১
শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মাতৃদুগ্ধদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
লেখকঃ ড. হুসাইন আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
সংক্রামক রোগ প্রতিরোধক
শুধুমাত্র মায়ের দুধেই রয়েছে শিশুর যাবতীয় রোগ প্রতিরোধ করার মত উপাদান। মায়ের দুধ পান করে বড় হলে বেশি বয়সেও সন্তান বহুবিধ রোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে। মায়ের দুধ সকল সংক্রামক রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করে। বুকের দুধে কোন রোগ জীবাণু নেই বলে এ দুধ পান করে শিশু কোন সময় অসুস্থ হয় না। এতে আছে রোগ প্রতিরোধক বহু উপদান যা শিশুকে অসুখ-বিসুখ থেকে রক্ষা করে। এ উপাদানগুলোর মধ্যে আছে:
জীবাণু ধ্বংসকারী জীবিত শ্বেতকণিকা (লিউকোসাইটিস)।
রোগ প্রতিরোধক ইম্মিউনোগ্লোবিউলিন বা এন্ডিবডি। শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে না উঠা পর্যন্ত এসব এন্টিবডি শিশুকে ননারকম রোগ থেকে রক্ষা করে।
‘বাইফিভাস ফ্যাক্টর’ নামে একটি পদার্থ যা শিশুর পেটে বিশেষ একটি জীবাণু যা ব্যাক্টরিয়াকে বাড়তে সাহায্য করে। এই জীবাণু হচ্ছে ‘ল্যাক্টোবেসিলস’ যা পেটে অন্যান্য ক্ষতি কারক জীবাণুকে ধ্বংস করে শিশুকে ডায়রিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। [. Dr. F. Savage, প্রাগুক্ত, পৃ. ১৪।] মোটকথা মায়ের দুধ সব সময় শিশুকে অসুস্থতার হাত থেকে রক্ষা করে। দু’তিন বছর বয়সেও অসুস্থ হলে বুকের দুধ থেকে পাওয় ক্ষমতা শিশুকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ফলে মায়ের দুধ শিশু মৃত্যুার হার কমায়। [. মুহাম্মাদ শফিকুর রহমান, ইসলাম ও পারিবাকি জীবন, (ঢাকা: আই.ই. এম. ইউনিট, খৃ. ১৯৯৫), পৃ. ৫১।] সম্প্রতি কালের বহু গবেষণায় দেখা গেছে শিশুকে মায়ের দুধ পান করালে শিশু মৃত্যুর হার শতকরা ৩ ভাগ কমে যায়। [. প্রফেসর ডা. শাহলা খাতুন, দৈনিক ইত্তেফাক, ১৩ জুলাই, ২০০১, পকৃ. ৩।]
জীবাণু ধ্বংসকারী জীবিত শ্বেতকণিকা (লিউকোসাইটিস)।
রোগ প্রতিরোধক ইম্মিউনোগ্লোবিউলিন বা এন্ডিবডি। শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে না উঠা পর্যন্ত এসব এন্টিবডি শিশুকে ননারকম রোগ থেকে রক্ষা করে।
‘বাইফিভাস ফ্যাক্টর’ নামে একটি পদার্থ যা শিশুর পেটে বিশেষ একটি জীবাণু যা ব্যাক্টরিয়াকে বাড়তে সাহায্য করে। এই জীবাণু হচ্ছে ‘ল্যাক্টোবেসিলস’ যা পেটে অন্যান্য ক্ষতি কারক জীবাণুকে ধ্বংস করে শিশুকে ডায়রিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। [. Dr. F. Savage, প্রাগুক্ত, পৃ. ১৪।] মোটকথা মায়ের দুধ সব সময় শিশুকে অসুস্থতার হাত থেকে রক্ষা করে। দু’তিন বছর বয়সেও অসুস্থ হলে বুকের দুধ থেকে পাওয় ক্ষমতা শিশুকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ফলে মায়ের দুধ শিশু মৃত্যুার হার কমায়। [. মুহাম্মাদ শফিকুর রহমান, ইসলাম ও পারিবাকি জীবন, (ঢাকা: আই.ই. এম. ইউনিট, খৃ. ১৯৯৫), পৃ. ৫১।] সম্প্রতি কালের বহু গবেষণায় দেখা গেছে শিশুকে মায়ের দুধ পান করালে শিশু মৃত্যুর হার শতকরা ৩ ভাগ কমে যায়। [. প্রফেসর ডা. শাহলা খাতুন, দৈনিক ইত্তেফাক, ১৩ জুলাই, ২০০১, পকৃ. ৩।]