১
শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মাতৃদুগ্ধদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
লেখকঃ ড. হুসাইন আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
মতামত প্রদানের অধিকার
শিশুর মতামত একেবারে নিম্নমানের সাদাবিধে বা মূল সমস্যা থেকে বহু দূরেই হোক না কেন; বিভিন্ন সমস্যার সময় তাদের মতামত গ্রহণ করা। তার মতামতকে তুচ্ছ জ্ঞান করা তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা উচিত নয়, বরং তাতে কোন ভুল ভ্রান্তি থাকলে তা দেখিয়ে দেয়া ও সঠিক মতকে তার সামনে প্রকাশ করা। পিতা-মাতার এভাবে শিশুকে মতামত প্রদানের সুযোগদান শিশুকে সঠিক পথে পরিচালিত করে এবং তাকে যথাযথ দিক-নির্দেশনা দানে সহায়তা করে। এ ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত পন্থাসমূহ অবলম্বন করা যেতে পারে।
বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে মতামত ব্যক্ত করতে তাকে অভ্যস্ত করানো এবং সমস্যা সম্পর্কে তার মধ্যে চেতনা সৃষ্টি করা।
তার মতামতে কোন ভুল-ভ্রান্তি থাকলে তা দেখিয়ে দিয়ে সুন্দর মতামত দান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাকে সাহায্য করা।
বড়দের মন্তব্য প্রকাশ ও তাদের মন্তব্য এবং মতামতের ভাল দিকগুলো দেখিয়ে দেয়া, যাতে শিশুর অন্তরেও সঠিক মতামত পেশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের শক্তি সৃষ্টিতে চিন্তা করার অবকাশ জন্মে।
সমস্যাদি সম্পর্কে শান্ত পর্যালোচনায় অভ্যস্ত করানো। যাতে করে কোন সমস্যা দৃষ্টে সে অক্ষমের মত দাঁড়িয়ে না থাকে; বরং এর সমাধানে তার মধ্যে সৃষ্টি হয় একটি মনোবল। বিভিন্ন মতামত ও সিদ্ধান্তের ভাল ও মন্দ উভয় দিক নিয়ে তার সাথে আলোচনা করা উচিত।
এভাবে শিশুদেরকে ভবিষ্যতের জন্যে এবং আগামী দিনে যে সমস্ত সমস্যাদির সম্মুখীন হবে তার সুন্দর মুকাবিলার জন্য তাদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলা যেতে পারে।
তাকে একজন মূল্যহীন মন্তব্যকারী হওয়ার মনোভাব পোষণ না করে বিভিন্ন সমস্যাদির মুকাবিলায় অভ্যস্ত করানো দরকার, যাতে কোন সমস্যাদৃষ্টে সে ভীত-সন্ত্রস্ত কিংকর্তব্য বিমুঢ় হয়ে না পড়ে। ইসলাম এ বিষয়টিকে উৎসাহিত করেছে। তার একটি উদাহরণ হচ্ছে হযরত আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা.) এর ঘটনা। একবার রাসূল (সা) জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ মুমিনদেরকে একটি বৃক্ষের সাৃথে তুলনা করেছেন যার পাতা ঝরে না, তোমাদের জানা আছে কি, তা কোন বৃক্ষ? সাহাবীগণ সবাই চুপ থাকলেন। তখন রাসূল (সা) নিজেই উত্তর দিলেন; তা হচ্ছে খেজুর গাছ।’’ আব্দুল্লাহ ইবন উমার তার পিতার সাথে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পিতা- পুত্র উভয়ই যখন বাড়ীতে ফিরে গেলেন; তখন আব্দুল্লাহ ইবন উমার তার পিতাকে বললেন, রাসূল (সা) যা বলেছিলেন তা আমার জানা ছিল কিন্তু সাহাবীদের সামনে উত্তর দিতে ভয় করেছিলেন। তখন তার পিতা তাকে বললেন, তুমি যদি উত্তর দিতে তাহলে আমার নিকট অধিকতর আনন্দের বিষয হতো। [. ইসলামে শিশু পরিচর্যা, পৃ. ৫০-৫১।]
বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে মতামত ব্যক্ত করতে তাকে অভ্যস্ত করানো এবং সমস্যা সম্পর্কে তার মধ্যে চেতনা সৃষ্টি করা।
তার মতামতে কোন ভুল-ভ্রান্তি থাকলে তা দেখিয়ে দিয়ে সুন্দর মতামত দান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাকে সাহায্য করা।
বড়দের মন্তব্য প্রকাশ ও তাদের মন্তব্য এবং মতামতের ভাল দিকগুলো দেখিয়ে দেয়া, যাতে শিশুর অন্তরেও সঠিক মতামত পেশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের শক্তি সৃষ্টিতে চিন্তা করার অবকাশ জন্মে।
সমস্যাদি সম্পর্কে শান্ত পর্যালোচনায় অভ্যস্ত করানো। যাতে করে কোন সমস্যা দৃষ্টে সে অক্ষমের মত দাঁড়িয়ে না থাকে; বরং এর সমাধানে তার মধ্যে সৃষ্টি হয় একটি মনোবল। বিভিন্ন মতামত ও সিদ্ধান্তের ভাল ও মন্দ উভয় দিক নিয়ে তার সাথে আলোচনা করা উচিত।
এভাবে শিশুদেরকে ভবিষ্যতের জন্যে এবং আগামী দিনে যে সমস্ত সমস্যাদির সম্মুখীন হবে তার সুন্দর মুকাবিলার জন্য তাদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলা যেতে পারে।
তাকে একজন মূল্যহীন মন্তব্যকারী হওয়ার মনোভাব পোষণ না করে বিভিন্ন সমস্যাদির মুকাবিলায় অভ্যস্ত করানো দরকার, যাতে কোন সমস্যাদৃষ্টে সে ভীত-সন্ত্রস্ত কিংকর্তব্য বিমুঢ় হয়ে না পড়ে। ইসলাম এ বিষয়টিকে উৎসাহিত করেছে। তার একটি উদাহরণ হচ্ছে হযরত আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা.) এর ঘটনা। একবার রাসূল (সা) জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ মুমিনদেরকে একটি বৃক্ষের সাৃথে তুলনা করেছেন যার পাতা ঝরে না, তোমাদের জানা আছে কি, তা কোন বৃক্ষ? সাহাবীগণ সবাই চুপ থাকলেন। তখন রাসূল (সা) নিজেই উত্তর দিলেন; তা হচ্ছে খেজুর গাছ।’’ আব্দুল্লাহ ইবন উমার তার পিতার সাথে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পিতা- পুত্র উভয়ই যখন বাড়ীতে ফিরে গেলেন; তখন আব্দুল্লাহ ইবন উমার তার পিতাকে বললেন, রাসূল (সা) যা বলেছিলেন তা আমার জানা ছিল কিন্তু সাহাবীদের সামনে উত্তর দিতে ভয় করেছিলেন। তখন তার পিতা তাকে বললেন, তুমি যদি উত্তর দিতে তাহলে আমার নিকট অধিকতর আনন্দের বিষয হতো। [. ইসলামে শিশু পরিচর্যা, পৃ. ৫০-৫১।]