১
সাহাবায়ে কেরামের অবস্থান ও মর্যাদার বিষয়ে আহলে সুন্নাতের আকীদা-বিশ্বাস
লেখকঃ ড. মো: আমিনুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
তৃতীয় অধ্যায়: সাহাবীগণকে গালি দেওয়া এবং তার বিধান ও পরিণতি প্রথম পরিচ্ছেদ: সাহাবীগণকে গালি দেওয়া ও তার বিধান
সাহাবীগণকে গালি দেওয়ার বিষয়টি কয়েক প্রকারে বিভক্ত আর প্রত্যেক প্রকারের গালির জন্য নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।
আর গালি হলো এমন কথা বলা, যার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মর্যাদা হ্রাস করা ও হেয় প্রতিপন্ন করা। গালি থেকে মানুষের আকীদা-বিশ্বাসের বিভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে তাদের বিবেক-বুদ্ধি সম্পর্কে অনুধাবন করা যায়। যেমন, অভিশাপ দেওয়া, মন্দগুণে ভূষিত করা ইত্যাদি। [আস-সারিমুল মাসলুল, পৃষ্ঠা ৫৬১]
আর সহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমকে গালি দেওয়া মানে তাদের কাউকে কাউকে নিকৃষ্ট স্তরে পৌঁছিয়ে দেওয়া। সুতরাং কেউ কাফির বা ফাসিক বলে গালি দেয়, আবার কেউ কৃপণ ও বেআক্কেলের মতো দুনিয়াবী বিষয়ের মাধ্যমে গালি দেয়, আর এ গালি তাদের সকলের উদ্দেশ্যে হতে পারে অথবা তাদের অধিকাংশের উদ্দেশ্যে হতে পারে অথবা তাদের কাউকে কাউকে উদ্দেশ্য করে গালি দেয় অথবা তাদের কোনো এক ব্যক্তি বিশেষকে উদ্দেশ্য করে গালি দেয়, আর ঐ ব্যক্তি বিশেষ হন এমন ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, যার মর্যাদার ব্যাপারে মুতাওয়াতির পর্যায়ের কুরআন-সুন্নাহ’র নস বা বক্তব্য রয়েছে অথবা তার চেয়ে নিম্ন স্তরের বর্ণনা বিদ্যমান আছে।
আপানাদের সামনে প্রত্যেক প্রকারের হুকুম বা বিধানের বিস্তারিত বিবরণ পেশ করা হলো:
আর গালি হলো এমন কথা বলা, যার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মর্যাদা হ্রাস করা ও হেয় প্রতিপন্ন করা। গালি থেকে মানুষের আকীদা-বিশ্বাসের বিভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে তাদের বিবেক-বুদ্ধি সম্পর্কে অনুধাবন করা যায়। যেমন, অভিশাপ দেওয়া, মন্দগুণে ভূষিত করা ইত্যাদি। [আস-সারিমুল মাসলুল, পৃষ্ঠা ৫৬১]
আর সহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমকে গালি দেওয়া মানে তাদের কাউকে কাউকে নিকৃষ্ট স্তরে পৌঁছিয়ে দেওয়া। সুতরাং কেউ কাফির বা ফাসিক বলে গালি দেয়, আবার কেউ কৃপণ ও বেআক্কেলের মতো দুনিয়াবী বিষয়ের মাধ্যমে গালি দেয়, আর এ গালি তাদের সকলের উদ্দেশ্যে হতে পারে অথবা তাদের অধিকাংশের উদ্দেশ্যে হতে পারে অথবা তাদের কাউকে কাউকে উদ্দেশ্য করে গালি দেয় অথবা তাদের কোনো এক ব্যক্তি বিশেষকে উদ্দেশ্য করে গালি দেয়, আর ঐ ব্যক্তি বিশেষ হন এমন ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, যার মর্যাদার ব্যাপারে মুতাওয়াতির পর্যায়ের কুরআন-সুন্নাহ’র নস বা বক্তব্য রয়েছে অথবা তার চেয়ে নিম্ন স্তরের বর্ণনা বিদ্যমান আছে।
আপানাদের সামনে প্রত্যেক প্রকারের হুকুম বা বিধানের বিস্তারিত বিবরণ পেশ করা হলো: