১
জামা‘আতের সাথে নামায আদায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তার তাৎপর্য, ফযীলত, আহকাম, উপকারিতা ও আদাবসমূহ
লেখকঃ ড. সায়ীদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল্ ক্বাহতানি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
নবম পরিচ্ছেদ: দ্বিতীয় জামা‘আত করা শরীয়তসম্মত
মসজিদে ইমামের সাথে যার প্রথম জামা‘আত ছুটে যায় তার জন্য দ্বিতীয় জামা‘আত করা শরীয়ত সম্মত অর্থাৎ বৈধ; কেননা আবু সায়ীদ (রা:) থেকে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে রাসূল এক ব্যক্তিকে একাকি নামায পড়তে দেখে বললেন: (এমন কোন ব্যক্তি কি আছে যে, এই ব্যক্তিকে সদ্কাহ করবে, অর্থাৎ তার সাথে নামায পড়বে?)। (আবুদাউদ, তিরমিযি, আহমাদ) এবং তিরমিযির শব্দ হল: এক ব্যক্তি আসল যখন রাসূল নামায পড়ে নিয়েছেন, অতঃপর তিনি বলেন: {তোমাদের কে আছে যে, এই ব্যক্তির সাথে (পূণ্য অর্জনে) ব্যবসা করবে?} তখন এক ব্যক্তি দাঁড়াল এবং তার সাথে নামায পড়ল। ইমাম আহমাদের শব্দ হচ্ছে: এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল যখন রাসূল তাঁর সাহাবাদের নিয়ে নামায পড়ে নিয়েছেন, অতঃপর রাসূল বলেন: এমন কোন ব্যক্তি কি আছে যে, এই ব্যক্তিকে সদ্কাহ করবে? অর্থাৎ তার সাথে নামায পড়বে?) তখন এক ব্যক্তি দাঁড়াল এবং তার সাথে নামায পড়ল। ইমাম শাওকানী (রহ:) বলেন: (ক্বাওমের এক লোক দাঁড়াল এবং তার সাথে নামায পড়ল)। তিনি ছিলেন আবুবকর ছিদ্দিক (রা:) যেমনটি ইবনে শায়বাহ বর্ণনা করেছেন। (নাইলুল আওতার-২/৩৮০)
হাদীসটি প্রমাণ করে যে একাকী নামায আরম্ভকারীর সাথে নামাযে প্রবেশ করা শরীয়ত সম্মত, যদিও যে ব্যক্তি প্রবেশ করবে সে জামা‘আতের সাথে নামায আদায় করে থাকে। (নাইলুল আওতার-২/৩৮০) ইমাম তিরমিযি (রহ:) বলেন: (এটা একাধিক আহলে ইল্মের বক্তব্য যাদের মধ্যে রয়েছে রাসূল এর সাহাবী, এছাড়াও রয়েছেন তাবেয়ীনদের মধ্যে অনেকে)। তাঁরা বলেন: এতে কোন সমস্যা নাই যে, কোন একদল লোক মসজিদে জামা‘আতের সাথে নামায পড়ল যেখানে ইতিপূর্বে জামা‘আত পড়া হয়েছে, ইমাম আহমাদ ও ইছহাক (রাহঃ) এর বক্তব্যও এটাই। এটিই সঠিক বক্তব্য; কারণ সার্বিকভাবে দলীল সমূহ যা প্রমাণ করে যে জামা‘আতের সাথে নামায আদায় ব্যক্তির একাকী নামায অপেক্ষা ২৭গুন বেশী ফযীলত পূর্ণ; এবং উবাই বিন কা’ব (রা:) থেকে বর্ণিত হাদীসের একাংশে রয়েছে: (আর নিশ্চয় কোন ব্যক্তির অপর ব্যক্তির সাথে নামায তার একাকী নামায অপেক্ষা অধিকতর পবিত্র এবং কোন ব্যক্তির অপর দুই ব্যক্তির সাথে নামায তার অপর এক ব্যক্তির সাথে নামায অপেক্ষা অধিকতর পবিত্র, আর যতই সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে তা আল্লাহ তা‘আলার কাছে অধিক প্রিয়)। (সুনানে আবুদাউদ, নাসায়ী, আহমদ)। আর যে ব্যক্তি বলে: নিশ্চয় জামা‘আতের ফযীলত প্রথম জামা‘আতের জন্য খাছ বা নির্দিষ্ট তার কর্তব্য হল দলীল পেশ করা কেননা শুধুমাত্র নিজস্ব অভিমত কোন দলীল নয়। (মাজমু’উ ফাতাওয়া লিবনে বায-১২/১৬৬) প্রমাণিত যে একদা আনাস (রা:) আসলেন এঅবস্থায় যে লোকেরা নামায পড়ে নিয়েছেন, তখন তিনি তার সাথীদেরকে একত্রিত করলেন এবং তাঁদেরকে নিয়ে নামায পড়লেন। (বুখারী)
উদ্দেশ্য হল দ্বিতীয় জামা‘আত তাদের জন্য জায়েয যাদের প্রথম জামা‘আত ছুটে গেছে এবং এটাই হল মূল বক্তব্য এবং এই আসল থেকে দলীল ব্যতীত বের হওয়া যাবেনা। (মাজমু’উ ফাতাওয়া লিবনে বায-১২/১৬৬) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা‘আলা তাওফীক দাতা।
হাদীসটি প্রমাণ করে যে একাকী নামায আরম্ভকারীর সাথে নামাযে প্রবেশ করা শরীয়ত সম্মত, যদিও যে ব্যক্তি প্রবেশ করবে সে জামা‘আতের সাথে নামায আদায় করে থাকে। (নাইলুল আওতার-২/৩৮০) ইমাম তিরমিযি (রহ:) বলেন: (এটা একাধিক আহলে ইল্মের বক্তব্য যাদের মধ্যে রয়েছে রাসূল এর সাহাবী, এছাড়াও রয়েছেন তাবেয়ীনদের মধ্যে অনেকে)। তাঁরা বলেন: এতে কোন সমস্যা নাই যে, কোন একদল লোক মসজিদে জামা‘আতের সাথে নামায পড়ল যেখানে ইতিপূর্বে জামা‘আত পড়া হয়েছে, ইমাম আহমাদ ও ইছহাক (রাহঃ) এর বক্তব্যও এটাই। এটিই সঠিক বক্তব্য; কারণ সার্বিকভাবে দলীল সমূহ যা প্রমাণ করে যে জামা‘আতের সাথে নামায আদায় ব্যক্তির একাকী নামায অপেক্ষা ২৭গুন বেশী ফযীলত পূর্ণ; এবং উবাই বিন কা’ব (রা:) থেকে বর্ণিত হাদীসের একাংশে রয়েছে: (আর নিশ্চয় কোন ব্যক্তির অপর ব্যক্তির সাথে নামায তার একাকী নামায অপেক্ষা অধিকতর পবিত্র এবং কোন ব্যক্তির অপর দুই ব্যক্তির সাথে নামায তার অপর এক ব্যক্তির সাথে নামায অপেক্ষা অধিকতর পবিত্র, আর যতই সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে তা আল্লাহ তা‘আলার কাছে অধিক প্রিয়)। (সুনানে আবুদাউদ, নাসায়ী, আহমদ)। আর যে ব্যক্তি বলে: নিশ্চয় জামা‘আতের ফযীলত প্রথম জামা‘আতের জন্য খাছ বা নির্দিষ্ট তার কর্তব্য হল দলীল পেশ করা কেননা শুধুমাত্র নিজস্ব অভিমত কোন দলীল নয়। (মাজমু’উ ফাতাওয়া লিবনে বায-১২/১৬৬) প্রমাণিত যে একদা আনাস (রা:) আসলেন এঅবস্থায় যে লোকেরা নামায পড়ে নিয়েছেন, তখন তিনি তার সাথীদেরকে একত্রিত করলেন এবং তাঁদেরকে নিয়ে নামায পড়লেন। (বুখারী)
উদ্দেশ্য হল দ্বিতীয় জামা‘আত তাদের জন্য জায়েয যাদের প্রথম জামা‘আত ছুটে গেছে এবং এটাই হল মূল বক্তব্য এবং এই আসল থেকে দলীল ব্যতীত বের হওয়া যাবেনা। (মাজমু’উ ফাতাওয়া লিবনে বায-১২/১৬৬) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা‘আলা তাওফীক দাতা।