১
শিয়া আলেম ও অধিকাংশ মুসলিম আলেমের মধ্যে বিরোধের বাস্তব চিত্র
লেখকঃ সা‘ঈদ ইসমাঈল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ভূমিকা
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله نحمده و نستعينه و نستهديه من يهد الله فلا مضل له و من يضلل فلا هادي له , و أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له , و أشهد أن محمدا عبده و رسوله , اللهم صل و سلم على نبينا و حبيبنا محمد و على آله و أصحابه و التابعين و من تبعهم بإحسان إلى يوم الدين .
(সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট হেদায়েত চাই। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন, তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথপ্রদর্শনকারীও কেউ নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক এবং তাঁর কোন শরীক নেই; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। হে আল্লাহ! তুমি আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবী, তাবে‘য়ী এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসরণ করবে, তাদের সকলের প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ কর।)
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তাঁর সুস্পষ্ট কিতাবে বলেন:
﴿وَلۡتَكُن مِّنكُمۡ أُمَّةٞ يَدۡعُونَ إِلَى ٱلۡخَيۡرِ وَيَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِۚ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ ١٠٤ وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ تَفَرَّقُواْ وَٱخۡتَلَفُواْ مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلۡبَيِّنَٰتُۚ وَأُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٞ ١٠٥ ﴾ [ سورة آل عمران : 104-105]
“তোমাদের মধ্যে এমন এক দল থাকা উচিত যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে এবং সৎকাজের নির্দেশ দেবে ও অসৎকাজের নিষেধ করবে; এরাই সফলকাম। তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শন আসার পর বিচ্ছন্ন হয়েছে ও নিজেদের মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি করেছে। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।” [সূরা আলে-‘ইমরান: ১০৪ – ১০৫।]
এই নগণ্য পুস্তিকাটির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হল, সেসব ধর্মীয় মাসআলার ব্যাপারে খুব সাদাসিধে ও সংক্ষিপ্ত চিন্তাধারা পেশ করা, যেসব মাসআলার ব্যাপারে শিয়া আলেমগণ অধিকাংশ মুসলিম আলেম ও বিজ্ঞজনদের সাথে মতবিরোধ করেছেন। বিশেষ করে আমি এই পুস্তিকাটি রচনা করেছি ঐ ব্যক্তির জন্য, যিনি জানেন যে, সেখানে এই দুই গোষ্ঠীর আলেমদের মধ্যে অনেক মতবিরোধ রয়েছে; কিন্তু তিনি এসব মতবিরোধের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ সম্পর্কে জানেন না এবং তার আগ্রহ রয়েছে বেশি সময় ব্যয় না করে এই দূরত্ব বা দৈর্ঘ্য-প্রস্থ সম্পর্কে সাদামাটা চিন্তাভাবনা করার।
এই পুস্তিকাটি রচনার আরও লক্ষ্য হল, ঐসব ব্যক্তিদেরকে পর্যালোচনা করা, যারা এই দুনিয়া ও পরকালের সফলতার ব্যাপারে তাদেরকে সহযোগিতা করতে পারে এমন চূড়ান্ত অবস্থান গ্রহণ না করেই এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে হতবুদ্ধিদের মত অবস্থান গ্রহণ করেছে।
আমরা আল্লাহ তা‘আলার নিকট প্রার্থনা করি, যাতে তিনি কল্যাণের দিকে আহ্বান করা, অন্যায় কাজের নিষেধ করা ও ঐক্যবদ্ধ থাকার যে নির্দেশ করেছেন, সে নির্দেশনা অনুযায়ী করা এই সামান্য চেষ্টা-সাধনা ও খেদমতটুকু গ্রহণ করেন।
যেমনিভাবে আমরা তাঁর নিকট প্রার্থনা করি, যাতে তিনি আমাদের সকলকে তাঁর রহমত, ক্ষমা ও অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেন এবং আমাদেরকে সততা ও হেদায়েত দান করেন ...। আমীন!
الحمد لله نحمده و نستعينه و نستهديه من يهد الله فلا مضل له و من يضلل فلا هادي له , و أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له , و أشهد أن محمدا عبده و رسوله , اللهم صل و سلم على نبينا و حبيبنا محمد و على آله و أصحابه و التابعين و من تبعهم بإحسان إلى يوم الدين .
(সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট হেদায়েত চাই। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন, তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথপ্রদর্শনকারীও কেউ নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক এবং তাঁর কোন শরীক নেই; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। হে আল্লাহ! তুমি আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবী, তাবে‘য়ী এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসরণ করবে, তাদের সকলের প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ কর।)
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তাঁর সুস্পষ্ট কিতাবে বলেন:
﴿وَلۡتَكُن مِّنكُمۡ أُمَّةٞ يَدۡعُونَ إِلَى ٱلۡخَيۡرِ وَيَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِۚ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ ١٠٤ وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ تَفَرَّقُواْ وَٱخۡتَلَفُواْ مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلۡبَيِّنَٰتُۚ وَأُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٞ ١٠٥ ﴾ [ سورة آل عمران : 104-105]
“তোমাদের মধ্যে এমন এক দল থাকা উচিত যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে এবং সৎকাজের নির্দেশ দেবে ও অসৎকাজের নিষেধ করবে; এরাই সফলকাম। তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শন আসার পর বিচ্ছন্ন হয়েছে ও নিজেদের মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি করেছে। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।” [সূরা আলে-‘ইমরান: ১০৪ – ১০৫।]
এই নগণ্য পুস্তিকাটির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হল, সেসব ধর্মীয় মাসআলার ব্যাপারে খুব সাদাসিধে ও সংক্ষিপ্ত চিন্তাধারা পেশ করা, যেসব মাসআলার ব্যাপারে শিয়া আলেমগণ অধিকাংশ মুসলিম আলেম ও বিজ্ঞজনদের সাথে মতবিরোধ করেছেন। বিশেষ করে আমি এই পুস্তিকাটি রচনা করেছি ঐ ব্যক্তির জন্য, যিনি জানেন যে, সেখানে এই দুই গোষ্ঠীর আলেমদের মধ্যে অনেক মতবিরোধ রয়েছে; কিন্তু তিনি এসব মতবিরোধের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ সম্পর্কে জানেন না এবং তার আগ্রহ রয়েছে বেশি সময় ব্যয় না করে এই দূরত্ব বা দৈর্ঘ্য-প্রস্থ সম্পর্কে সাদামাটা চিন্তাভাবনা করার।
এই পুস্তিকাটি রচনার আরও লক্ষ্য হল, ঐসব ব্যক্তিদেরকে পর্যালোচনা করা, যারা এই দুনিয়া ও পরকালের সফলতার ব্যাপারে তাদেরকে সহযোগিতা করতে পারে এমন চূড়ান্ত অবস্থান গ্রহণ না করেই এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে হতবুদ্ধিদের মত অবস্থান গ্রহণ করেছে।
আমরা আল্লাহ তা‘আলার নিকট প্রার্থনা করি, যাতে তিনি কল্যাণের দিকে আহ্বান করা, অন্যায় কাজের নিষেধ করা ও ঐক্যবদ্ধ থাকার যে নির্দেশ করেছেন, সে নির্দেশনা অনুযায়ী করা এই সামান্য চেষ্টা-সাধনা ও খেদমতটুকু গ্রহণ করেন।
যেমনিভাবে আমরা তাঁর নিকট প্রার্থনা করি, যাতে তিনি আমাদের সকলকে তাঁর রহমত, ক্ষমা ও অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেন এবং আমাদেরকে সততা ও হেদায়েত দান করেন ...। আমীন!