১
অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ ঝগড়া-বিবাদ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
আলিমদের সাথে ঝগড়া-বিবাদ
এখানে এমন কতক লোক আছে, যারা মাসলা -মাসায়েল বিষয়ে আলিমদের সাথে অনর্থক বিতর্ক করে। তাদের উদ্দেশ্য আলিম ও তালেবে ইলমদের মজলিশে নিজেদের যোগ্যতা ও ইলম জাহের করা এবং তারা কথা বলা ও বিতর্ক করার যোগ্যতা রাখে প্রকাশ করা। এ ধরনের বিতর্ক ইসলামী শরী‘আতের দৃষ্টিতে অবশ্যই অপরাধ। যাবের ইবন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا تَعَلَّمُوا العِلْمَ لِتُبَاهُوا بِهِ العُلَمَاءَ، وَلَا لِتُمَارُوا بِهِ السُّفَهَاءَ، وَلَا تَخَيَّرُوا بِهِ المَجَالِسَ، فَمَنْ فَعَلَ ذَلِكَ فَالنَّارَ النَّارَ»
“তোমরা আলিমদের সাথে বড়াই করা এবং মূর্খদের সাথে বিতর্ক করার উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করো না এবং ইলম দ্বারা মজলিশসমূহকে বিতর্কিত করো না। যে ব্যক্তি ইহা করে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম জাহান্নাম।” [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৫৪।]
অপর এক হাদীসে কা‘ব ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন,
«مَنْ طَلَبَ العِلْمَ لِيُجَارِيَ بهِِ العُلَمَاءَ، أَوْ لِيُمَارِيَ بِهِ السُّفَهَاءَ، أَوْ يَصْرِفَ بِهِ وُجُوهَ النَّاسِ إِلَيْهِ؛ أَدْخَلَهُ الله النَّارَ»
“যে ব্যক্তি আলিমদের সাথে বিতর্ক করা এবং জাহেলদের সাথে ঝগড়া-বিবাদ করা অথবা মানুষকে তার প্রতি আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।” [তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৪৫।]
সুতরাং ঝগড়া করার বা আলিমদের সাথে বিতর্ক করার উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করা হতে বিরত থাকতে হবে।
আবার কিছু লোক আছে তাদের উদ্দেশ্যই হলো, আলিম ও তালেবে ইলমদের সাথে বিতর্ক করা। তারা বিভিন্ন মজলিশে গিয়ে বলতে থাকে, আমি অমুক কায়েদা জানি অমুক দলীল জানি ইত্যাদি। এ কারণে তাদের দেখা যায় তাদের মাশায়েখদের প্রশ্ন করলে মাশায়েখরা যখন উত্তর দেয়, তখন বলে, হে শাইখ এ মাসাআলা বিষয়ে অমুক আলিম এ কথা বলছে, অমুক এ কথা বলছে...। সে যখন সব কিছু জানে তাহলে তার প্রশ্ন করার দরকার কি? এতে স্পষ্ট হয় সে তার যোগ্যতা প্রকাশ করার জন্য প্রশ্ন করে থাকে। এ ধরনের লোকেরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষে ইলম শিক্ষা করে না। তারা ইলম শিখে তাদের বড়ত্ব, যোগ্যতা ও পাণ্ডিত্য প্রকাশ করার জন্য। এ ছাড়াও তার নাম যাতে আলোচনায় আসে এবং মানুষ বলবে লোকটি হাফেয তার নিকট দলীলের অভাব নাই সে অনেক বড় মুনাযের ইত্যাদি প্রশংসা লাভের জন্যই সে ইলম অর্জন করে।
«لَا تَعَلَّمُوا العِلْمَ لِتُبَاهُوا بِهِ العُلَمَاءَ، وَلَا لِتُمَارُوا بِهِ السُّفَهَاءَ، وَلَا تَخَيَّرُوا بِهِ المَجَالِسَ، فَمَنْ فَعَلَ ذَلِكَ فَالنَّارَ النَّارَ»
“তোমরা আলিমদের সাথে বড়াই করা এবং মূর্খদের সাথে বিতর্ক করার উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করো না এবং ইলম দ্বারা মজলিশসমূহকে বিতর্কিত করো না। যে ব্যক্তি ইহা করে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম জাহান্নাম।” [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৫৪।]
অপর এক হাদীসে কা‘ব ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন,
«مَنْ طَلَبَ العِلْمَ لِيُجَارِيَ بهِِ العُلَمَاءَ، أَوْ لِيُمَارِيَ بِهِ السُّفَهَاءَ، أَوْ يَصْرِفَ بِهِ وُجُوهَ النَّاسِ إِلَيْهِ؛ أَدْخَلَهُ الله النَّارَ»
“যে ব্যক্তি আলিমদের সাথে বিতর্ক করা এবং জাহেলদের সাথে ঝগড়া-বিবাদ করা অথবা মানুষকে তার প্রতি আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।” [তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৪৫।]
সুতরাং ঝগড়া করার বা আলিমদের সাথে বিতর্ক করার উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করা হতে বিরত থাকতে হবে।
আবার কিছু লোক আছে তাদের উদ্দেশ্যই হলো, আলিম ও তালেবে ইলমদের সাথে বিতর্ক করা। তারা বিভিন্ন মজলিশে গিয়ে বলতে থাকে, আমি অমুক কায়েদা জানি অমুক দলীল জানি ইত্যাদি। এ কারণে তাদের দেখা যায় তাদের মাশায়েখদের প্রশ্ন করলে মাশায়েখরা যখন উত্তর দেয়, তখন বলে, হে শাইখ এ মাসাআলা বিষয়ে অমুক আলিম এ কথা বলছে, অমুক এ কথা বলছে...। সে যখন সব কিছু জানে তাহলে তার প্রশ্ন করার দরকার কি? এতে স্পষ্ট হয় সে তার যোগ্যতা প্রকাশ করার জন্য প্রশ্ন করে থাকে। এ ধরনের লোকেরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষে ইলম শিক্ষা করে না। তারা ইলম শিখে তাদের বড়ত্ব, যোগ্যতা ও পাণ্ডিত্য প্রকাশ করার জন্য। এ ছাড়াও তার নাম যাতে আলোচনায় আসে এবং মানুষ বলবে লোকটি হাফেয তার নিকট দলীলের অভাব নাই সে অনেক বড় মুনাযের ইত্যাদি প্রশংসা লাভের জন্যই সে ইলম অর্জন করে।