১
মিলাদ মাহফিল
লেখকঃ মুহাম্মাদ হারুন হুসাইন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
শেষ কথা
মিলাদ মাহফিল একটি নতুন আবিষ্কৃতি আমল, যা ৪র্থ শতাব্দীতে ফাতেমী শাসনামলে মিশরের কায়রো শহরে শীয়াদের কর্তৃক প্রথম আবিষ্কৃত হয়। পরবর্তীতে ৭ম শতাব্দী হিজরীর প্রথম দিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে। ইরাকের এরবলের গভর্নর আল মুজাফ্ফার আবু সাঈদ কাওকাবারী খুব শান শওকাতে এ ধরনের মাহফিলের আয়োজন করতেন। সে সময়ের মিসরীয় অপাংক্তেয় আলেম আবুল খাত্তাব ওমার বিন দেহইয়া আল কালবী মিলাদের পক্ষে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কথা দ্বারা একখানা বই লিখে বাদশাহকে উপহার দেন। বইটির নামকরণ করেন, ‘আততানভীর ফী মাওলিদীস সিরা জিম্মুনীর’। ফলে বাদশাহ খুশী হয়ে তাকে একহাজার দিনার উপহার দেন।
মিলাদ মাহফিলে যেসব কছিদা পাঠ করা হয়, তার অধিকাংশই শিরকী আকবীদায় পরিপূর্ণ। সাধারণ মুসলিম সমাজ মিলাদী মৌলভীদের ফাঁকি ধরতে পারেন না; বরং তাদের মিষ্টি কথায় ও বাহ্যিক সাজগোজ দেখে প্রতারণার স্বীকার হয়ে পড়েন। ফলে দুনিয়ায় অর্থ হারান এবং আখেরাতকেও বিনষ্ট করেন। কাজেই এসব বিদআতী কর্মকান্ড হতে সতর্ক হওয়া অতি জরুরি ।
বিশেষত ঐ সমস্ত আলেমদের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ, যারা এখনও লৌকিকতা ও পার্থিব স্বার্থদ্বন্দ্বে পড়ে আছেন এবং কুরআন ও সহীহ হাদীস ছাড়া ফাতওয়া দিয়ে চলেছেন তারা যেন আল্লাহকে ভয় করেন এবং পরকালের জবাবদিহিতার জন্য প্রস্তুত হোন! কেননা, জেনে শুনে ভুল ফাতওয়া দেয়ার পরিণতি খুবই ভয়াবহ। তারা নিজেরা পথভ্রষ্ট হন এবং সাধারণ মানুষকেও বিভ্রান্ত করেন।
হে আলেম সমাজ আপনারা জাতির কর্ণধার। শ্রেষ্ঠ নাবীর শ্রেষ্ঠ উত্তরসূরী। আল্লাহ আপনাদেরকে হক্ব বুঝার তাওফীক দিয়েছেন। হেদায়াতের সে শক্তিকে শানিত করে তুলুন! জেনে রাখবেন, কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়; বরং হক তুলে ধরে আপনাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সকলের ইসলাহ উদ্দেশ্য। রাসূলুল্লাহ ﷺ এ গুরু দায়িত্ত আঞ্জাম দেয়াকে মুসলিমদের দ্বীনি মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে জানিয়ে দিয়েছে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন এবং হক বুঝার ও সে অনুযায়ী চলার তাওফীক দিন ! আমীন!
মিলাদ মাহফিলে যেসব কছিদা পাঠ করা হয়, তার অধিকাংশই শিরকী আকবীদায় পরিপূর্ণ। সাধারণ মুসলিম সমাজ মিলাদী মৌলভীদের ফাঁকি ধরতে পারেন না; বরং তাদের মিষ্টি কথায় ও বাহ্যিক সাজগোজ দেখে প্রতারণার স্বীকার হয়ে পড়েন। ফলে দুনিয়ায় অর্থ হারান এবং আখেরাতকেও বিনষ্ট করেন। কাজেই এসব বিদআতী কর্মকান্ড হতে সতর্ক হওয়া অতি জরুরি ।
বিশেষত ঐ সমস্ত আলেমদের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ, যারা এখনও লৌকিকতা ও পার্থিব স্বার্থদ্বন্দ্বে পড়ে আছেন এবং কুরআন ও সহীহ হাদীস ছাড়া ফাতওয়া দিয়ে চলেছেন তারা যেন আল্লাহকে ভয় করেন এবং পরকালের জবাবদিহিতার জন্য প্রস্তুত হোন! কেননা, জেনে শুনে ভুল ফাতওয়া দেয়ার পরিণতি খুবই ভয়াবহ। তারা নিজেরা পথভ্রষ্ট হন এবং সাধারণ মানুষকেও বিভ্রান্ত করেন।
হে আলেম সমাজ আপনারা জাতির কর্ণধার। শ্রেষ্ঠ নাবীর শ্রেষ্ঠ উত্তরসূরী। আল্লাহ আপনাদেরকে হক্ব বুঝার তাওফীক দিয়েছেন। হেদায়াতের সে শক্তিকে শানিত করে তুলুন! জেনে রাখবেন, কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়; বরং হক তুলে ধরে আপনাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সকলের ইসলাহ উদ্দেশ্য। রাসূলুল্লাহ ﷺ এ গুরু দায়িত্ত আঞ্জাম দেয়াকে মুসলিমদের দ্বীনি মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে জানিয়ে দিয়েছে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন এবং হক বুঝার ও সে অনুযায়ী চলার তাওফীক দিন ! আমীন!