১
গল্পে আঁকা ইতিহাস ৪ -দুই ভাইয়ের গল্প
লেখকঃ আলী তানতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
রাখেন যদি আল্লাহ মারবে তাহলে কে?
দু’রাত পরের কথা। আহমদের বাণিজ্য কাফেলার আমীর বাণিজ্য শেষে এ-পথেই ‘কারখ’ ফিরছিলেন। দু’দিন আগে ঘটে গেলো যেখানে এ-রক্তারক্তি কাণ্ড, সেখানে কাফেলা পৌঁছতেই আমীর দেখলেন পাঁচ-সাতটা গাধা দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু আশপাশে কোনো মানুষ নজরে পড়ছে না। পরিবেশটা কেমন যেনো থমথমে। আমীর চোখে-মুখে বিস্ময় নিয়ে কাফেলাকে থামতে বললেন। সওয়ারী থেকে নেমে খানিকটা এগিয়ে গেলেন। কিছুটা পথ এগিয়ে যেতেই তার চোখে পড়লো একটু ঢালুতে একটা গাছের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে আহমদকে! আহমদ আহত। প্রচণ্ড ক্ষুধায় তার মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছে না। তার পাশেই পড়ে আছে খালাফ ও কর্মচারীর প্রাণহীন ও রক্তাক্ত দেহ। আমীর দ্রুত আহমদের বাঁধন খুলে দিলেন। গরম দুধ ও পরিচর্যায় আহমদ চোখ মেলে তাকালো। শরীরে কিছুটা শক্তি ফিরে এলো। আস্তে আস্তে তখন সে আমীরকে বললো- তার বেঁচে যাওয়ার কাহিনী এবং দুই লাশের কাহিনী! কাহিনী বলতে বলতে তার দু চোখে নেমে এলো অশ্রু!
আহমদ বললো, ‘এক পর্যায়ে খালাফ আমাকে হত্যা করতে আমার বুকে চেপে বসলো। খাপ থেকে একটা ধারালো ছুরি বের করার চেষ্টা করছিলো খালাফ। কোনো কারণে’ ছুরিটা খাপ থেকে বের হতে চাচ্ছিলো না। তখন সে উঠে দাঁড়ালো এবং বাম হাতে খাপের একটা অংশ চেপে ধরে ডান হাতে ছুরিটা টানছিলো প্রচণ্ড শক্তি খাটিয়ে। আমাকে তখন খারাপ ভাষায় গালিও দিচ্ছিলো। আমি তখন বেঁচেও মরা! সর্বান্তকরণ সঁপে দিয়ে ডাকছিলাম আল্লাহকে। শুধু ডাকছিলাম। হঠাৎ দেখলাম- ছুরিটা তীব্র বেগে বেরিয়ে এলো! নাপিতের ক্ষুরের মতো ধারালো এ-ছুরিটির অগ্রভাগ ছিলো খালাফের বুকের দিকে। প্রচণ্ড বেগে বের হওয়ার কারণে সাথে সাথে তা নিয়ন্ত্রণহীন খালাফের গর্দানের এক পাশে এসে ঢুকে পড়লো। রক্তে লাল হয়ে গেলো খালাফের সারা দেহ। ফ্যাকাশে হয়ে এলো তার দৃষ্টি।
না, এরপর খালাফের আর উঠে দাঁড়ানো সম্ভব হলো না। কথাও বের হলো না মুখে। একটু আগের মহা সংহারী রূপ’টা নিমিষেই ‘নেই’ হয়ে গেলো। আমি অবাক-বিস্ময়ে তাকিয়েছিলাম তার করুণ পরিণতির দিকে। একটু পর দেখলাম তার প্রাণহীন রক্তাক্ত অসাড় দেহটা পড়ে আছে আমার সামনে!’
আহমদ বললো, ‘এক পর্যায়ে খালাফ আমাকে হত্যা করতে আমার বুকে চেপে বসলো। খাপ থেকে একটা ধারালো ছুরি বের করার চেষ্টা করছিলো খালাফ। কোনো কারণে’ ছুরিটা খাপ থেকে বের হতে চাচ্ছিলো না। তখন সে উঠে দাঁড়ালো এবং বাম হাতে খাপের একটা অংশ চেপে ধরে ডান হাতে ছুরিটা টানছিলো প্রচণ্ড শক্তি খাটিয়ে। আমাকে তখন খারাপ ভাষায় গালিও দিচ্ছিলো। আমি তখন বেঁচেও মরা! সর্বান্তকরণ সঁপে দিয়ে ডাকছিলাম আল্লাহকে। শুধু ডাকছিলাম। হঠাৎ দেখলাম- ছুরিটা তীব্র বেগে বেরিয়ে এলো! নাপিতের ক্ষুরের মতো ধারালো এ-ছুরিটির অগ্রভাগ ছিলো খালাফের বুকের দিকে। প্রচণ্ড বেগে বের হওয়ার কারণে সাথে সাথে তা নিয়ন্ত্রণহীন খালাফের গর্দানের এক পাশে এসে ঢুকে পড়লো। রক্তে লাল হয়ে গেলো খালাফের সারা দেহ। ফ্যাকাশে হয়ে এলো তার দৃষ্টি।
না, এরপর খালাফের আর উঠে দাঁড়ানো সম্ভব হলো না। কথাও বের হলো না মুখে। একটু আগের মহা সংহারী রূপ’টা নিমিষেই ‘নেই’ হয়ে গেলো। আমি অবাক-বিস্ময়ে তাকিয়েছিলাম তার করুণ পরিণতির দিকে। একটু পর দেখলাম তার প্রাণহীন রক্তাক্ত অসাড় দেহটা পড়ে আছে আমার সামনে!’