১
মুসলিম উম্মাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দরসের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান
লেখকঃ শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
প্রথম দরস: সূরা আল-ফাতিহা ও ছোট সূরাসমূহের অধ্যয়ন
সূরা আল-ফাতিহা এবং সূরা যালযালাহ থেকে সূরা ‘আন-নাস’ পর্যন্ত ছোট ছোট সূরাসমূহের যতটা সম্ভব অধ্যয়ন, বিশুদ্ধ পঠন ও মুখস্থকরণ এবং এর মধ্যে যেসব বিষয়ের অনুধাবন অপরিহার্য সেগুলোর ব্যাখ্যা জানা।
ব্যাখ্যা:
শাইখ আব্দুল আযীয ইবন বায রহ. -আল্লাহ তার দ্বারা ইসলাম ও মুসলিমদের উপকৃত করুক এবং তাকে উত্তম বিনিময় দান করুক -প্রথম দরসে তিনি বলেন, প্রতিটি মুসলিমের জন্য জরুরী হলো, সূরা আল-ফাতিহা ও ছোট ছোট সূরাগুলো শিখে নেওয়া। কারণ, সূরা আল-ফাতিহা জানা প্রতিটি মুসলিমের ওপর ফরয। কারণ, সূরা আল-ফাতিহা পড়া ছাড়া সালাত শুদ্ধ হয় না। যেমনি বিশুদ্ধ হাদীস দ্বারা তার প্রমাণিত।
এ সূরাগুলো যিনি শিখাবেন নিম্নলিখিত বিষয়গুলো লক্ষ্য করা তার ওপর জরুরী:
প্রথম বিষয়: যদি পড়তে না পারে তাকে পড়া শেখানো। আর যখন পড়তে পারে, তখন তাকে দ্বিতীয় ধাপে তার পড়াকে শুদ্ধ করে দেওয়া। তারপর তৃতীয় ধাপের দিক অগ্রসর হওয়া অর্থাৎ সূরাগুলো মুখস্থ করিয়ে দেওয়া।
হিফয করানোর পদ্ধতি:
শিক্ষক সুন্দরভাবে তারতীলের সাথে পড়বে আর শিক্ষার্থীরা তার সাথে বার বার পড়বে যাতে তাদের মুখস্থ হয়ে যায়।
তারপর শিক্ষার্থীদেরকে তাদের মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী সূরাগুলো অর্থ ও ব্যাখ্যা শেখাবে। আয়াতগুলো থেকে দু একটি শরী‘আতের বিধান শেখাবে। যেমন, সূরা আল-ফাতিহা সম্পর্কে বলবে -সূরা আল-ফাতিহা পড়া সালাতের রুকন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لا صلاة لمن لم يقرأ بفاتحة الكتاب»
“যে সালাতে সূরা আল-ফাতিহা পড়ে না তার সালাতই হয় না”। [বর্ণনায় সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭২৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯৪; তিরমিযী, হাদীস নং ২৪৭; নাসায়ী, হাদীস নং ৯১১, আবুদ দাউদ, হাদীস নং ৮২২; মুসনাদে আহমদ ৫/৩১৩।]
অনুরূপভাবে শিক্ষার্থীকে বলবে -পূর্বের উম্মত ও সালাফের নিকট এ বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত যে, তারা আল্লাহর নাম ও সিফাতসমূহের ওপর ঈমান আনতেন। আল্লাহ তার নিজের জন্য এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় হাদীসে আল্লাহর জন্য যা সাব্যস্ত করেছেন, তা সাব্যস্ত করতেন এবং আল্লাহ তা‘আলা তার নিজের থেকে যা নিষেধ করেছেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিষেধ করেছেন, তারাও তা কোনো প্রকার বিকৃতি, তুলনা, সাদৃশ্য স্থাপন, দৃষ্টান্ত ও আকৃতি বর্ণনা ছাড়াই নিষেধ করতেন। অনুরূপভাবে তাদের জানিয়ে দিবে যে ইবাদাত হলো, একটি ব্যাপক অর্থের নাম। আল্লাহ তা‘আলা যে সব প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য কথা ও কর্মকে পছন্দ করেন এবং তাতে খুশি হন, তাই ইবাদাত। সূরা আল-ফাতিহার আরও যে সব আহকাম বলে দেওয়া দরকার তা হলো, যখন কোনো ইবাদতের সাথে শির্কের সংমিশ্রণ ঘটে তখন তার ইবাদাত বাতিল ও নষ্ট হয়ে যায়।
আরও জানিয়ে দেবে যে, প্রতিটি মুসলিম কিয়ামতের স্মরণ করবে। কিয়ামতের স্মরণ একজন মুসলিমকে আল্লাহর ইবাদাত করতে এবং গুনাহ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।
অনুরূপভাবে অন্যান্য সূরাগুলোকেও এভাবে প্রথমে মুখে মুখে শুদ্ধ করাবে, তারপর হিফয করাবে এবং তারপর অর্থ ও ব্যাখ্যা শিখাবে। আল্লাহই ভালো জানেন।
ব্যাখ্যা:
শাইখ আব্দুল আযীয ইবন বায রহ. -আল্লাহ তার দ্বারা ইসলাম ও মুসলিমদের উপকৃত করুক এবং তাকে উত্তম বিনিময় দান করুক -প্রথম দরসে তিনি বলেন, প্রতিটি মুসলিমের জন্য জরুরী হলো, সূরা আল-ফাতিহা ও ছোট ছোট সূরাগুলো শিখে নেওয়া। কারণ, সূরা আল-ফাতিহা জানা প্রতিটি মুসলিমের ওপর ফরয। কারণ, সূরা আল-ফাতিহা পড়া ছাড়া সালাত শুদ্ধ হয় না। যেমনি বিশুদ্ধ হাদীস দ্বারা তার প্রমাণিত।
এ সূরাগুলো যিনি শিখাবেন নিম্নলিখিত বিষয়গুলো লক্ষ্য করা তার ওপর জরুরী:
প্রথম বিষয়: যদি পড়তে না পারে তাকে পড়া শেখানো। আর যখন পড়তে পারে, তখন তাকে দ্বিতীয় ধাপে তার পড়াকে শুদ্ধ করে দেওয়া। তারপর তৃতীয় ধাপের দিক অগ্রসর হওয়া অর্থাৎ সূরাগুলো মুখস্থ করিয়ে দেওয়া।
হিফয করানোর পদ্ধতি:
শিক্ষক সুন্দরভাবে তারতীলের সাথে পড়বে আর শিক্ষার্থীরা তার সাথে বার বার পড়বে যাতে তাদের মুখস্থ হয়ে যায়।
তারপর শিক্ষার্থীদেরকে তাদের মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী সূরাগুলো অর্থ ও ব্যাখ্যা শেখাবে। আয়াতগুলো থেকে দু একটি শরী‘আতের বিধান শেখাবে। যেমন, সূরা আল-ফাতিহা সম্পর্কে বলবে -সূরা আল-ফাতিহা পড়া সালাতের রুকন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لا صلاة لمن لم يقرأ بفاتحة الكتاب»
“যে সালাতে সূরা আল-ফাতিহা পড়ে না তার সালাতই হয় না”। [বর্ণনায় সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭২৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯৪; তিরমিযী, হাদীস নং ২৪৭; নাসায়ী, হাদীস নং ৯১১, আবুদ দাউদ, হাদীস নং ৮২২; মুসনাদে আহমদ ৫/৩১৩।]
অনুরূপভাবে শিক্ষার্থীকে বলবে -পূর্বের উম্মত ও সালাফের নিকট এ বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত যে, তারা আল্লাহর নাম ও সিফাতসমূহের ওপর ঈমান আনতেন। আল্লাহ তার নিজের জন্য এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় হাদীসে আল্লাহর জন্য যা সাব্যস্ত করেছেন, তা সাব্যস্ত করতেন এবং আল্লাহ তা‘আলা তার নিজের থেকে যা নিষেধ করেছেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিষেধ করেছেন, তারাও তা কোনো প্রকার বিকৃতি, তুলনা, সাদৃশ্য স্থাপন, দৃষ্টান্ত ও আকৃতি বর্ণনা ছাড়াই নিষেধ করতেন। অনুরূপভাবে তাদের জানিয়ে দিবে যে ইবাদাত হলো, একটি ব্যাপক অর্থের নাম। আল্লাহ তা‘আলা যে সব প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য কথা ও কর্মকে পছন্দ করেন এবং তাতে খুশি হন, তাই ইবাদাত। সূরা আল-ফাতিহার আরও যে সব আহকাম বলে দেওয়া দরকার তা হলো, যখন কোনো ইবাদতের সাথে শির্কের সংমিশ্রণ ঘটে তখন তার ইবাদাত বাতিল ও নষ্ট হয়ে যায়।
আরও জানিয়ে দেবে যে, প্রতিটি মুসলিম কিয়ামতের স্মরণ করবে। কিয়ামতের স্মরণ একজন মুসলিমকে আল্লাহর ইবাদাত করতে এবং গুনাহ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।
অনুরূপভাবে অন্যান্য সূরাগুলোকেও এভাবে প্রথমে মুখে মুখে শুদ্ধ করাবে, তারপর হিফয করাবে এবং তারপর অর্থ ও ব্যাখ্যা শিখাবে। আল্লাহই ভালো জানেন।