১
সাহাবায়ে কেরামের অবস্থান ও মর্যাদার বিষয়ে আহলে সুন্নাতের আকীদা-বিশ্বাস
লেখকঃ ড. মো: আমিনুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
চতুর্থত: অবশিষ্ট মুমিন জননীদেরকে গালি দেওয়ার বিধান:
অবশিষ্ট মুমিন জননীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করার বিধানের ক্ষেত্র আলেমগণ মতভেদ করেছেন। তবে অধিকাংশের নিকট অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মত হলো এ ধরনের আচরণকারী কাফির। কারণ, অপবাদের অভিযোগে অভিযুক্ত নারী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আর আল্লাহ তা‘আলা তার (আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) জন্য রাগান্বিত হয়েছেন। কেননা তিনি ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী। সুতরাং তিনি (আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) এবং তাঁর অন্যান্য স্ত্রীগণ সকলেই আইনের চোখে সমান। [আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ৮/৯৫]
অনুরূপভাবে আরেকটি কারণ হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করার মধ্যে তাঁর জন্য মর্যাদাহানি ও কষ্টের কারণ নিহিত রয়েছে। [কাযী ‘আইয়াদ্ব, আশ-শিফা, বিশ্লেষণ: আল-বাজাবী, ২/১১০৯; আরও দেখুন: আস-সাওয়ায়েক আল-মুহরিক্বা, পৃষ্ঠা ৩৮৭; আল-মুহাল্লা: ১১/৪১৫] যার বর্ণনা আমরা করেছি ‘যে ব্যক্তি উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার প্রতি অপবাদ আরোপ করবে, তার বিধান আলোচনা করার সময়।’ তবে এ অপবাদ ব্যতীত মুমিন জননীদেরকে গালি দিলে, তখন তাদের বিধান হবে অপরাপর সাহাবীগণকে গালি দেওয়ার বিধানের মতো, যার বিস্তারিত বিবরণ সামনে আসছে।
অনুরূপভাবে আরেকটি কারণ হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করার মধ্যে তাঁর জন্য মর্যাদাহানি ও কষ্টের কারণ নিহিত রয়েছে। [কাযী ‘আইয়াদ্ব, আশ-শিফা, বিশ্লেষণ: আল-বাজাবী, ২/১১০৯; আরও দেখুন: আস-সাওয়ায়েক আল-মুহরিক্বা, পৃষ্ঠা ৩৮৭; আল-মুহাল্লা: ১১/৪১৫] যার বর্ণনা আমরা করেছি ‘যে ব্যক্তি উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার প্রতি অপবাদ আরোপ করবে, তার বিধান আলোচনা করার সময়।’ তবে এ অপবাদ ব্যতীত মুমিন জননীদেরকে গালি দিলে, তখন তাদের বিধান হবে অপরাপর সাহাবীগণকে গালি দেওয়ার বিধানের মতো, যার বিস্তারিত বিবরণ সামনে আসছে।