১
শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মাতৃদুগ্ধদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
লেখকঃ ড. হুসাইন আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
মানসিক বিকাশে সহায়তা
মায়ের দুধ শিশুর সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অনন্য ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীতে যত প্রকার খাবার আছে তন্মধ্যে মায়ের দুধই শিশুর জন্য সর্বোত্তম খাবার, আর এটিই শিশুর জন্য নিরাপ,দ ও সুষম খাবার। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশন এর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক মিডিয়া ওয়ার্কশপে বিভিন্ন গবেষণামুলক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে, দু’বছর পর্যন্ত মায়ের দুধ খেলে শিশুর আইকিউ বা বুদ্ধিমত্তা শতকরা ১০ ভাগ বেশি হয়। [. দৈনিক ইত্তেফাক, ২৩ জুলাই, ২০০১।]
তদুপরি দুগ্ধদানের কারণে মায়ের হজম শক্তি উন্নত হয়, তার মধ্যে সৃষ্টি করে সাধারণ স্বাস্থ্যেন্নতি এবং শিশুর প্রয়োজনীয় খাদ্য প্রাণ আহরণের নিমিত্তে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা। তাছাড়া স্তন্যদান তাঁর গর্ভধারণ প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে এবং জন্মজনিত কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত শক্তিকে ফিরে পেতে সাহায্য করে। বতর্মানে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে দুগ্ধদানে শৈথিল্য প্রদর্শনের অশুভ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছে। রাসূল (সা.) আরবের রীতি অনুযায়ী ধাত্রী দ্বারা দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে দুশ্চরিত্রা মহিলাকে ধাত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। কেননা দুধের প্রভাব পরস্পরের মধ্যে সম্প্রসারণযোগ্য। তিনি বলেছেন: তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে দুশ্চরিত্রা ও অপ্রকৃতস্থ রমণীর দুগ্ধপান করানো ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর। [. ইসলামে শিশু পরিচর্যা, পৃ. ৪১।]
তদুপরি দুগ্ধদানের কারণে মায়ের হজম শক্তি উন্নত হয়, তার মধ্যে সৃষ্টি করে সাধারণ স্বাস্থ্যেন্নতি এবং শিশুর প্রয়োজনীয় খাদ্য প্রাণ আহরণের নিমিত্তে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা। তাছাড়া স্তন্যদান তাঁর গর্ভধারণ প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে এবং জন্মজনিত কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত শক্তিকে ফিরে পেতে সাহায্য করে। বতর্মানে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে দুগ্ধদানে শৈথিল্য প্রদর্শনের অশুভ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছে। রাসূল (সা.) আরবের রীতি অনুযায়ী ধাত্রী দ্বারা দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে দুশ্চরিত্রা মহিলাকে ধাত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। কেননা দুধের প্রভাব পরস্পরের মধ্যে সম্প্রসারণযোগ্য। তিনি বলেছেন: তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে দুশ্চরিত্রা ও অপ্রকৃতস্থ রমণীর দুগ্ধপান করানো ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর। [. ইসলামে শিশু পরিচর্যা, পৃ. ৪১।]