১
নুসাইরিয়া সম্প্রদায়
লেখকঃ ড. গালেব ইব্ন আলি আওয়াজি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
দশম অধ্যায়: সাহাবিদের সম্পর্কে নুসাইরিদের অবস্থান:
ইসলামের অপরাপর শত্রুদের ন্যায় নুসাইরিরাও ইসলাম ও তার নেতৃত্বের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে। তাই সাহাবিদের প্রতি তাদের ক্ষোভের শেষ নেই, বরং তাদের বিশ্বাসে অনেক সাহাবি প্রকৃত মুমিন ছিল না, তারা বাহ্যিকভাবে ইসলাম প্রকাশ করত, কিন্তু আলির ভয়ে ভেতরে নেফাক লুকিয়ে রাখত। তাদের ধারণায় এরা হল আবু সুফিয়ান ও মুয়াবিয়াহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের খলিফা আবু বকর, প্রখ্যাত সাহাবি ও তাঁর উত্তরসূরী ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে তারা বিশেষভাবে ক্ষোভ ও বিদ্বেষের নিশানা বানায়। কোনো সন্তানের নাম তারা আবু বকর ও ওমর বরদাস্ত করে না। তাদের চরম পর্যায়ের বোকামি হল তারা বন-জঙ্গলের জানোয়ারদের বিভিন্ন প্রকার শাস্তি দেয়, এ বিশ্বাসে যে আবু বকর, ওমর ও আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম পুনর্জন্ম পদ্ধতিতে তাদের মধ্যে প্রবেশ করেছে।
এ জন্য তারা খচ্চর বা গাধাকে কঠিন শাস্তি দেয়, কারণ সেগুলো আবু বকর ও ওমরের রূহ ধারণ করেছে। তারা বকরিকে শাস্তি দেয়, এ বিশ্বাসে যে মুমিনদের মা আয়েশার রূহ তাতে প্রবেশ করেছে। এভাবে তারা নিজেদের অগ্নিপূজার ক্ষোভ নিবারণ করে। তবে এতো জানোয়ার থেকে কোনটিকে শাস্তি দেবে, এ নিয়ে তারা সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে।
আর তাদের উপর আল্লাহর গজব নাযিল হোক, তারা সাহাবীগণের বিরুদ্ধে বিশেষ করে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বিরুদ্ধে এমনসব কথা বলে যা সামান্যতম বিবেক ও লজ্জার অধিকারী লোকও কারও সম্পর্কে বলে না। তারা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ‘আদলাম’ নামে ডাকে।
মুসলিম উম্মার শ্রেষ্ঠ সন্তান এসব সাহাবিদের ব্যাপারে তাদের গোস্বার কারণ স্পষ্ট, কারণ সাহাবীগণ অগ্নিপূজক ও মূর্তিপূজকদের শাসন নিঃশেষ করে পারস্য তথা ইরানে ইসলামের ঝাণ্ডা উড্ডীন করেছেন। অতএব তারা সেসব সাহাবিদের প্রতি কিভাবে সন্তুষ্টি প্রকাশ করবে, যারা তাদের দীন, শাসন ও রাজত্ব নিঃশেষ করেছেন?!
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের খলিফা আবু বকর, প্রখ্যাত সাহাবি ও তাঁর উত্তরসূরী ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে তারা বিশেষভাবে ক্ষোভ ও বিদ্বেষের নিশানা বানায়। কোনো সন্তানের নাম তারা আবু বকর ও ওমর বরদাস্ত করে না। তাদের চরম পর্যায়ের বোকামি হল তারা বন-জঙ্গলের জানোয়ারদের বিভিন্ন প্রকার শাস্তি দেয়, এ বিশ্বাসে যে আবু বকর, ওমর ও আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম পুনর্জন্ম পদ্ধতিতে তাদের মধ্যে প্রবেশ করেছে।
এ জন্য তারা খচ্চর বা গাধাকে কঠিন শাস্তি দেয়, কারণ সেগুলো আবু বকর ও ওমরের রূহ ধারণ করেছে। তারা বকরিকে শাস্তি দেয়, এ বিশ্বাসে যে মুমিনদের মা আয়েশার রূহ তাতে প্রবেশ করেছে। এভাবে তারা নিজেদের অগ্নিপূজার ক্ষোভ নিবারণ করে। তবে এতো জানোয়ার থেকে কোনটিকে শাস্তি দেবে, এ নিয়ে তারা সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে।
আর তাদের উপর আল্লাহর গজব নাযিল হোক, তারা সাহাবীগণের বিরুদ্ধে বিশেষ করে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বিরুদ্ধে এমনসব কথা বলে যা সামান্যতম বিবেক ও লজ্জার অধিকারী লোকও কারও সম্পর্কে বলে না। তারা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ‘আদলাম’ নামে ডাকে।
মুসলিম উম্মার শ্রেষ্ঠ সন্তান এসব সাহাবিদের ব্যাপারে তাদের গোস্বার কারণ স্পষ্ট, কারণ সাহাবীগণ অগ্নিপূজক ও মূর্তিপূজকদের শাসন নিঃশেষ করে পারস্য তথা ইরানে ইসলামের ঝাণ্ডা উড্ডীন করেছেন। অতএব তারা সেসব সাহাবিদের প্রতি কিভাবে সন্তুষ্টি প্রকাশ করবে, যারা তাদের দীন, শাসন ও রাজত্ব নিঃশেষ করেছেন?!