১
অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ ঝগড়া-বিবাদ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
জ্ঞানহীন তর্কে অন্তর্ভুক্ত হলো, কদর সম্পর্কে বিতর্ক করা
আমর ইবন শুয়াইব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণিত, তিনি বলেন,
«خرج رسول الله على أصحابه وهم يختصمون في القدر،فكأنما يُفقأُ في وجهه حب الرمان من الغضب . فقال : بِهَذَا أُمِرْتُمْ؟ أَوْ لَهِذَا خُلِقْتُمْ؟ تَضرِبُونَ القُرْآنَ بَعْضَهُ بِبَعْضٍ؟ ! بِهَذَاهَلَكَتِ الأُمَمُ قَبْلَكُمْ قال : فقال عبد الله بن عمروما غبطت نفسي بمجلس تخلفت فيه عن رسول الله ما غبطت نفسي بذلك المجلس وتخلفي عنه»
“একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন তার সাহাবীরা কদর সম্পর্কে বিতর্ক করছে। এ দেখে রাগে এ ক্ষোভে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারা মলিন হয়ে গেল। তখন তিনি তাদের বললেন, তোমাদের এর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? অথবা তোমাদের এ জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে? তোমরা কুরআনের এক অংশ দ্বারা অপর অংশকে আঘাত করছ! এ কারণেই তোমাদের পূর্বের উম্মতরা ধ্বংস হয়েছে। তারপর আব্দুল্লাহ ইবন আমর বলেন, আমি আর কোনো মজলিশে অনুপস্থিত থাকতে এত পছন্দ করিনি সেদিন ঐ মজলিশে অনুপস্থিত থাকাকে যতটুকু পছন্দ করি।”
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিক ক্ষুব্ধ হন, কারণ ক্বদর হলো আল্লাহ তা‘আলার গোপনীয় বিষয় সমূহের একটি। যে ব্যক্তি না জেনে তাতে মশগুল হয়, তার পরিণতি হবে গোমরাহী। হয় সে ক্বদরী হবে অথবা জবরী হবে। এ কারণে তিনি তাতে লিপ্ত হতে নিষেধ করেন।
ক্বদর সম্পর্কে বিতর্ক ঈমানের নড়বড়টা ও সন্দেহ, সংশয়ের দিকে নিয়ে যায়। ক্বদর বিষয়ে ঈমানের মধ্যে ঘটায় ও সন্দেহ সংশয়কে উসকিয়ে দেয়, তাই এ বিষয়ে বিতর্ক করা নিন্দনীয় বিতর্ক। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا يَزَالُ أَمْرُ هَذِهِ الأمةِ مُوَائِماً أَوْ مُقَارِباً مَا لَمْ يَتَكَلَّمُوا فِي الوِلْدَانِ وِالقَدَرِ»
“এ উম্মতের যাবতীয় কর্মকাণ্ড ততদিন পর্যন্ত ঠিক বা সত্যের কাছাকাছি থাকবে যতদিন পর্যন্ত তারা কদর ও মুশরিকদের সন্তানদের নিয়ে কোনো বিতর্ক করবে না।
নিন্দনীয় বিতর্কের দ্বিতীয় প্রকার:
«خرج رسول الله على أصحابه وهم يختصمون في القدر،فكأنما يُفقأُ في وجهه حب الرمان من الغضب . فقال : بِهَذَا أُمِرْتُمْ؟ أَوْ لَهِذَا خُلِقْتُمْ؟ تَضرِبُونَ القُرْآنَ بَعْضَهُ بِبَعْضٍ؟ ! بِهَذَاهَلَكَتِ الأُمَمُ قَبْلَكُمْ قال : فقال عبد الله بن عمروما غبطت نفسي بمجلس تخلفت فيه عن رسول الله ما غبطت نفسي بذلك المجلس وتخلفي عنه»
“একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন তার সাহাবীরা কদর সম্পর্কে বিতর্ক করছে। এ দেখে রাগে এ ক্ষোভে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারা মলিন হয়ে গেল। তখন তিনি তাদের বললেন, তোমাদের এর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? অথবা তোমাদের এ জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে? তোমরা কুরআনের এক অংশ দ্বারা অপর অংশকে আঘাত করছ! এ কারণেই তোমাদের পূর্বের উম্মতরা ধ্বংস হয়েছে। তারপর আব্দুল্লাহ ইবন আমর বলেন, আমি আর কোনো মজলিশে অনুপস্থিত থাকতে এত পছন্দ করিনি সেদিন ঐ মজলিশে অনুপস্থিত থাকাকে যতটুকু পছন্দ করি।”
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিক ক্ষুব্ধ হন, কারণ ক্বদর হলো আল্লাহ তা‘আলার গোপনীয় বিষয় সমূহের একটি। যে ব্যক্তি না জেনে তাতে মশগুল হয়, তার পরিণতি হবে গোমরাহী। হয় সে ক্বদরী হবে অথবা জবরী হবে। এ কারণে তিনি তাতে লিপ্ত হতে নিষেধ করেন।
ক্বদর সম্পর্কে বিতর্ক ঈমানের নড়বড়টা ও সন্দেহ, সংশয়ের দিকে নিয়ে যায়। ক্বদর বিষয়ে ঈমানের মধ্যে ঘটায় ও সন্দেহ সংশয়কে উসকিয়ে দেয়, তাই এ বিষয়ে বিতর্ক করা নিন্দনীয় বিতর্ক। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا يَزَالُ أَمْرُ هَذِهِ الأمةِ مُوَائِماً أَوْ مُقَارِباً مَا لَمْ يَتَكَلَّمُوا فِي الوِلْدَانِ وِالقَدَرِ»
“এ উম্মতের যাবতীয় কর্মকাণ্ড ততদিন পর্যন্ত ঠিক বা সত্যের কাছাকাছি থাকবে যতদিন পর্যন্ত তারা কদর ও মুশরিকদের সন্তানদের নিয়ে কোনো বিতর্ক করবে না।
নিন্দনীয় বিতর্কের দ্বিতীয় প্রকার: