১
গল্পে আঁকা ইতিহাস ৪ -দুই ভাইয়ের গল্প
লেখকঃ আলী তানতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
দুই ভাইয়ের গল্প
দুই ভাই
উত্তর সিরিয়ার এক শহরের নাম ‘নাসিবাইন’। সেখানে বাস ছিলো মস্ত বড় এক ব্যবসায়ীর। নাম- মুহাম্মদ ইবনে ইমরান। তার ছিলো দুই ছেলে। আহমদ ও খালাফ। মাতৃস্নেহ কী জিনিস- তারা জানে না। শৈশবেই তারা মাকে হারিয়েছিলো। কিন্তু মাতৃস্নেহের অভাব কখনো তাদেরকে কষ্ট দেয় নি, নির্জনে বসে অশ্রু ফেলতে বাধ্য করে নি। কেননা তাদের পিতৃস্নেহ ছিলো অপার ও অতুলনীয়। আদর দিয়ে স্নেহ দিয়ে বাবাই তাদেরকে কোলে-পিঠে করে বড় করেছেন।
আহমদ বড়। হালকা-পাতলা গড়নের এক যুবক। বাবার ভীষণ অনুগত। ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য সব কাজে সে বাবাকে সাহায্য করে। বাবার পাশে পাশে থাকে। বিদ্যা-বুদ্ধিও ছিলো তার যথেষ্ট। এক কথায় আহমদ ছিলো বাবার আদর্শ ছেলে। যোগ্য ছেলে। চোখ জোড়ানো মানিক।
কিন্তু খালাফ ছিলো আহমদের একেবারে উল্টো। দেখতে মোটাসোটা এবং গায়ে অশুরীয় শক্তি থাকলেও ইলম-কালাম ও বিদ্যা-বুদ্ধিতে সে ছিলো একেবারেই ফাঁকা। স্বভাব-চরিত্রও ওর ভালো ছিলো না। বাবার আদেশ-নিষেধ লঙ্ঘন করতো। লঙ্ঘন করতো আল্লাহর হুকুম-আহকামও। বাবা তার আচরণে খুব কষ্ট পেতেন। পাড়ার সব দুষ্ট ও বখাটে ছেলেদের সাথে ছিলো ওর ওঠা-বসা ও সখ্যতা। আর যারা স্বভাব-চরিত্রে সুকুমারবৃত্তির, তাদেরকে সে দু’চোখে দেখতেই পারতো না।
বাবা ও বড় ভাই তাকে সৎ পথে ফিরিয়ে আনার অনেক চেষ্টা করলেন, ফল কিছুই হলো না। খালাফ বুঝলো না- সততার মূল্য, বাবার আনুগত্যের মূল্য। খালাফ মানলো না- সুন্দরের কথা, সত্যের কথা। তার দৃষ্টি ছিলো, তবু সে অন্ধ ছিলো। দৃষ্টি থাকলে মানুষ অন্ধ হয় কী করে? সত্যকে না জানলে, সত্যকে না চিনলে। বড়দের কথা ও নির্দেশ না শুনলে, না মানলে।
উত্তর সিরিয়ার এক শহরের নাম ‘নাসিবাইন’। সেখানে বাস ছিলো মস্ত বড় এক ব্যবসায়ীর। নাম- মুহাম্মদ ইবনে ইমরান। তার ছিলো দুই ছেলে। আহমদ ও খালাফ। মাতৃস্নেহ কী জিনিস- তারা জানে না। শৈশবেই তারা মাকে হারিয়েছিলো। কিন্তু মাতৃস্নেহের অভাব কখনো তাদেরকে কষ্ট দেয় নি, নির্জনে বসে অশ্রু ফেলতে বাধ্য করে নি। কেননা তাদের পিতৃস্নেহ ছিলো অপার ও অতুলনীয়। আদর দিয়ে স্নেহ দিয়ে বাবাই তাদেরকে কোলে-পিঠে করে বড় করেছেন।
আহমদ বড়। হালকা-পাতলা গড়নের এক যুবক। বাবার ভীষণ অনুগত। ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য সব কাজে সে বাবাকে সাহায্য করে। বাবার পাশে পাশে থাকে। বিদ্যা-বুদ্ধিও ছিলো তার যথেষ্ট। এক কথায় আহমদ ছিলো বাবার আদর্শ ছেলে। যোগ্য ছেলে। চোখ জোড়ানো মানিক।
কিন্তু খালাফ ছিলো আহমদের একেবারে উল্টো। দেখতে মোটাসোটা এবং গায়ে অশুরীয় শক্তি থাকলেও ইলম-কালাম ও বিদ্যা-বুদ্ধিতে সে ছিলো একেবারেই ফাঁকা। স্বভাব-চরিত্রও ওর ভালো ছিলো না। বাবার আদেশ-নিষেধ লঙ্ঘন করতো। লঙ্ঘন করতো আল্লাহর হুকুম-আহকামও। বাবা তার আচরণে খুব কষ্ট পেতেন। পাড়ার সব দুষ্ট ও বখাটে ছেলেদের সাথে ছিলো ওর ওঠা-বসা ও সখ্যতা। আর যারা স্বভাব-চরিত্রে সুকুমারবৃত্তির, তাদেরকে সে দু’চোখে দেখতেই পারতো না।
বাবা ও বড় ভাই তাকে সৎ পথে ফিরিয়ে আনার অনেক চেষ্টা করলেন, ফল কিছুই হলো না। খালাফ বুঝলো না- সততার মূল্য, বাবার আনুগত্যের মূল্য। খালাফ মানলো না- সুন্দরের কথা, সত্যের কথা। তার দৃষ্টি ছিলো, তবু সে অন্ধ ছিলো। দৃষ্টি থাকলে মানুষ অন্ধ হয় কী করে? সত্যকে না জানলে, সত্যকে না চিনলে। বড়দের কথা ও নির্দেশ না শুনলে, না মানলে।