত্য করে এবং আল্লাহর সংরক্ষিত প্রচ্ছন্ন বিষয়ের সংরক্ষণ করে । [. সূরা নিসা- ৩৪]
ইমাম ইবনু তায়মিয়া ফতোয়া গ্রন্থে এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, ওনারী সর্বদা স্বামীর আনুগত্য করবে। তিনি বলেন, আল্লাহ ও রাসূলের পর নারীর আনুগত্য পাওয়ার জন্য স্বামীর চাইতে অন্য কেউ অধিক হকদার নয় । [. মাজমু’ ফাতাওয়া- ৩২/২৭৫।]
অতএব বর্তমান যুগের মডার্ন ও প্রগতিবাদী নারীরা সাবধান। যারা স্বামীর অবাধ্য হয়ে চলতে চায়, পুরুষের সাদৃশবলম্বন করে পুরুষের উপর কর্তৃত্ব করতে চায়। লজ্জা ও আবরু পদদলিত করে বেপরওয়াভাবে যা ইচ্ছা তা করতে চায়, যেখানে খুশি যেতে চায়। স্বাধীনতা ও নারী অধিকারের নামে আখেরাতের বিনিময়ে দুনিয়া ও তার চাকচিক্য ক্রয় কতে চায়। সাবধান হে মুসলিম বোন! তাদের চক্রান্তের জাল থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করুন। তাদের পথ ও চরিত্র থেকে সতর্ক হোন। কারণ সেদিন বেশী দূরে নয় যখন আপনার যৌবনের চমক ও অহংকার শেষ হবে, মৃত্যুর বিভিষীকা আপনাকে ঘিরে ফেলবে। আপনি উপস্থিত হবেন সেই দিনে যেদিন শিশু বার্ধক্যে উপনিত হবে। অর্থাৎ- ক্বিয়ামত দিবস।