১
মিলাদ মাহফিল
লেখকঃ মুহাম্মাদ হারুন হুসাইন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
মিলাদের পটভূমি
بسم الله ، والحمد لله، و الصلاة و السلام على رسول الله و على اٰله وصحبه و من والاه أما بعد .....
মিলাদ অর্থ জন্মের সময় বা স্থান। প্রচলিত অর্থে মিলাদ বলতে ধর্মীয় অনুষ্ঠান বুঝি। শব্দটি আম বা সাধারণ অর্থ জ্ঞাপক। এর দ্বারা সকল ব্যক্তি বা প্রাণীর জন্মকাল বুঝায়। কিন্তু মুসলিম জনসাধারণের বিশেষ শ্রেণীতে মিলাদ বলতে আমাদের প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জন্ম দিবস পালন করা বুঝি। মিলাদ নিয়ে ওলামাদের মাঝে বিতর্ক আছে। কারো মতে, এটি নতুন আবিষ্কার হলেও পুণ্যের কাজ। আবার কারো মতে, এটি নিছক একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এর ধর্মীয় কোন ফায়দা ও ভিত্তি নেই; বরং বিদ‘আত। যারা এটিকে পুণ্যের কাজ মনে করেন, তারা আবার দু’শ্রেণীতে বিভক্ত। একশ্রেণী মিলাদে ক্বিয়াম করে, আরেক শ্রেণী ক্বিয়াম ছাড়া মিলাদ করে। মোটকথা, মিলাদ নিয়ে বহুকাল থেকে মুসলিম সমাজে বিতর্ক চলে আসছে।
এখন কথা হচ্ছে, বিতর্ক কি বিতর্কই থেকে যাবে? এর কি কোন সঠিক সামাধান নেই? নিশ্চয় আছে। কেননা, ইসলাম আল্লাহর প্রদত্ত জীবন বিধান। আর আল্লাহর কাছে বিতর্কের সমাধান নেই- তা হতে পারে না। বরং মহান আল্লাহর সমাধানই চুড়ান্ত। বিতর্কের সমাধান কিভাবে এবং কিসের দ্বারা করতে হবে, সে সম্পর্কে সঠিক পথনির্দেশনা দিয়ে আল্লাহ এরশাদ করেন :
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اَطِيْعُوا اللهَ وَاَطِيْعُوا الرَّسُوْلَ وَاُولِي الْاَمْرِ مِنْكُمْۚ فَاِنْ تَنَازَعْتُمْ فِيْ شَيْءٍ فَرُدُّوْهُ اِلَى اللهِ وَالرَسُوْلِ اِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُوْنَ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِؕ ذٰلِكَ خَيْرٌ وَّاَحْسَنُ تَأْوِيْلًا
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো ও রাসূলের আনুগত্য করো এবং তাদের (আনুগত্য করো) যারা তোমাদের মধ্যে নির্দেশ দানের অধিকারী (দায়িত্বশীল); অতঃপর যদি কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটে, তবে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও- যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে থাক। (তাহলে) এটাই হবে (তোমাদের বিরোধ মিমাংসার ক্ষেত্রে) সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা এবং পরিণামের দিকে থেকেও উৎকৃষ্টতর।’’ [। সূরা নিসা ৫৯]
অতএব, দ্বন্দ্ব নিরসনের একমাত্র পথ হলো মহান আল্লাহ ও তার রাসূল ﷺ এর নিকট বিষয়টি নিয়ে যাওয়া। আর আল্লাহর নিকট নিয়ে যাওয়া অর্থ হলো, তার কিতাব আল কুরআনের দিকে এবং রাসূল ﷺ এর দিকে নিয়ে যাওয়া অর্থ হলো, তার সুন্নাত তথা হাদীছের নিকট নিয়ে যাওয়া। [। আল-মিসবাহুল মুনীর ফী তাহযীবি তাফসীর ইবন কাসীর,দারুস সালাম রিয়াদ / ২৪১] অর্থাৎ কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে দ্বন্দ্বের সমাধান করা।
সম্মানিত পাঠক !
মিলাদ সংক্রান্ত বিবাদ মীমাংসার জন্য আমরা বিষয়টি কুরআন ও সহীহ সুন্নাতের মানদন্ডে যাচাই করব ইনশা আল্লাহ। এর সাথে আমরা মিলাদের গাইড বই ‘বারযাঞ্জি শরীফ ও তার হাক্বীকত’ নিয়ে প্রমাণভিত্তিক সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব। যাতে সরলমতি মুসলিম সমাজে এ সম্পর্কিত যত দ্বন্দ্ব রয়েছে, তা নিরসন হয়ে যায়। আর সকল মুসলিম ভাই ভাই হিসেবে মিলেমিশে জীবন যাপন করতে পারেন।
মিলাদ অর্থ জন্মের সময় বা স্থান। প্রচলিত অর্থে মিলাদ বলতে ধর্মীয় অনুষ্ঠান বুঝি। শব্দটি আম বা সাধারণ অর্থ জ্ঞাপক। এর দ্বারা সকল ব্যক্তি বা প্রাণীর জন্মকাল বুঝায়। কিন্তু মুসলিম জনসাধারণের বিশেষ শ্রেণীতে মিলাদ বলতে আমাদের প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জন্ম দিবস পালন করা বুঝি। মিলাদ নিয়ে ওলামাদের মাঝে বিতর্ক আছে। কারো মতে, এটি নতুন আবিষ্কার হলেও পুণ্যের কাজ। আবার কারো মতে, এটি নিছক একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এর ধর্মীয় কোন ফায়দা ও ভিত্তি নেই; বরং বিদ‘আত। যারা এটিকে পুণ্যের কাজ মনে করেন, তারা আবার দু’শ্রেণীতে বিভক্ত। একশ্রেণী মিলাদে ক্বিয়াম করে, আরেক শ্রেণী ক্বিয়াম ছাড়া মিলাদ করে। মোটকথা, মিলাদ নিয়ে বহুকাল থেকে মুসলিম সমাজে বিতর্ক চলে আসছে।
এখন কথা হচ্ছে, বিতর্ক কি বিতর্কই থেকে যাবে? এর কি কোন সঠিক সামাধান নেই? নিশ্চয় আছে। কেননা, ইসলাম আল্লাহর প্রদত্ত জীবন বিধান। আর আল্লাহর কাছে বিতর্কের সমাধান নেই- তা হতে পারে না। বরং মহান আল্লাহর সমাধানই চুড়ান্ত। বিতর্কের সমাধান কিভাবে এবং কিসের দ্বারা করতে হবে, সে সম্পর্কে সঠিক পথনির্দেশনা দিয়ে আল্লাহ এরশাদ করেন :
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اَطِيْعُوا اللهَ وَاَطِيْعُوا الرَّسُوْلَ وَاُولِي الْاَمْرِ مِنْكُمْۚ فَاِنْ تَنَازَعْتُمْ فِيْ شَيْءٍ فَرُدُّوْهُ اِلَى اللهِ وَالرَسُوْلِ اِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُوْنَ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِؕ ذٰلِكَ خَيْرٌ وَّاَحْسَنُ تَأْوِيْلًا
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো ও রাসূলের আনুগত্য করো এবং তাদের (আনুগত্য করো) যারা তোমাদের মধ্যে নির্দেশ দানের অধিকারী (দায়িত্বশীল); অতঃপর যদি কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটে, তবে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও- যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে থাক। (তাহলে) এটাই হবে (তোমাদের বিরোধ মিমাংসার ক্ষেত্রে) সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা এবং পরিণামের দিকে থেকেও উৎকৃষ্টতর।’’ [। সূরা নিসা ৫৯]
অতএব, দ্বন্দ্ব নিরসনের একমাত্র পথ হলো মহান আল্লাহ ও তার রাসূল ﷺ এর নিকট বিষয়টি নিয়ে যাওয়া। আর আল্লাহর নিকট নিয়ে যাওয়া অর্থ হলো, তার কিতাব আল কুরআনের দিকে এবং রাসূল ﷺ এর দিকে নিয়ে যাওয়া অর্থ হলো, তার সুন্নাত তথা হাদীছের নিকট নিয়ে যাওয়া। [। আল-মিসবাহুল মুনীর ফী তাহযীবি তাফসীর ইবন কাসীর,দারুস সালাম রিয়াদ / ২৪১] অর্থাৎ কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে দ্বন্দ্বের সমাধান করা।
সম্মানিত পাঠক !
মিলাদ সংক্রান্ত বিবাদ মীমাংসার জন্য আমরা বিষয়টি কুরআন ও সহীহ সুন্নাতের মানদন্ডে যাচাই করব ইনশা আল্লাহ। এর সাথে আমরা মিলাদের গাইড বই ‘বারযাঞ্জি শরীফ ও তার হাক্বীকত’ নিয়ে প্রমাণভিত্তিক সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব। যাতে সরলমতি মুসলিম সমাজে এ সম্পর্কিত যত দ্বন্দ্ব রয়েছে, তা নিরসন হয়ে যায়। আর সকল মুসলিম ভাই ভাই হিসেবে মিলেমিশে জীবন যাপন করতে পারেন।