১
জামা‘আতের সাথে নামায আদায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তার তাৎপর্য, ফযীলত, আহকাম, উপকারিতা ও আদাবসমূহ
লেখকঃ ড. সায়ীদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল্ ক্বাহতানি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ভূমিকা
নিশ্চয় প্রশংসা সব আল্লাহরই জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি এবং তাঁর কাছেই সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আমাদের নিজেদের পক্ষ হতে সকল অনিষ্ট হতে, আমাদের পাপ কাজ হতে তাঁর কাছে আশ্রয় চাই, যাকে আল্লাহ তা‘আলা পথ দেখান তাকে কেহ গোমরা করতে পারে না আর যাকে তিনি পথ ভ্রষ্ট করেন তাকে কেহ হেদায়াত দিতে পারে না, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নাই, তিনি একক তার কোন শরীক নাই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তার বান্দাহ ও রাসূল, আল্লাহ তা‘আলা তার উপর সালাত ও অপরিসিম শান্তি বর্ষন করুন এবং তার পরিবার পরিজনের প্রতি ও তার সাথীদের প্রতি এবং ক্বেয়ামাত পর্যন্ত যারা উত্তমভাবে তাদের অনুসরন করবেন তাদের প্রতি।
অতঃপর:-এটি হল জামা‘আতে নামায আদায় সংক্রান্ত একটি ছোট্ট পুস্তিকা; যাতে আমি বর্ণনা করেছি: জামা‘আতে নামাযের অর্থ, উহার হুকুম, উহার উপকারিতাসমূহ, উহার ফযীলত, উহার দিকে পথচলার ফযীলত, উহার দিকে পথ চলার আদবসমূহ, দুইজন দ্বারা উহা সম্পাদন হওয়া, এক রাকাআত পেলেই জামা‘আত পাওয়া, ইমামের সাথে প্রথম জামা‘আত ছুটে যাওয়া ব্যক্তির জন্য দ্বিতীয় জামা‘আত শরীয়ত সম্মত, যে ব্যক্তি নামায পড়ে ফেলেছে সে যদি জামা‘আত পায় তবে তাদের সাথে পুনরায় নফল হিসাবে আদায় করবে, মাসবুক ব্যক্তি ইমামকে যে অবস্থায় পাবে সে অবস্থায়ই নামাযে প্রবেশ করবে কিন্তু রুকু না পেলে উহা রাকাআত হিসাবে গণ্য হবে না, বাকী নামায ইমাম সালাম ফিরালে তখন আদায় করবে। প্রত্যেক মাসআলা আমি দলীল সহ উল্লেখ করেছি, আমি আমাদের শায়েখ সম্মানিত ইমাম আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায (রাহ:) এর অনেক আলোচনা এবং বিভিন্ন মাসআলার ক্ষেত্রে তার অগ্রাধিকার প্রদান হতে অনেক উপকার লাভ করেছি, আল্লাহ তা‘আলা শান্তিময় জান্নাতে তাকে সুউচ্চ মর্যাদা দান করুন, আল্লাহ তা‘আলার কাছে কামনা করছি তিনি যেন এইকাজটুকু কবুল করেন, বরকতময় করেন, শুধুমাত্র তার জন্য একনিষ্ঠ করেন এবং আমাকে এর দ্বারা দুনিয়ার জীবনে ও মৃত্যুর পরে কল্যাণ দান করেন এবং যার কাছেই এটা পৌঁছবে তাকেও কল্যাণ দান করেন, নিশ্চয়ই তিনি উত্তম দানশীল, প্রত্যাশার মহান স্থল, তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম ব্যবস্থাপক, মহান আল্লাহ তাআ’লা ব্যতীত কারও কোন শক্তি ও ক্ষমতা নাই, আল্লাহ তা‘আলা সালাত ও সালাম এবং বরকত দান করুন তার বান্দাহ ও রাসূল এবং তার সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বোত্তম সৃষ্টি আমাদের নবী ও ইমাম এবং আমাদের আদর্শ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহর প্রতি এবং তাঁর পরিবারের উপর ও তাঁর সাহাবাদের উপর এবং যারা কেয়ামাত পর্যন্ত উত্তমভাবে তাদের অনুসরণ করবে তাদের উপর।
লেখক
২৭/২/১৪২১হি:
অতঃপর:-এটি হল জামা‘আতে নামায আদায় সংক্রান্ত একটি ছোট্ট পুস্তিকা; যাতে আমি বর্ণনা করেছি: জামা‘আতে নামাযের অর্থ, উহার হুকুম, উহার উপকারিতাসমূহ, উহার ফযীলত, উহার দিকে পথচলার ফযীলত, উহার দিকে পথ চলার আদবসমূহ, দুইজন দ্বারা উহা সম্পাদন হওয়া, এক রাকাআত পেলেই জামা‘আত পাওয়া, ইমামের সাথে প্রথম জামা‘আত ছুটে যাওয়া ব্যক্তির জন্য দ্বিতীয় জামা‘আত শরীয়ত সম্মত, যে ব্যক্তি নামায পড়ে ফেলেছে সে যদি জামা‘আত পায় তবে তাদের সাথে পুনরায় নফল হিসাবে আদায় করবে, মাসবুক ব্যক্তি ইমামকে যে অবস্থায় পাবে সে অবস্থায়ই নামাযে প্রবেশ করবে কিন্তু রুকু না পেলে উহা রাকাআত হিসাবে গণ্য হবে না, বাকী নামায ইমাম সালাম ফিরালে তখন আদায় করবে। প্রত্যেক মাসআলা আমি দলীল সহ উল্লেখ করেছি, আমি আমাদের শায়েখ সম্মানিত ইমাম আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায (রাহ:) এর অনেক আলোচনা এবং বিভিন্ন মাসআলার ক্ষেত্রে তার অগ্রাধিকার প্রদান হতে অনেক উপকার লাভ করেছি, আল্লাহ তা‘আলা শান্তিময় জান্নাতে তাকে সুউচ্চ মর্যাদা দান করুন, আল্লাহ তা‘আলার কাছে কামনা করছি তিনি যেন এইকাজটুকু কবুল করেন, বরকতময় করেন, শুধুমাত্র তার জন্য একনিষ্ঠ করেন এবং আমাকে এর দ্বারা দুনিয়ার জীবনে ও মৃত্যুর পরে কল্যাণ দান করেন এবং যার কাছেই এটা পৌঁছবে তাকেও কল্যাণ দান করেন, নিশ্চয়ই তিনি উত্তম দানশীল, প্রত্যাশার মহান স্থল, তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম ব্যবস্থাপক, মহান আল্লাহ তাআ’লা ব্যতীত কারও কোন শক্তি ও ক্ষমতা নাই, আল্লাহ তা‘আলা সালাত ও সালাম এবং বরকত দান করুন তার বান্দাহ ও রাসূল এবং তার সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বোত্তম সৃষ্টি আমাদের নবী ও ইমাম এবং আমাদের আদর্শ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহর প্রতি এবং তাঁর পরিবারের উপর ও তাঁর সাহাবাদের উপর এবং যারা কেয়ামাত পর্যন্ত উত্তমভাবে তাদের অনুসরণ করবে তাদের উপর।
লেখক
২৭/২/১৪২১হি: