hadith book logo

জামা‌‘আতের সাথে নামায আদায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তার তাৎপর্য, ফযীলত, আহকাম, উপকারিতা ও আদাবসমূহ

লেখকঃ ড. সায়ীদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল্ ক্বাহতানি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৩

দশম পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি নামায পড়েছে অতঃপর জামা‘আত পেল..

যে ব্যক্তি নামায পড়ার পর জামা‘আত পেল সে তাদের সাথে নফল হিসাবে পূণরায় নামায পড়বে; কেননা আবুজার (রা:) থেকে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে তিনি বলেন: আমাকে রাসূল বলেছেন: (যদি তোমার উপর এমন সব আমিরগণ থাকে যারা নামায তার সময় থেকে দেরী করে পড়ে, অথবা নামায তার সময়মত নিষ্প্রাণ করে রাখে অর্থাৎ সময়মত না পড়ে, তুমি তাহলে কি করবে?) তিনি বলেন: আমি বললাম এমতাবস্থায় আপনি আমাকে কি আদেশ করেন? তিনি বলেন: (নামায তার সময়মতই আদায় কর, অতঃপর যদি তাদের সাথে নামায আবার পেয়ে যাও তাহলে পূণরায় নামায পড় এবং সেটা হবে তোমার জন্য নফল নামায [এবং বলবেনা যে, আমি নামায পড়েছি, অতএব আর নামায পড়ব না]) (মুসলিম-৬৪৮) ইয়াযিদ ইবনে আছওয়াদের হাদীসের একাংশে রয়েছে (...যখন তোমরা দু’জন তোমাদের অশ্ব-জিনে নামায পড়বে, অতঃপর মসজিদে আসবে যেখানে জামা‘আত হচ্ছে তখন তোমরা উভয়ে তাদের সাথে নামায পড়বে, কেননা উহা তোমাদের জন্য নফল হিসাবে গণ্য হবে)। অপর এক শব্দে রয়েছে: (যখন তোমাদের কেহ তার অশ্ব-জিনে নামায পড়ে, অতঃপর ইমামকে এ অবস্থায় পায় যে, সে নামায পড়েনি তখন যেন সে তার সাথে নামায পড়ে; কেননা এই নামায তার জন্য নফল হিসাবে গণ্য হবে); (তিরমিযি, আবুদাউদ, নাসায়ী), মিহজান থেকে বর্ণিত হাদীস যার একাংশে রয়েছে: অতঃপর রাসূল বলেছেন: (তোমাকে নামায পড়তে কোন জিনিসটি নিষেধ করেছে তুমি কি মুসলিম নও?) সে বলল: অবশ্যই, কিন্তু আমি আমার পরিবারের মাঝে নামায পড়ে নিয়েছি, অতঃপর রাসূল বললেন: (যদি তুমি আস তাহলে মানুষের সাথে নামায পড় যদিও ইতিপূর্বে নামায পড়ে থাক)। (নাসায়ী) উবাদাহ বিন ছামেত (রা:) থেকে হাদীস (আহমাদ) ইবনে মাসউদ (রা:) থেকে হাদীস (আবুদাউদ)। আল্লাহ তা‘আলাই তাওফীক দাতা এবং তিনিই সঠিক পথ প্রদর্শনকারী।