১
কুরআন ও সুন্নার আলোকে এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে তরুণদের করণীয়
লেখকঃ ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
২ ইসলামে বিবাহের প্রতি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্বঃ
ইসলাম পরিণত বয়সে বিবাহের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করেছে। তরুণদেরকেও যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি বিবাহের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছে। কেননা বিবাহের মাধ্যমেই দ্রুত ইতিবাচক আচরণিক পরিবর্তন সাধন করা সম্ভব, যা এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধে বিশাল ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَأَنكِحُواْ ٱلۡأَيَٰمَىٰ مِنكُمۡ وَٱلصَّٰلِحِينَ مِنۡ عِبَادِكُمۡ وَإِمَآئِكُمۡۚ إِن يَكُونُواْ فُقَرَآءَ يُغۡنِهِمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِۦۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٞ ٣٢﴾ [ النور :32]
‘‘আর তোমাদের মধ্যে যারা আয়্যিম (অবিবাহিত, বিপত্নীক, বিধাবা) তাদের বিয়ে সম্পাদন কর এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরও। তারা অভাবগ্রস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ তো প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞানী’’। [আন-নূর : ৩২]
তরুণদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদাত্ত আহবান হলঃ
«يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنْ اسْتَطَاعَ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ»
‘‘হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের (দৈহিক ও আর্থিক) সামর্থ রাখে সে যেন বিয়ে করে। কেননা এটাই তার দৃষ্টিকে সবচেয়ে বেশী সংযত করবে এবং তার লজ্জাস্থানকে (অবৈধ মিলন থেকে) বেশী হেফাযত করবে। আর যে বিয়ের সামর্থ রাখে না তার উচিত রোযা রাখা। কেননা রোযা তার (যৌনকামনা নিয়ন্ত্রণের) জন্য ঢাল স্বরূপ’’। [সহীহ বুখারী-৪৬৭৮, সহীহ মুসলিম-২৪৮৫ ও ২৪৮৬]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিবাহের প্রয়োজনীয়তার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে বিবাহের প্রতি অনাগ্রহীদের উদ্দেশ্যে নিজের উদাহরণ পেশ করে বলেছিলেন,
«أَمَا وَاللَّهِ إِنِّي لَأَخْشَاكُمْ لِلَّهِ وَأَتْقَاكُمْ لَهُ لَكِنِّي أَصُومُ وَأُفْطِرُ وَأُصَلِّي وَأَرْقُدُ وَأَتَزَوَّجُ النِّسَاءَ فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي»
‘‘আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়েও বেশী ভয় করি এবং তোমাদের চেয়েও বেশী তাকওয়া অবলম্বনকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি রোযা রাখি, আবার বিরতি দেই, সালাত আদায় করি ও রাতে নিদ্রা যাই এবং নারীদের বিবাহ করি। অতএব যারা আমার সুন্নাতের প্রতি বিরাগভাজন হবে, তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভূক্ত নয়’’। [সহীহ বুখারী-৪৬৭৪, সহীহ মুসলিম-২৪৮৭]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَأَنكِحُواْ ٱلۡأَيَٰمَىٰ مِنكُمۡ وَٱلصَّٰلِحِينَ مِنۡ عِبَادِكُمۡ وَإِمَآئِكُمۡۚ إِن يَكُونُواْ فُقَرَآءَ يُغۡنِهِمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِۦۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٞ ٣٢﴾ [ النور :32]
‘‘আর তোমাদের মধ্যে যারা আয়্যিম (অবিবাহিত, বিপত্নীক, বিধাবা) তাদের বিয়ে সম্পাদন কর এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরও। তারা অভাবগ্রস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ তো প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞানী’’। [আন-নূর : ৩২]
তরুণদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদাত্ত আহবান হলঃ
«يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنْ اسْتَطَاعَ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ»
‘‘হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের (দৈহিক ও আর্থিক) সামর্থ রাখে সে যেন বিয়ে করে। কেননা এটাই তার দৃষ্টিকে সবচেয়ে বেশী সংযত করবে এবং তার লজ্জাস্থানকে (অবৈধ মিলন থেকে) বেশী হেফাযত করবে। আর যে বিয়ের সামর্থ রাখে না তার উচিত রোযা রাখা। কেননা রোযা তার (যৌনকামনা নিয়ন্ত্রণের) জন্য ঢাল স্বরূপ’’। [সহীহ বুখারী-৪৬৭৮, সহীহ মুসলিম-২৪৮৫ ও ২৪৮৬]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিবাহের প্রয়োজনীয়তার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে বিবাহের প্রতি অনাগ্রহীদের উদ্দেশ্যে নিজের উদাহরণ পেশ করে বলেছিলেন,
«أَمَا وَاللَّهِ إِنِّي لَأَخْشَاكُمْ لِلَّهِ وَأَتْقَاكُمْ لَهُ لَكِنِّي أَصُومُ وَأُفْطِرُ وَأُصَلِّي وَأَرْقُدُ وَأَتَزَوَّجُ النِّسَاءَ فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي»
‘‘আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়েও বেশী ভয় করি এবং তোমাদের চেয়েও বেশী তাকওয়া অবলম্বনকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি রোযা রাখি, আবার বিরতি দেই, সালাত আদায় করি ও রাতে নিদ্রা যাই এবং নারীদের বিবাহ করি। অতএব যারা আমার সুন্নাতের প্রতি বিরাগভাজন হবে, তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভূক্ত নয়’’। [সহীহ বুখারী-৪৬৭৪, সহীহ মুসলিম-২৪৮৭]