১
কুরআন ও সুন্নার আলোকে এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে তরুণদের করণীয়
লেখকঃ ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
যুবসমাজকে এইচআইভি/ এইডস এর সংক্রমণ থেকে রক্ষায় আমাদের করণীয়ঃ
যেহেতু যুবসমাজ এইচআইভি ও অন্যান্য যৌনরোগ সংক্রমণের ক্ষেত্রে অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ, তাই তাদেরকে এইচআইভি ও অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষার জন্য সমাজের আর সবারও বড় দায়িত্ব রয়েছে। সে দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারেঃ
যুবসমাজকে যথার্থ ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে ধর্মের প্রতি তাদেরকে শ্রদ্ধাশীল করে তোলা এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার প্রতি সর্বান্তকরণে উদ্বুদ্ধ করা।
যুবসমাজ যাতে বিভিন্ন ধরনের যৌনরোগ, এইচআইভি/ এইডস ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য, শিক্ষা ও সেবা পেতে পারে সেজন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরী করা।
বাবা-মা, পরিবারের অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ যারা যুবসমাজের কাছে জনপ্রিয়, তাঁদের মাধ্যমে যুবসমাজের মধ্যে ইতিবাচক আচরণ পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
যুবসমাজ দেশের ভবিষ্যত চালিকা শক্তি বিধায় তাদের মেধা কাজে লাগিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি পরিবর্তনের পক্ষে একটি ইতিবাচক অবস্থা তৈরীর পদক্ষেপ নেয়া।
মাদরাসা/বিদ্যালয়/কলেজগামী কিশোর-কিশোরী ও যুবক-যুবতীরাও যাতে তাদের ব্যবহারে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত কার্যক্রমের আওতায় আসতে পারে, সেজন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে এ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভূক্ত করা।
যুবসমাজ সাধারণত ধর্ম, কর্মক্ষেত্র, খেলাধূলা এবং গণমাধ্যমের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থাকে। সেজন্য এইচআইভি প্রতিরোধে তথ্য ও সেবা দেয়ার জন্য এ সকল প্রতিষ্ঠানকেও কাজে লাগানো যেতে পারে।
এইচআইভি ও এইডস বিষয়ক বিভিন্ন সমাবেশ, র্যালী, আলোচনা সভা, কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা ইত্যাদি সৃজনশীল কর্মকান্ডে যুবসমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
এইচআইভি ও এইডস বিষয়ক শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যেন লাজ লজ্জা উঠিয়ে দিয়ে অবাধ যৌন শিক্ষার প্রচার ও প্রসার করা না হয়। কেননা তাহলে তরুণ সমাজ আরো অধঃপতনে তলিয়ে যাবে। অতএব কোনক্রমেই যেন ইসলামী মূল্যবোধ নষ্ট ও ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি আন্তরিকভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
যুবসমাজকে যথার্থ ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে ধর্মের প্রতি তাদেরকে শ্রদ্ধাশীল করে তোলা এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার প্রতি সর্বান্তকরণে উদ্বুদ্ধ করা।
যুবসমাজ যাতে বিভিন্ন ধরনের যৌনরোগ, এইচআইভি/ এইডস ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য, শিক্ষা ও সেবা পেতে পারে সেজন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরী করা।
বাবা-মা, পরিবারের অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ যারা যুবসমাজের কাছে জনপ্রিয়, তাঁদের মাধ্যমে যুবসমাজের মধ্যে ইতিবাচক আচরণ পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
যুবসমাজ দেশের ভবিষ্যত চালিকা শক্তি বিধায় তাদের মেধা কাজে লাগিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি পরিবর্তনের পক্ষে একটি ইতিবাচক অবস্থা তৈরীর পদক্ষেপ নেয়া।
মাদরাসা/বিদ্যালয়/কলেজগামী কিশোর-কিশোরী ও যুবক-যুবতীরাও যাতে তাদের ব্যবহারে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত কার্যক্রমের আওতায় আসতে পারে, সেজন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে এ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভূক্ত করা।
যুবসমাজ সাধারণত ধর্ম, কর্মক্ষেত্র, খেলাধূলা এবং গণমাধ্যমের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থাকে। সেজন্য এইচআইভি প্রতিরোধে তথ্য ও সেবা দেয়ার জন্য এ সকল প্রতিষ্ঠানকেও কাজে লাগানো যেতে পারে।
এইচআইভি ও এইডস বিষয়ক বিভিন্ন সমাবেশ, র্যালী, আলোচনা সভা, কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা ইত্যাদি সৃজনশীল কর্মকান্ডে যুবসমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
এইচআইভি ও এইডস বিষয়ক শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যেন লাজ লজ্জা উঠিয়ে দিয়ে অবাধ যৌন শিক্ষার প্রচার ও প্রসার করা না হয়। কেননা তাহলে তরুণ সমাজ আরো অধঃপতনে তলিয়ে যাবে। অতএব কোনক্রমেই যেন ইসলামী মূল্যবোধ নষ্ট ও ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি আন্তরিকভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।